Recents in Beach

Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (2)

আমি আর হাবিব রুমে এসে বিছানায় শুয়ে পরলাম কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছি। আজকের দিন টা অনেক কিছুই হলো। আজকে বাসা না পেলে রাস্তায় থাকতে হতো। যাইহোক একটা ভালো ঘুম দেই। সকালে ছাদে যাবো ভাবলাম সেই ভাবনা নিয়েই শুয়ে পরলাম। সকালে উঠলাম হাবিবের ডাকে ওই নাকি বাইরে যাবে সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে চলে গেছে আমি ঘুমিয়ে আছি। হঠাৎ জানালা দিয়ে মুখে সূর্য এর আলো এসে লাগছে। তাই আর ঘুম হলো না। শুয়া থেকে উঠে হাতে ব্রাশ নিয়ে ছাদে উঠছি। সূর্য এর তাপ ভালোই ছাদে এক কোণায় দারিয়ে ব্রাশ করতেছি সামনে তাকিয়ে সব কিছু দেখছি। এই আপনি ছাদে কেনো????? কথা টা হঠাৎ কানে ভেসে আসলো খুব জরেই চিল্লিয়ে কথা টা বলেছে পিছে তাকিয়ে দেখি একটা মেয়ে রাগে ফুলছে। - এই আপনাকে কি বলছি হ্যা এইভাবে তাকায় আছেন কেনো???? আপনি এই ছাদে কেনো?????????? ( জরে চিল্লিয়ে) আমি - কেনো ছাদে আসলে আপনার সমস্যা কি????? - এই তোকে বাসায় আসার আগে বলা হয়নি ছাদে উঠা হবে না?????? - এই দেখুন ভদ্র ভাবে কথা বলুন নাহলে কিন্তু। - কি করবি তুই???? আমার ছাদে তুই উঠবি কেনো????? - আপনার বাপের ছাদ নাকি??? উঠতেই পারি ওকে। এখন ফুটুন এইখান থেকে। - তুই নিচে যাবি নাকি আব্বুকে বলে বাড়ি ছাড়া করাবো?????? - এই আপনার আব্বু কে????? - এই বাড়ির মালিক বুজলি আমি এইবাড়ির মেয়ে। তোর খবর খারাপ করে দিবো থাম। মরলাম রে এবার তো গেলাম বুজতেই পারিনি এইটা এই বাড়ির মেয়ে????? আর আমি কিভাবে কথা বললাম গেলাম রে। ব্রাশ হাতে নিয়ে গাধার মতো দাঁড়ায় আছি কি করবো বুজতে পারছি না বাসা হয়তো ছেড়ে দিতে হবে আজকে। যাই হবে হোক তাড়াতাড়ি করে রুমে চলে আসলাম এসেই ফ্রেশ হয়ে নিলাম। তখনই দরজায় ঠকঠক করছে কে জেনো বুজে গেছি হয়তো বাড়িওয়ালা আসছে বাসা থেকে বের করবে তাই বের হয়ে যাবো কিন্তু হাবিব তো নাই কি করি ভাবছিলাম তখন আবার দরজায় ঠকঠক আওয়াজ আসলো গিয়ে দরজা খুললাম। খুলেই দেখি হাবিব দাঁড়ায় আছে। যাক বাচলাম আমি ভাবছিলাম ওই বাড়িওয়ালা আংকেল টা আসছে। হাবিব - কিরে তুই এতো ভয়ে কেনো???? - আসলে দোস্ত আমি আজকে সকালে ছাদে গেছিলাম তারপর এই বাসার মেয়ের সাথে ঝগড়া লেগে যায় বুজতে পারিনি ওইটা বাসার মেয়ে দোস্ত মনে হয় বাসা ছাড়তে হবে। - ওই তুই পাগল????? তোকে মানা করেছিলো যেতে তাও তুই গেছিস কেনো????? - সরি দোস্ত চল আংকেল এর বাসায় গিয়ে সরি বলে আসি আর বলে আসি বাসা থেকে বের যেনো না করে। - ওকে চল। আমি আর হাবিব আংকেলের কাছে যাচ্ছি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে বেল বাজালাম।দাঁড়ায় আছি ওই পেত্নিটা কি বাসায় বলে দিলো নাকি। কিছুক্ষণ পর দরজা খুলে গেলো সামনে চোখ তুলে তাকিয়ে দেখি মিশু রাগি চোখে তাকায় আছে। আমি - আ..আংকেল আছে??????? ( ভয়ে কথা বের হচ্ছে না) - ভাব ধরছে মনে হচ্ছে কথা যানে না যত্তসব। আমি - কিছু বললেন??????? - না কিছু না আব্বু আছে কি দরকার????? কিরে মিশু কে আসছে আর এতো কথা কার সাথে বলছিস, ভিতরে থেকে আংকেল কথা টা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে আসছে। মিশু - আব্বু যাদের কালকে বাসায় ভাড়া দিয়েছো তারা আসছে তোমাকে খুজছে। আংকেল - ভিতরে আসতে দে। মিশু - এইজে বান্দর ভিতরে আসেন। বান্দর কাকে বললো আমাকে বান্দর বললে রাগ উঠে যায় শুধু বাড়ির মেয়ে বলে কিছু বললাম না ভিতরে ধুকলাম। ভিতরে গিয়ে দেখি আংকেল বসে আছে খবরের কাগজ পরছে। আমি - আসসালামু আলাইকুম আংকেল। আংকেল - হ্যা তা কেমন আছো তোমরা????( সালামের উত্তর দিয়ে) আমি - আংকেল ভালো আছি। মিশু - আব্বু একটা কথা বলবো আমি। বুজে গেছি মিশু কি বলবে ছাদে গেছি ঝগড়া করছি বাসা থেকে বের করে দেয়ার কথা বলবে নিশ্চয়ই। আংকেল - বল কি বলবি???? - একটু বাইরে বন্ধুদের সাথে দেখা করতে যাবো এইটাই বাই এখন। ( আমার দিকে তাকিয়ে হাসলো) আংকেল - আচ্ছা যা। মিশু বের হয়ে গেলো এই হাসি টা কেনো দিলো বুজেই ফেলেছি আমার মুখ দেখে হেসেছে হয়তো ভয় পেয়েছি বুজতে পারছে আমি চুপচাপ বসে আছি হাবিব নানারকম কথা বলছে। আংকেল কে কিছু বলেনি মিশু। আমরা আংকেলকে বিদায় দিয়ে চলে আসলাম। হাবিব - যাক বাচলাম কিছু বলেনি আর যাবি না ছাদে বুজলি???? আমি - আচ্ছা চল বাইরে থেকে নাস্তা করে আসি। - ওকে চল। আমি আর হাবিব নাস্তা করে ওইদিক দিয়ে কলেজের দিকে গেলাম যেই কলেজ যাচ্ছি ওইখানে পড়ালেখা করবো। কলেজের কিছু কাজ বাকি আছে ওইগুলো সব কাজ করে স্যার এর সাথে দেখা করে নিলাম কলেজ টা অনেক বড় স্যার এর রুম থেকে বের হয়ে কলেযে হাটাহাটি করছি। আমি মোবাইল টিপছি আর হাটছিলাম। হাবিব - সামনে তাকা। আমি - কেনো???? - আবে আগে তাকিয়ে দেখ তো। - হুম কি???? - তুই তাকাবি নাকি???? - আচ্ছা সামনে কি??????? আরে ওইতো মিশু এইখানে কেনো???? হাবিব - এইখানে ওই হয়তো পড়ে হয়তো। আমি - তার মানে কলেজে ওর সাথে দেখা হবে যেই পেত্নি মেয়ে দশ হাত দূরে দূরে থাকতে হবে এখন যত যলদি সম্ভব এই কলেজ থেকে বের হো। - আচ্ছা চল চাচার সাথে দেখা করে আসি। - হুম চল। কলেজ থেকে বের হওয়ার টাইম মিশু আমাদের দিকে তাকালো কারণ আমাদের সামনেই ওরা বন্ধু মিলে বসে ছিলো কিছু বললো না। আমরা বেরিয়ে চলে আসলাম হাবিবের চাচার বাসায় গিয়ে দেখা করে আসলাম । ওইখানে দুপুরে খেয়ে আসছি সালার বাসায় কে রান্না করবে কেও পারি না রান্না করতে তাই বাইরে বাইরে খেতে হচ্ছে যেটা বিরক্তিকর। রাতে শুয়ে আছি আমি আর হাবিব দুইজন রান্না পারি না তাই খাওয়ার নেই বাইরে হাওয়া হচ্ছে তাই যেতে ইচ্ছা করছে না তাই শুয়ে শুয়ে গান শুনছি আর ফেসবুকে গল্প পড়ছি। আমিও গল্প লিখি কিন্তু এখন গল্প পড়তে ইচ্ছা করছে তাই পড়ছি। আগেও পড়তাম। পড়তে পড়তে এক সময় ঘুমিয়ে যায়। https://2.bp.blogspot.com/-mHeDobTmSX0/Xfl6XhyWbjI/AAAAAAAAAf4/ClSxekMgEUMRfuPjnhRs4m6LtjZirob4wCLcBGAsYHQ/s320/1530719719352_5853_compressed_40.jpg To be continue................

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ