Sponsor

banner image

recent posts

Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (last)

Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (last) এইদিকে হাসিব কোনো হেল্প না করে চলে আসায় মিশু অনেক বাজে ভাবছে হাসিবকে অনেক মনে মনে গালি দিসে। পরে হাসিব সাহায্য করছে শুনে নিজেকে খারাপ মনে করছে। ভাবছে বাসায় গিয়ে হাসিবের সাথে আগে কথা বলবে। ধন্যবাদ জানাবে। খুব জলদি বাসায় চলে আসে মিশু। বাসায় এসেই হাসিবের রুমের দিকে যায় গিয়ে হাসিবকে ডাকে কিন্তু কেও দরজা খুলে না। অনেক্ক্ষণ ডাকাডাকি করার পর মিশু ভাবলো পরে কথা বলে নিবো সারাদিন বাইরে ছিলাম ফ্রেশ হয়ে কিছু রান্না করি। মিশু রান্না শেষ করে ভাবলো হাসিবকেও দিয়ে আসি বেচারা হয়তো কিছু খায়নি । খাবার নিয়ে হাসিবের ঘরের দিকে িএগুতে থাকে । গিয়ে দেখে আগে থেকে দরজা খুলা , হাসিবকে না ডেকেই ভেতরে ডুকে পরলো । হাসিব এখনো শুয়ে আছে, তাহলে দরজা কে খুললো?? এই ভেবে হাসিবকে ডাকা শুরু করলো মিশু। মিশু - এই উঠো??? - হুম??? - আমি বলছি উঠো???? তোমার রুমের দরজা খোলা রেখে তুমি ঘুমাচ্ছো? - হাবিব আসছে। - ওহ আচ্ছা উঠো তোমার জন্য খাবার আনছি। - খাবো না ঘুমাতে দাও। ( ঘুম ঘুম চোখে) - সন্ধ্যায় কিসের ঘুম??? উঠবা??? - না। - ওকে উঠতে হবে না আমি তাহলে এখন তোমাকে জালাবো। - যাও তো তোমার আব্বু তোমাকে খুজছে আমাকে ঘুমাতে দাও। - আব্বুর সাথে কথা বলেছি অনেক আগেই তুমি এখন উঠো। - ধ্যাত কি সমস্যা বলো??( শুয়া থেকে উঠে) - কি সমস্যা মানে শুয়ে ছিলা গরুর মতো সারাদিন আর এখন কেও ঘুমায়???? - হুমম কি বলবা? - খাবার আনছি ফ্রেশ হয়ে খেয়ে নাও তো। - তোমাকে বলেনি আমার সাথে কথা বলবা না এখন আবার কথা বলছো কেনো???? সকালে এমন কেও করে? - আচ্ছা সরি??? - হুম যাও এখন??????? - তারিয়ে দিচ্ছো কেনো???? - আজব তো একটা ছেলের রুমে একটা মেয়ে থাকলে মানুষ খারাপ ভাব্বে তাই যেতে বললাম এইখানে কোথায় তারাচ্ছি????? - হুমম যাচ্ছি সরি তোমাকে ডিস্টার্ব করলাম। - ওহ হেলো রাগরানী এতো ফুলার কি আছে?? তোমার আব্বুর চা খাওয়ার টাইম হয়ে গেছে যাও। - হুম যাচ্ছি। ( মন খারাপ করে) - হুম। মিশু চলে যাচ্ছিলো, খাবারটা সাথে নিয়েই যাচ্ছে,তো আসছিলো কেনো?? - এই জে রাগরানী খাবার টা নিয়েই যাচ্ছো খিদা লাগছে তো। - কিসের খাবার যেই মিশুর সাথে বাজে ব্যবহার করে তার কোনো খাবার নাই। এইটা বলেই চলে গেলো এমন ভাবে কথা গুলো বলে গেলো মনে হচ্ছে ওর গাল টেনে দিয়ে আরো রাগায় দিই । মিশু রাগ করলেই গাল ফুলে লাল হয়ে যায়। মনে হয় দুই গালে কেও আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। যাক এগুলো ভেবে কাজ নেই শুয়া থেকে উঠি। শুয়া থেকে উঠে হাবিবের সাথে ফুটবল খেলায় বেস্ত হয়ে গেলাম। তখন মনে পরলো সকালের কথা। - কিরে হাবিব সকালের কি খবর?? আমি তো চলে আসছিলাম? - ওই মেয়েটা ঠিক আছে তার একটা ছোট পরি হয়েছে অবেক কিউট দেখতে। - বাহ ভালো তো। তাদেরকে একবার দেখে আসা দরকার কি বলিস??? - হুম কাল যাবো। কিন্তু ওরা তো বাসায় চলে গেছে নাকি শুনলাম? - মানে হাসপাতালে নাই?? - না ওদের বাসা তো চিনি না। - ওহ আচ্ছা মিশু তো চিনে ওর কাছে জেনে নিবো। - ওহ হুমম কিন্তু আপনার পাগলি টা যে রাগ করে তখন চলে গেলো রাগ কে ভাঙাবে???? - আমার পাগলি মানে??? আর আমি ওর রাগ দেখে কি করবো?? - নেকা? সালা ওরে ভালোবাসিস সেটা দেখলেই বুজতে পারি আমার কাছে নেকামি বাদ দে। - ভালো তো চুপ থাক, এতো গুলা গোল খাইলি আমাকে একটা দে?? - তোর সাথে আমি পারি??? বাদ দে মিশুর কাছে যা দেখ মেয়েটার রাগ বেশি দোস্ত। - ওই মেয়ে অভিমান করে বেশি একটু পর দেখবি ওই আবার আসবে। - আসবে না দেখে নিস। - দেখতে থাক আসবে। - হুমম দেখছি। মিশু প্রতিদিন রাতে খাবার দিয়ে যায়, সেটা হাবিব ও জানে কিন্তু ওই এতো ভাব নিয়ে কিভাবে বলছে আজ আসবে না মিশু। অনেক্ক্ষণ থেকে মিশুর জন্য বসে আছি আসছে তোবে কি হাবিবের কথায় ঠিক?? না এই সালাকে জিজ্ঞেস করিস কিছু জানে কিনা দেখি। - কিরে হাবিব মিশু আসছে না কেনো??? - বললাম না আসবে না?? তোকে তো তখনই বললাম আজকে আসবে না। - কিন্তু কিসের জন্য???? - মন বললো আসবে না তাই বললাম। - ভালো কথা। এখন তো রাত হয়ে গেছে মিশু হয়তো ঘুমায় গেছে তাই আসেনি সারাদিন বাইরে ছিলো। - না ঘুমায়নি ছাদে আসে। - তুই জানিস কিভাবে???????? - মন বললো। - ধুর সালা সবই জানিস তুই আর মিশু আবার কিছু করছিস না তো??? - আমরা কি করবো আজব?? - হুম চুপ থাক। - টিয়া পাখি ছাদে উড়ে। - মানে??????? - কিছু না। ঘুমাবো বাই। - হুম ঘুমা আমি আসছি। ( ছাদে যেয়ে দেখে আসি হয়তো আছে।) - হুম যাও খোকা কালকে দেখা হবে মানে কথা হবে। ( হাসছে মুচকি মুচকি) - আজব তুই একটা মনে হচ্ছে লাত্থি মারি তোকে একটা। - ঘুমালাম বাইইইইইই। - রুম থেকে বের হয়ে ছাদের দিকে হাটা ধরলাম হাবিবের কথা শুনেই বুজে গেছি মিশু ছাদে আসে আর হাবিব ভালোভাবেই জানে সেটা। আর আমি মিশুর সাথে কথা বলবো তাই। যাইহোক ছাদের দরজা খুলে দেখছি অন্ধকার লাইট ও বন্ধ। আজকে চাদ ও উঠেনি তাই ঠিক ভাবে সব কিছু বুজা যাচ্ছে না। এই আঁধারে মিশু তো থাকবে না তাই পিছে ফিরে চলে আসছিলাম। হঠাৎ পিছে থেকে কেও টেনে ধরলো, আমার এমনিই ভুতের ভয় বেশি তার মধ্যে আবার এইভাবে টেনে ধরছে ভয়ে লাফায় উঠছি। আমার অবস্থা দেখে পিছে থেকে কেও হেসে উঠলো আর হাসিটা আমার খুব চেনা তাই নিজেকে সাভাবিক করলাম দিয়ে পিছে ঘুরে দেখি মিশু মুখ চেপে হাসছে। - এতো রাতে তুমি ছাদে কেনো??? ( এই কথা টা আমি জিজ্ঞেস করতে যাবো তার আগে মিশু জিজ্ঞেস করে বসলো) - আমারো একি কথা এতো রাতে একটা মেয়ে হয়ে কিভাবে ছাদে আসো??? এখন তো মনে হয় ১১ টা ৫৫ বাজে। - তোমার মতো ভয় আমি পাইনা বুজছো?? - হুম বেশি দাত বের করে হাসতে বলিনি চুপ ওকে??? - তা ভিতু তুমি এখন এইখানে কেনো বলবা? - হাওয়া খেতে আসছিলাম। - ওহ তো চলে যাচ্ছিলা কেনো??? ( হেসে কথা বলছে লাইট নেই তাও তার হাসিটা দারুন লাগছে) - তোমাকে সব বলতে হবে???? - না তো। - হুম থাকো বাই। - শুনো? - কি???? - শুভ জন্মদিন। - কিসের কার জম্মদিন??? - আরে আজকে তোমার জন্মদিন গাধা। - ওহ আমার জম্মদিন?? আমিই জানি না। ( সত্তি জানতাম না অবাক হয়েছি এইভাবে কেউ শুভেচ্ছা জানালো তাই) - হুম জানতে হবে না হুহ ধন্যবাদ ও জানায় না। - কাকে ধন্যবাদ জানাবো???? - কাওকে না বাই ঘুমাতে যাবো। ( আবার ফুলে গেছে হয়তো আমি কিছু বলেনি তাই) - আমার গিফটটা দিয়ে যাও????? - গিফট চায় তাইনা??? গোলা টিপে মেরে ফেলে রাখবো। - আচ্ছা শুনো ওতো রাগ করতে হবে না আর এমনিও আমার ভয় করছে এতো আঁধারে একটা পেত্নির সাথে আছি। - চুপ কথা বলবি না থাক। - আরে শুনো তো এতো সুন্দর ভাবে আমাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালে তাই ভাবছি তুমি যা চাইবে তাই দিবো। - লাগবে না কিছু আমার। ( রাগে) - মিস করছো কিন্তু চাইলে চাইতে। পারো। - ওকে যা চাইবো দিবা তুমি??? -হুম দিবো রাগরানী। - জরিয়ে ধরবা????? কথা টা বলেই মিশু চুপ হয়ে গেলো হটাৎ এই কথা শুনে কি বলবো নিজেও ভেবে পাচ্ছি না ওই আমার গফ ও না। কিন্তু আমার ওকে ভালো লাগতো। খুব অবাক হলাম, ওর দিকে চেয়ে দেখি মাথা নিচু করে দারায় আছে। আমি ভাবছি ওর গিফট চাইলো নাকি গিফট আমাকে দিলো কোনটা??? ধুর এতো ভেবে কাজ নাই এতো আবেগের ও দরকার নাই জরিয়ে ধরতে বলছে ধরি পরে আবার মন বদলিয়ে যেতে পারে মেয়েদের মন কেও বোঝে না। ওর কাছে গিয়ে হালকা ভাবে জরিয়ে ধরলাম এই প্রথম তাকে এতো কাছে পেলাম গভীর রাতের ঠান্ডা হাওয়া বয়ে যাচ্ছিলো আর এইদিকে আমি মিশুকে কতটা সময় নিয়ে ধরে আছি মনেই নেই। মিশু- আজকে ছাড়বা??? নাকি সকাল হলে ছাড়বা আমার কিন্তু লাগছে। মিশুর কথা শুনে ছেড়ে দিলাম। কিছু বললাম না। - একবার ধরতে বলছি তাই বলে আর ছাড়বা না??? - সরি। - হয়েছে নেকামি। আমি বলবো না তোমাকে ভালোবাসি বুজছো??? - হুম বুজছি। - কি?? - কিছু না। - আচ্ছা আমাদের ভালোবাসা টা না বলাই থাক এইভাবেই শুরু হোক কি বলো?? - আমি তোমাকে ভালোবাসি কে বললো??? - কেও বলেনি আমি বলেছি আমি ভালোবাসি মানে তুমি আমার মিশি যাকে চাই তাকে নিয়েই ছাড়ে। - ওহ তাহলে আর কি করার রাগরাণি এর হুকুম তো মেনে চলতেই হবে। ( আবার জরিয়ে ধরলাম) - ওই লাগছে ছাড়। - এইটা তোমার হুকুম আমার তো না তাই ধরে রাখবো। - ভালো তো থাকেন ঠান্ডা লাগছে ধরেই থাকেন। আজকে সকাল পযন্ত আড্ডা দিবো। তোমার জন্য খাবার বানিয়ে রাখছি আনছি একটু ছাড়ো। - আচ্ছা যলদি আসো খুব খিদা লাগছে ওই খাওয়া শেষে তোমার গালের মিষ্টি টা খেয়ে দেখবো। - চুপ খুন হয়ে যাবি বুজলি এইখানে থাক আসছি। মিশু খাবার আনতে গেলো খুব খিদাও লাগছে। কেও কাওকে ভালোবাসি না বলেই কিভাবে ভালোবাসা হয়ে গেলো হয়তো দুইজনেরই এইটা অজানা কিন্তু মিশু কে পেয়ে খুব খুশি। ( এখন কি আপনারা আমাদের সাথে আড্ডা দিবেন??? গল্প শেষ ভালো থাকেন। আমরা একা থাকি কেও আবার খেতে আইসেন না কেও ডিস্টার্ব করবেন না বাই বাই।) The End........................................
Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (last) Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (last) Reviewed by শেষ গল্পের সেই ছেলেটি on ডিসেম্বর ১৭, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.