Sponsor

banner image

recent posts

রোমান্টিক অত্যাচার

লেখকঃ md Asad Rahman ||কোটচাঁদপুর|| ||ঝিনাইদহ|| Part:4 উফ আর ভালো লাগে না। উনি পি এ রেখেছেন না অফিসের প্রাইভেট চাকরানি রেখেছেন আল্লাহ জানে।কতো কষ্ট করে বাড়ি থেকে আসলাম।একটু যে নিজের কেবিনে যেয়ে রেস্ট নিবো তার উপায় নেই।😑😑😑😑😑৷ বলতে বলতে জলহস্তীটার কেবিনের সামনে চলে এলাম।কিছু না জিগ্যেস করেই তার কেবিনে ধুকে গেলাম। রিয়াঃ স্যার এসেছি। কি বলবেন বলেন। রিয়াদঃ তুমি এই অফিসের কি হও?(দাতে দাত চেপে) রিয়াঃ কেনো স্যার আপনি জানেন না।আমি আপনার পি এ হই।আপনার কি স্যার ভুলে যাওয়ার রোগ আছে।হিহিহি(।দাত ৩২ টা দেখিয়ে।) স্যার আপনি না একটা ভালো ডাক্তার দেখান।আমি একটা ভালো ডাক্তার কে চিনি আপনি যদি বলেন তাহলে আমি কথা বলে দেখতে পারি।(বলে স্যারের দিকে তাকালাম দেখি স্যার খুব রেগে আছে।মন হচ্ছে আমাকে এখনি খেয়ে ফেলবে। যা বাবা আমি তো কিছুই করি নি।) রিয়াদ ঃ না আমার ভুলার রোগ আছে না তোমাকে কোনো ডাক্তার আমার জন্য দেখতে হবে।আমার তো মনে হয় ডাক্তার তোমাকে দেখানো লাগবে। একজন এম ডি এর কেবিনে যে লোক করে তার কাছ থে অনুমতি নিয়ে ঢুকতে হয় এতটুকু কি কোমন ছেন্স নেই আপনার। রিয়াঃ সরি স্যার। রিয়াদঃ জান আবার অনুমতি নিয়ে ঢুকেন। রিয়াঃ ওকে স্যার। সালা জলহস্তী'র বাচ্চা এইটুকু কারনে আমাকে এতো গুলা কথা শুনানো ধরকার ছিলো।তর উপর ঠাডা পরুক।(মনে মনে) স্যার মে আই কাম ইন। রিয়াদঃ ইয়েস, তো মিস রিয়া কাল আপনাকে কফি নিয়ে আসতে বলেছিলাম। তারপর তো আপনার দেখাই পেলাম না। রিয়াঃ স্যার আমি নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আকাশ স্যার বারন করেছেন।তাই আর আনি নি।😏😏( আমার কাছে ও লজিক আছে বাচার😏😏😏) রিয়াদঃ ও তাহলে আমাকে একবার জানালেনো না। আচ্ছা ঐসব কথা বাদ কাল কখন অফিস থেকে বের হয়েছেন। রিয়াঃ যখন সবাই চলে যাচ্ছিলো তখন। রিয়াদঃ আমি কি আপনাকে যেতে বলেছি না আপনি আমার থেকে অনুমতি নিয়েছেন।😤😤😤 রিয়াঃ স্যাাাা রিয়াদঃ থাক আর কোনো বাহানা দিতে হবে না।আমার ফাইল গুলো দিন। রিয়াঃ স্যার কাল তো সব ফাইল শেষ করতে পারি নি।(ভয়ে ভয়ে) রিয়াদঃ হোয়াট এতটা অলস আপনি কি করে হতে পারেন। অল্প কিছু ফাইল শেষ করতে পারেন না।স্টুপিড একটা। রিয়াঃ স্যার আমাকে কিন্তু একদম বকা দিবেন না। আমি কান্না করবো।😭😭😭 রিয়াদ ঃ কান্না করেন আর যাই করেন আমার এই ফাইল গুলো ২ ঘন্টার মধ্যে চাই। রিয়াঃ ওকে স্যার,বেরিয়ে গেলাম।বেরনোর সময় কার সাথে যেনো ধাক্কা লাগলো।পরে যেতেই নিচ্ছিলাম কিন্তু সামলে নিলাম। তাকিয়ে দেখি আকাশ স্যার।সে আমাকে শক্ত করে ধরে আছে। রিয়াঃ ধন্যবাদ স্যার। (কোনো কথা বলছে না সুধু তাকিয়ে আছে আমার দিকে।)আমি আবার বললাম।স্যার ধন্যবাদ ( একটু জরেই বললাম) আকাশঃ ওকে ওকে। রিয়াঃ আমাকে যদি একটু ছারতেন। আকাশ ঃ ও সরি সরি।তুমি কেমন আছো? রিয়াঃ জি ভালো আপনি।? আকাশ ঃ হে আমি ও ভালো। তোমাকে দেখার পর কেউ খারাপ থাকতে পারে। যানো তোমাকে না অনেক সুন্দর লাগছে। রিয়াঃ একটু হাসি দিয়ে😊, ধন্যবাদ স্যার। আকাশ ঃ তোমাকে না আমার একটা কথা ছিলো বলার / রিয়াঃ জি স্যার বলুন? আকাশ ঃ না থাক অন্য সময় বলবো। রিয়াঃ ওকে স্যার, বলে নিজের কেবিনে চলে আসলাম।অনেক কাজ বাকি। অন্যদিকে, রিয়াদঃ এইটা কি মেয়ে সিলেক্ট করল আকাশ ভাইয়া।পুরো পাগল, আমার মাথা টা পুরো খেয়ে ফেলছে।না এটা কে আর সহ্য করা যাচ্ছে না।এটাকে খুব তারা তারি তারা তে হবে।বাট মেয়েটা কিন্তু অনেক সুন্দরী। সুন্দরী হক আর যাই হক কাজের জন্য এসেছে কাজ ঠিক মতো না করলে রাখার কোনো ধরকার নেই। আকাশ ঃ মেয়েটা কে যতই দেখছি ততই তার প্রেমে পরে যাচ্ছি।যদি টাকার লোভে ঐ তানিয়াকে বিয়ে টা না করতাম তাহলে অনেক আগেই রিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব টা দিয়ে দিতাম। যাই হক বিয়ে যখন করেই ফেলেছি তখন আর কি করবো।তাছাড়া তানিয়ার টাকা টা ও তো আমার খুব দরকার।তানিয়াকে যে ভাবে বিয়ে করেছি।ঠিক সে ভাবেই কিছু একটা করতে হবে,যাতে রিয়া কে ও পাই আর তানিয়ার টাকা ও।( শয়তানি হাসি দিয়ে) রিয়াঃ উফ কাজ করতে করতে আমি মনে হয় মরেই যাবো।আল্লাহ আমি এতো তারা তারি মরতে চাই না।তুমি ঐ জলহস্তী' টা কে মেরে ফেলো।তাহলে আমি শান্তি তে কাজ করতে পারবো😊😊😊😊৷৷ আসবো।।।।। আমার কেবিনের সামনে একজন মহিলা বলছে। মহিলা বললে ভুল হবে একটা মেয়ে আমার ঠিকে কয়েক বছরের বড় হবে। রিয়াঃ জি আসুন।প্লিজ বসুন।বলুন আমি আপনার জন্য কি করতে পারি? মেয়েটিঃ আমি রিয়াদের সাথে মানে এই অফিসের এম ডি এর সাথে দেখা করতে চাই। রিয়াঃ একটু ওয়েট করুন আমি স্যার কে জিগ্যেস করে আপনাকে বলছি। হ্যালো স্যার আপনার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে। রিয়াদঃ নাম কি তার জিগ্ঙেস করুন। রিয়াঃ আপনার নাম টা।? মেয়েটিঃ তানিয়া। স্যার তানিয়া। রিয়াদঃ ওনার আবার তোমার কাছে অনুমতি চাওয়া লাগে।তারা তারি নিয়ে আসেন।থাক আপনার আসা লাগবে না আপনি ওনাকে ওখানেই বসিয়ে চা নাস্তা খাওয়ান আমি আসতেছি। রিয়াঃ ওকে স্যার,জলহস্তী'একটা সব সময় কথা ঘুরিয়ে পেচিয়ে বলবে। আচ্ছা আপনি এই জলহস্তী' টার সাথে কেনো দেখা করতে এসেছেন।ওনার সাথে কতা না বলে বট গাছের সাথে কথা বললে ও ভালো। তানিয়াঃ না একটু ধরকার ছিলো।তাই আর তুমি ওকে জলহস্তী' কেনো বলছো।ও কি তোমার সাথে কিছু করেছে। রিয়াঃ কি করে নি তা বলুন।আমি দু দিন হলো এই অফিসে জয়েন্ট করেছি।এর মধ্যে না হলে ও একশো বার বোকা দিসে।আমাকে পিয়নের কাজ সহ করিয়েছে।তার ওপর এতো এতো কাজ ও আমার ওপর চাপিয়ে দিয়েছে। তানিয়াঃ হা হা হা তাই😆😆😆😆।আর কি কি করিয়েছে তোমাকে দিয়ে। রিয়াঃ আর ওওওওও রিয়াদঃ কিরে আপু তুই কখন এলি।আর তুই এখানে কি করছিস সোজা আমার কেবিনেই তো আসতে পারতি। রিয়াঃ আমি তো স্যার কথা শুনে অবাক হয়ে গেছি।(সাথে কিছু টা ভয় ও পেলাম) তাহলে ইনি স্যারের বোন আর আকাশ স্যারের ওয়াইফ।আল্লাহ যদি উনি স্যার কে সব বলে দেয়। তাহলে তো আমার খবর আছে। তানিয়া আপুঃ এইতো কিছুখন আগেই এলাম।আর তোর কেবিন তো তুই পালটে ফেলেছিস তাই ঠিক চিনতে পারি নি।তাই এখানে এসে তোর কথা জিগ্ঙেস করলাম।এটা তোর নিউ পি এ তাই না। রিয়াদঃ হুম। তানিয়া আপুঃ খুব মিস্টি দেখতে। রিয়াদঃ হুম সুধু দেখতেই মিস্টি। কাজ পুরো করলা। তানিয়া আপুঃ😆😆😆😆 রিয়াঃ😤😤😤😤 তানিয়া আপু ঃ ও আমি যে জন্য তোর কাছে এসেছিলাম।তোর দুলাভাই মনে হয় আমার সাথে রাগ করেছে।তাই,,,, রিয়াদঃ আমি জানি আপু তুমি বাসায় যাও আমি দেখতেছি। তানিয়াঃ ওকে যাচ্ছি।ওর সাথে কথা বলতে ভালোই লাগছে।ওর সাথে একটু কথা বলে চলে যাবো। রিয়াদ; ওকে। স্যার চলে গেলো। রিয়াঃ সরি মেডাম আসলে আমি জানতাম না আপনি স্যারের বোন।মাথা নিচু করে। তানিয়া আপুঃ আর না না আমি কিছু মনে করি নি।তুমি তো ঠিকি বলেছো। রিয়াঃ সত্যি😊😊😊 আপুঃ হুম।কিন্তু তুমি কি যানো ও কেনো এরকম হয়ছে। রিয়াঃ কেনো। আপুঃ আমার বাবা মা মারা গেছে অনেক বছর হলো।তখন ওর বয়স মাএ ২০ বছর। আমি ওর ঠিকে একটু বড় ছিলাম। কিন্তু ব্যাবসা সামলানো আমার প ক্ষে সমভব ছিলো না।তাই ও ঔ বয়স থিকে সব কিছু সামলাচ্ছে।এতো অল্প বয়সে মা বাবা কে হারিয়ছে।তার ওপর সকল কাজের চাপ ওকে এমন বানিয়ে ফেলেছে। এসব বাদ দেও তোমার নাম টাই তো জানা হলো না। রিয়াঃ জি আমার নাম রিয়া। অন্যদিকে, রিয়াদঃ ভাইয়া ভেতরে আসবে।? আকাশ ঃ আরে রিয়াদ তুমি আসো আসো।তোমার অফিস তোমার আবার অনুমতি লাগে। রিয়াদঃ হুম😊, ভাইয়া আপনার সাথে আমার কিছু কথা ছিলো।আপুর বেপারে। আকাশঃ( বুঝতে পারলাম তানিয়া কিছু বলেছে)হুম বল। রিয়াদঃ আপনার আর আপু মাঝে কি কোনো রকম সমস্যা চলছে।আমি দুদিন ধরেই দেখছি।তাই বললাম আকাশ ঃ না তেমন কিছু না।এমনি একটু কতা কাটা কাটি হয়েছে। রিয়াদঃ ও আচ্ছা। ভাইয়া যদিও কোনো প্রকার সমস্যা হয় আমাকে বলবেন।আমি সমাধান করার চেষ্টা করবো।তাহলে আমি যাই এখন। আকাশ', ঠিক আছে। রিয়াদ চলে গেলো তানিয়া আপুঃ তোমার সাথে কথা বলে অনেক ভালো লাগল।এখন যাই পরে একদিন এসে কথা বলব।কেমন। রিয়াঃ ঠিক আছে আপু আবার আসবেন। আপু টা কতত ভালো আর তার ভাই টা কত খারাপ।ওনারা আপন ভাই বোন নাকি।আমার তো সন্দেহ হচ্ছে। 🤔🤔🤔 যাক আমি আমার কাজ করি। অফিসের সময় শেষ কিন্তু স্যার আজ কে ও লেট করছে।আমি ও আজ লেট করেই বের হলাম।প্রায় ১০,১০-৩০ হবে বেরিয়ে বাড়িতে চলে গেলাম। দেখি বাবা এখনো ছোফায় বসে নকশা তৈরি করছে। আপনাদের তো বলাই হয়নি আমার বাবা একজন ইন্জিনিয়ার। রিয়াঃ বাবা তুমি এখনো জেগে আছো? বাবাঃ হে তোর জন্যই অপেক্ষা করছিলাম। রিয়াঃ মা আর রিমন কই। বাবাঃ ওরা ঘুমিয়ে গেছে।আর অনেক রাগা রাগি ও করলো।তর এতো লেট হওয়াতে।আর তর মা তো আমাকে বলল আমি যাতে তকে চাকরি না করতে দেই।তর যাতে বিয়ে দিয়ে দেই। রিয়াঃ মা আমাকে একটু ও ভালোবাসে না।আর বিশ্বাস ও করে না তাই এরকম করে।আচ্ছা বাবা মা কি আমার আপন মা নাকি সৎ মা। বাবাঃ আমি ও বুঝি না😆😆😆।মা তোকে না ভালোবাসুক আর নাই বা বিশ্বাস করুক। আমি তকে বিশ্বাস ও করি ভালো ও বাসি।আমি জানি আমার মেয়ে কখনো আমার অসম্মান হক এরকম কোনো কাজ করবে না।তাই না। গলা জরিয়ে হে বাবা।😊😊😊😊 ঘরে চলে গেলাম ঘুমাতে। এরকম ঘরে মা আর রিমন, আর অফিসে রিয়াদ স্যারের সাথে জগরা করতে করতে ৭ দিন চলে গেলো।কিন্তু আকাশ স্যার অনেক ভালো।আমাকে সব সময় রিয়াদ স্যারের থেকে বাচায়। কিন্তু কথায় আছে না ভালো দিন গুলো তারা তারি চলে যায়।এমনি একদিন লান্চের সময়।রিয়াদ স্যার আমাকে অনেক গুলো ফাইল দিলো।সেগুলো নাকি আজকের মধ্যেই শেষ করতে হবে।উফ জলহস্তী' টা ও না সুধু আমার মতো নিষ্পাপ মেয়ে পেয়ে অত্যাচার করে। ১-৩০ বেজে গেছে।যাই বাবা প্রথমে লান্চ টা শেরে আসি।২-০০ বেজে গেলে আবার লান্চ ও করতে দিবে না। কেবিন থেকে বেরুচ্ছিলাম।এমন সময় আকাশ স্যার এলো। রিয়াঃ স্যার আপনি এখনো লান্চ করতে যাননি। আকাশ ঃ না তোমার জন্য ওয়েইট করছিলাম। তোমাকে কিছু কথা বলার আছে। রিয়াঃ জি স্যার বলুন, আকাশ ঃ এই কথা টা কি ভাবে বলি আমি বুঝতে পারছি না।তবু ও বলতে হবে।তুমি মাথা গরম করবে না বলো। রিয়াঃ ঠিক আছে স্যার😊😊 আকাশ ঃ আমি তোমাকে পছন্দ করি।প্রথম দিন থেকেই আমি তোমার প্রেমে পরে গেছি।আমি তোমাকে অনেক আগেই বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু বলতে পারি নি।কারন আমি বিবাহিত।কিন্তু তুমি বিশ্বাস করো আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। আমি তানিয়াকে তালাক দিয়ে দিবো।তুমি সুধু একবার বলো আমাকে বিয়ে করো। রিয়াঃ এরকম কথা শুনবো আমি কখনো ভাবিনি।তাও আবার আকাশ স্যারের মুখে।আমি এখন কি রিয়েক্ট করবো তাই বুঝতে পারছি না।অন্য কেউ হলে এতো খনে চার পাঁচ টা বসিয়ে দিতাম।কিন্তু এখন আমি কি করব বুঝতে পারছি না। আকাশ স্যার ঃ কি হলো কিছু বলো। রিয়াঃ স্যার আপনার মাথা কি ঠিক আছে। আকাশ ঃ আমি যা বলছি ঠিকি বলছি। রিয়াঃ স্যার আপনি এই কথা কি করে বলতে পারলেন। আমি আপনার ছোট বোনের মতো। তাছাড়া আমি কখনো আপনাকে বড় ভাই ছারা অন্য চোখে দেখিনি। অপর দিকে, রিয়াদঃ এই মেয়েটা কে আর সহ্য হচ্ছে না।সব সময় লেট করে।লান্চের সময় তো পার হয়ে যাচ্ছে।হয়তো ফাইল গুলেো এখনো কমপ্লিট হয়নি।তো কি হয়েছে লান্চ টা করে নিক।পরে আবার আমার দোষ দেবে।আমার জন্য নাকি সে অসুস্থ হয়েছে।তারপর ৭ দিন অফিসে আসবে না।তাছাড়া জগরা তো ফ্রি।যাই ডেকে নিয়ে আসি। রিয়াঃ আপনি আমার সাথে এমন টা করবেন আমি কখনো ভাবি নি।( কান্না করে দিয়েছি) আকাশ ঃ প্লিজ তুমি কান্না করো না।হাত ধরে। রিয়াঃ প্লিজ স্যার হাত টা ছারুন।হাত টা ছারানোর চেষ্টা করছি। রিয়াদঃ কি বেপার রিয়া তুমি তো দেখছি ঠিক সময়ে কোনো কাজই করতে পারো না।এমনকি লান্চ টা ও।( কেবিনে ঢুকতে ঢুকতে) ঢুকে আমি যা দেখলাম তাতে তো আমার রাগ সাত আসমানের উপরে উঠে গেছে।রিয়ায়য়য়য়য়,,,,,,,😠😠😠 চলবে।।।।।।।।।।। আগের মতো এখন আর সবার কাছে সারা পাই না
রোমান্টিক অত্যাচার <mark> রোমান্টিক অত্যাচার</mark> Reviewed by শেষ গল্পের সেই ছেলেটি on সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.