Romantic Love Story | Bangla Best Love Story In 2019 Part (3)

আমি আর হাবিব দুইজন রান্না পারি না তাই খাওয়ার নেই বাইরে হাওয়া হচ্ছে তাই যেতে ইচ্ছা করছে না তাই শুয়ে শুয়ে গান শুনছি আর ফেসবুকে গল্প পড়ছি। আমিও গল্প লিখি কিন্তু এখন গল্প পড়তে ইচ্ছা করছে তাই পড়ছি। আগেও পড়তাম। পড়তে পড়তে এক সময় ঘুমিয়ে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি হাবিব রেডি হচ্ছে। আমি - কিরে কই যাবি????? হাবিব - একটা কাজ আছে তুই থাক আমি কাজ টা করে চলে আসবো। আমি - নাস্তা করেছিস???? হাবিব - ভাগ সালা কিনে এনে খা আমি আনতে পারবো না তোর জন্য। আমি - এ কেমন বিচার??? - বাই। হাবিব চলে গেলো আমি কি করবো এখন বুজতে পারছি না বাইরে যেতেও ইচ্ছা করছে না। আবার ঘুমিয়ে । ঘুম থেকে উঠলাম দুপুর বারোটা। খুব খিদা লাগছে ফ্রেশ হয়ে বের হলাম বাইরে হোটেলের দিকে। বাসা থেকে বের হতেই আংকেলের সাথে দেখা। আংকেল - কোথায় যাচ্ছো বাবা???? আমি - এইতো আংকেল হোটেল যাচ্ছি খাওয়ার আনতে। আংকেল - কেনো বাসায় কেও রান্না করেনি??? - কেও তো রান্না করে না বাইরে থেকেই খাই আমরা দুইজন। - আগে বলবা না???? চলো আমাদের বাসায় নাস্তা করে নাও। - না আংকেল থাক পরে একদিন। - বলছি যেতে চলো বড়দের কথা শুনতে হয়। - হুম। - তা চলো খেতে খেতে আরো গল্প করা যাবে। - হুম। আংকেলের সাথে বাসায় আসলাম। বাসায় ধুকেই মিশুর সাথে দেখা কেমন করে যেনো তাকিয়ে আছে মনে হচ্ছে সবসময় রেগেই থাকে। আমি ওর দিকে তাকালাম না মিশুকে তার আব্বু বললো খাওয়ার আনতে। খাওয়ার আনলো খেতে লজ্জা লাগছে আমি সবার সামনে খেতে পারি না। আংকেল - লজ্জা পাচ্ছো??? আমি তোমার বাবার মতো এই বাসাও তোমাদেরই যখন ইচ্ছা হবে এসে খেয়ে যেও। - হুম আংকেল। - তোমার আব্বু আম্মু কোথায় থাকে???? - রাজশাহী থাকে আংকেল। - ওহ তুমি কিসে পড়ছো???? - ইন্টারে ভর্তি হলাম। - ওহ আমার মেয়ের সাথেই। - ওহ। মিশু - ওকে খেতে দাও এতো কথা বলছো কেনো আব্বু। - ওহ হ্যা হ্যা খাও। আমি আসছি। আংকেল উঠে চলে গেলো আমিও খেয়ে উঠতে যাবো তখনই সামনে মিশু এসে দাড়ালো। আমি - কি হয়েছে????? মিশু - তুই কি আমার পিছু করছিস????? আমার কলেজেও গেছিলি তুই????? ( হঠাৎ তুই করে বললো) আমি - দেখুন তুই করে বলছেন কেনো আর আমি আপনার পিছু নিচ্ছি না আমিও ওই কলেজের ছাত্র বুজলেন। - ভালো তো আমার থেকে দূরে থাকবি নাহলে খেয়ে ফেলবো। - বুজতেই পারছি খেয়ে ফেলবেন পেত্নি তো। - কি বললি????? - কিছু না বাই বাই। - তুই আমার সাথে লাগবি না। - ভদ্র ভাবে আগে কথা বলা শিখেন ওকে। কথা টা বলে বাইরে চলে আসলাম ওই রকম মেয়েদের দেখতে ইচ্ছা করে না। শুধু শুধু লাগতে আসে আমিও যে কেমন সেটা ওই জানে না। রুমে এসে বসে আছি ভালো লাগছে না কি করবো ভেবেও পাচ্ছি না তাই ছাদে গেলাম জানি যাওয়া মানা আছে কিন্তু এখন ভয় করছে না ছাদে গিয়ে বসে আছি। মোবাইলে গল্প লিখছিলাম। ফেসবুক ও অন ছিলো তখন হঠাৎ একটা মেসেজ আসলো আমি ফেসবুকে কথা বলি না সবার সাথে। কিন্তু প্রতিদিন একটা মেয়ে মেসেজ দিয়ে বলে গল্প কবে দিবেন গল্প কবে দিবেন। এখন গল্প লিখতে ইচ্ছা করে না মন ভালো থাকে না তাই লিখি না কিন্তু আজকে লিখছি তাই মেসেজ করলাম আজকে দিবো গল্প। সাথে সাথে আবার মেসেজ আসলো লিখা ছিলো এতো ভাব কিসের??? গল্প লিখেন আর আমি মেসেজ দেই বলেই ভাব বেড়ে যায় নাকি আজকে যদি গল্প না দিয়েছেন আপনাকে মেরে ফেলবো। কথা টা শুনে হাসি পাচ্ছিলো মেসেজ টা দেখেই রেখে দিলাম মেয়েটার নাম লেখা ছিলো মাইশা রাহমান। ছাদে বসে বসে গল্প লেখা শেষ করলাম। লিখেই পোস্ট করে দিলাম দিয়ে ফেসবুক থেকে বের হয়ে গেলাম। ছাদে থেকে নিচে নেমে বাইরে যাচ্ছি হাওয়া খেতে। এই সময় রাস্তায় হাবিবের সাথে দেখা হয় গেলো গেছিলো নায়ক হয়ে আসছে ফকিরের মতো হলো কি। ওর কাছে গেলাম। - কিরে এইভাবে রাস্তায় হাটছিস কেনো। - তুই এইখানে??? - হুম তুই এইভাবে হাটছিস কেনো???? - ছ্যাঁকা খাইলাম রে দোস্ত। - তাই কে দিলো???? - তোর ভাবির সাথে দেখা করতে গেছিলাম মন টা ভালোই ছিলো তোর ভাবি তখন বললো আমি তোমাকে ভালোবাসি না আমি অন্য কাওকে ভালোবাসি বলে চলে গেলো। ( মুখ কালো করে বললো) - ইশশ দোস্ত কাদিস না একটা গেছে আর একটা আসবে চল আজকে বাসায় রান্না করবো কতোদিন বাইরে খাবো। - আচ্ছা চল। দুইজন বাসাই আসলাম এসেই রান্না করছি যদিও কেও আগে করেনি খুব কষ্টে কিছু রান্না করলাম। হাবিব - দোস্ত খেতে পারবো তো নাকি পেট খারাপ করবে????? - আরে করবে না চল দেখি। - হুম। দুইজন খেতে বসলাম তখনই দরজায় ঠকঠক আওয়াজ আসলো। গিয়ে দরজা খুললাম দেখি মিশু দাঁড়িয়ে। আমি - কি চাই????? - আব্বু খাওয়ার দিতে বললো তাই দিতে আসলাম। - ওহ আজকে রান্না করেছি খাওয়ার লাগবে না নিয়ে যান। - আচ্ছা বাই। আমি খাওয়ার টেবিলে এসে বসলাম দুইজন একসাথে খেতে শুরু করলাম। হঠাৎ হাবিবের দিকে তাকিয়ে দেখি কেমন জেনো করছে আমারো কেমন লাগছে চোখ মুখ থেকে পানি বেরিয়ে আসছে। তখনই হাবিব চিল্লিয়ে উঠলো। - ঝালললল............. পানি পানি। আমিও খাওয়ার রেখে পানি খেয়েই যাচ্ছি কথা বের হচ্ছে না ঝালে মরলাম রে। দুইজনই পানি খেতে খেতে পেট ফুলিয়ে ফেলেছি। একটু পর শান্ত হলো। হাবিব - এতো ঝাল কে দিয়েছে ??? ( হাপাতে হাপাতে) - আসলে দোস্ত তরকারি কেমন পানি পানি লাগছিলো তাই লাল গুরা দিয়ে ভালো করছি। - আবে সালা রান্না করবি না তুই কোনোদিন। - আচ্ছা। দুইজনই বসে বসে হাপাচ্ছি ঝালে খিদাও লাগছে খুব কেনো যে মিশুকে ফিরিয়ে দিলাম যদি খাওয়ার টা নিতাম ভালো হতো। যাক কপাল খারাপ। কালকে থেকে আবার কলেজ যেতে হবে ঘুমিয়ে পরি যলদি। মাথা খুব ব্যাথা করছে ঝালের জন্য। to be continue..........................

কোন মন্তব্য নেই

diane555 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.