রোমান্টিক অত্যাচার

লেখকঃmd Asad Rahman Kotchandpur,Jhenaidah Part:5 ঢুকে আমি যা দেখলাম তাতে তো আমার রাগ সাত আসমানের উপরে উঠে গেছে।রিয়ায়য়য়য়য়,,,,,,😠😠😠😠। এখানে কি হচ্ছে। কেবিনের মধ্যে ঢুকে দেখি রিয়ার হাত আকাশ ভাইয়া ধরে আছে। রিয়াঃ আকাশ স্যারের কথা তে আমি এমনেই একটা শক খেয়েছি।তার ওপর রিয়াদ স্যারের এখন কেবিনের মধ্যে। আমি কি করবো বা বলব কিছুই বুঝতে পারছি না। নড়তে ও পারছি না।মনে হচ্ছে আমার পুরো শরীর অবশ হয়ে আসতেছে।আমি শকের উপর শক খাচ্ছি, আজ আমার সাথে কেনো এরকম হচ্ছে। এরি মধ্যে আমি খেয়াল করলাম আকাশ স্যার আমার হাত টা আসতে আসতে ছেড়ে দিচ্ছে। আকাশঃ আরে রিয়াদ তুমি এখানে এই সময়ে।(কিছু টা থতমত খেয়ে) রিয়াদঃ আমি রিয়া কে লান্চের জন্য ডাকতে এসেছিলাম। আকাশঃ ও আমি ও তো ওকে ডাকতে এসেছিলাম। বাট ও তো যেতেই চাছছিলো না। তাই ওর হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিলাম।তাই না রিয়া( আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসি দিয়ে) রিয়াঃ আকাশ স্যারের কথা শুনে অবাক হলাম। একটা মানুষ এতটা ও মিথ্যা বলতে পারে।আমি ভাবছি রিয়াদ স্যার কে কি সব টা বলবো নাকি বলবো না।না না যদি বলি তাহলে তার বোনের সংসার ভেন্ঙে যাবে সাথে স্যার ও অনেক কষ্ট পাবে। রিয়াদঃ রিয়া আকাশ ভাইয়া যা বলছে তা কি সত্যি।( দেখলাম ও কি যেনো ভাবছে।তাই এবার একটু ধমক দিয়ে) রিয়া ভাইয়া যা বলছে তা কি সত্যি। রিয়াঃ স্যারের চিৎকার শুনে আমার হুস আসলো।সাথে কিছু টা ভয় ও পেলাম।হে,,৷ ,,,,, য়ে স ্যা,,র সত্যি( কাপা কাপা কন্ঠে) আকাশঃ আমি বল্লাম না এই জন্যই ওর হাত টা ধরছিলাম।(হাসি দিয়ে)😊😊😊 রিয়াদঃ ওকে তাহলে রিয়া তুমি লান্চ করতে যাও। চলে গেলাম। আকাশ ভাইয়া ও চলে গেলো। রিয়াদঃআমি আমার কেবিনে চলে আসলাম। আমার কিরকম যেনো সন্দেহ হলো।কিছু দিন যাবত আকাশ ভাইয়া আপুর সাথে অনেক খারাপ ব্যবহার করছে।আমি প্রায়ই তাদের জগরার আওয়াজ পাই ঘর থেকে।।মনে হয় অনেক বেশি খারাপ ব্যবহার করছে আকাশ ভাইয়া আপুর সাথে।কারন আপু সহজে কান্না করে না। আমার রিয়া কে নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে কারন রিয়া যেদিন থেকে এসেছে সেদিন থেকেই আকাশ ভাইয়া আর আপু অমিল দেখা গেছে। তাহলে আকাশ ভাইয়া আর রিয়ার মধ্যে কিছু চলছে।না না আমি এটা কি ভাবছি আকাশ ভাইয়া এরকম টা করতেই পারে না।আকাশ ভাইয়া তো আপু কে অনেক ভালোবাসে। এদিকে, আকাশঃ আজ খুব বড় বাচা বেচে গেলাম।রিয়াদ যদি কিছু বুঝতে পারতো। তাহলে আজ আমার খবর হয়ে যেতো।আল্লাহ বাচিয়ে দিলো এবারের মতো। এই রিয়াদ টা ও না অনেক শেয়ানা মাল।তানিয়া আবার কিছু বলল না তো।বাড়ি তে যেয়ে তানিয়া কে আচ্ছা মতো বুঝাতে হবে।কারন রিয়া কে আমার চায়ই চায়ই। রিয়াঃ আকাশ স্যার কিভাবে এতটা নিচে নামতে পারলো।সে ঘরে এতো ভালো একটা বউ রেখে কিভাবে ছিছিছি।তানিয়া আপু কতো ভালো একটা মেয়ে।সে যদি যানতে পারে তার হাসবেন্ড টা এরকম তাহলে তো সে মারাই যাবে।আমি স্যার কে কতো ভালো মানুষই না ভাবতাম আর স্যার।খুব খারাপ লাগছে। কেন্টিনের দিকে গেলাম দেখি তমা বসে আছে।।আমাকে দেখে। তমাঃ কি ব্যাপার অফিস করতে কেমন লাগছে। বিষেশ করে রিয়াদ স্যার কে। রিয়াঃ আমার কোনো কিছুই ভালো লাগছে না।তবু ও বলাম ভালো। তমাঃ লান্চ কি নিয়ে এসেছো।নাকি আনাবপ? রিয়াঃ না আজ লান্চ করবো না।ভালো লাগছে না। তমা; কেনো শরীর খারাপ হলো নাকি। রিয়াঃ না,বলে ওয়াস রুমে চলে গেলাম।খুব কান্না পাচ্ছে।একটু কাদলাম তারপার ফ্রেস হয়ে নিজের কেবেনে চলে গেলাম।কোনো কিছুই ভালে লাগছে না।তার ওপর দেখতে পাচ্ছি আকাশ স্যার আমার সাথে কথা বলার জন্য অনেক চে্ষ্টা করছে।আমি তাকে যত টুকু সম্ভব এরিয়ে চলছি।আর ভালো লাগছে না। তাই চলে গেলাম রিয়াদ স্যারের রুমে। রিয়াঃ স্যার আসবো। রিয়াদঃ হে আসো। রিয়াঃ স্যার আমার না আজ শরীর টা ভালো লাগছে না। আমাকে আজ ছুটি দিন।আমি বাসায় যাবো। রিয়াদঃ ওকে দেখে ও মনে হচ্ছে শরীর টা খারাপ।আর মন টা ও ভালো না, তাই ছুটি দিয়ে দিলাম।ওকে আজ তাহলে তুমি চলে। যাও আর কাল সকালে একটা মিটিং আছে যানো তো। রিয়াঃ হে স্যার। রিয়াদঃ ওই মিটিংয়ের সব ফাইল রেডি করে কাল মিটিংয়ে চলে আসবে ঠিক সময়ে। রিয়াঃ ওকে স্যার বলে চলে এলাম।যাওয়ার সময় আকাশ স্যার ডাক দিলো আমি না দেখার ভান করে চলে আসলাম।তমা ও জিগ্ঙেস করলো এতো তারা তারি চলে যাচ্ছি কেনো।আমি বললাম শরীর ভালো না। বেরিয়ে সোজা বাসায় চলে গেলা।কলিংবেল বাজাচ্ছি।মা এসে দরজা খুলে দিলো। মাঃ কিরে তুই আজ এতো তারা তারি।প্রতিদিন তো ৮-৯ টার সময় বাসায় ফিরিস। রিয়াঃ আজ শরীর টা ভালো লাগছে না তাই চলে এলাম। মাঃ কি হয়েছেড়ে।বেশি শরীর খারাপ। রিয়াঃ না তেমন কিছু না সুধু মাথা টা একটু ব্যাথা করছে।বাবা আর রিমন আসেনি। মাঃ না তোর বাবা তো কাজে।আর তোর ভাই স্কুলে। রিয়াঃ ও বলে ঘরে চলে আসলাম। ঘরে এসে সোজা ওয়াস রুমে চলে গেলাম।অনেক খন ধরে শাওয়ার নিলাম আর কাদলাম ও।কাদলে নাকি মন টা হালকা হয়।শাওয়ার শেষে কাপর টা পালটে ঘরে এসে শুয়ে পরলাম।কিছু খনের মধ্যে হারিয়ে গেলাম ঘুমের রাজ্যে। রিয়াদঃ যতো চাচ্ছি দুপুরের ঘটনা টা ভুলে যাবো ততো বেশি মনে পরছে।কিভাবে আকাশ ভাইয়া রিয়ার হাত টা ধরে ছিলো।তাছাড়া রিয়া আসার পরই আপু আর ভাইয়ার মধ্যে জগরা। আমি সব কিছু সহ্য করতে পারলে ও আপুর কষ্ট সহ্য করতে পারি না।না না আমি আপুকে আর কাদতে দিবো না।যেভাবেই হক আকাশ ভাইয়া আর আপুর ঝামেলা টা খুজে বের করে তার সমাধান করতে হবে।সেই ঝামেলা যত বড়ই হক না কেনো। আকাশ ঃ রিয়া কিছুই বলল না।ও আমাকে নিশ্চয়ই মেনে নিতো।সুধু মাএ আমি বিবাহিত বলে মানলো না।এই তানিয়াকে বিয়ে করেই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছি। বাসায় চলে আসলাম।এসে দেখি তানিয়া ঘর গুছাচ্ছে।আমাকে দেখে হাসি দিয়ে,,,,, তানিয়াঃ তুমি কখন এলে আজ এতো তারা তারি। আকাশঃ কেনো আমাকে দেখে খুশি হও নি। নাকি আমার তারা তারি আসা মানা আছে। তানিয়াঃ এটা আমি কখন বললাম।তুমি এসেছো তাতে তো আমি অনেক খুশি হয়েছি।কিন্তু তুমি তো এই সময়ে আসো না তাই বললাম আরকি। আকাশ ঃ তুৃমি আমার চোখের সামনে থেকে যাও তো প্লিজ। তোমাকে জাস্ট সহ্য হচ্ছে না। তানিয়াঃ (মন টা খারাপ করে) ঠিক আছে আমি তোমার জন্য পানি নিয়ে আসছি। এই নেও পানি। আকাশ পানি টা নিলো না।উলটা পানির গ্লাস টা ফেলে দিলো। আকাশ ঃ কে তোমাকে পানি নিয়ে আসতে বলছে।তোমার মতো নির্লজ্জ বেহায়া মেয়ে আমি আরেক টা দেখি নি।তোমাকে বিয়ে করে আমার জীবন টা শেষ হয়ে গেলো। তানিয়া এবার কেদে দিলো। তানিয়াঃ তাহলে কেনো আমাকে বিয়ে করছিলে।আর এখনি বা রেখেছো কেনো( কান্না করতে করতে) আকাশ ঃ তোমাকে কে বিয়ে করতে চেয়েছিলো।সুধু মাএ তোমার বাবার জন্য এই বিয়ে টা করছি।আর এখনো সুধু মাএ তোমার ভাইটার জন্য তোমাকে সহ্য করছি।আর চিন্তা করো না খুব তারা তারি তোমাকে আমার জীবন থেকে সরিয়ে দেবো। তানিয়া বসে কাদতে লাগলো। এমনি তে কয়েক দিন ধরে তানিয়ার শরীর টা ভালো না।তারওপর কয়েক দিন ধরে আকাশের এরকম মানসিক অত্যাচার সে আর সহ্য করতে পারছে না। রিয়াঃ অফিসে গেলাম।অফিস টা পুরো খালি। কাউ কে দেখা যাচ্ছে না।আমার খুব ভয় করছে।তাই অফিস থেকে বেরিয়ে আসছিলাম।তখনি কেউ আমার হাত ধরে টেনে কথায় যেনো নিয়ে যাচ্ছে।আমি ভয়ে ভয়ে তার দিকে তাকালাম।দেখি আকাশ স্যার আমাকে টেনে তার রুমে নিয়ে যাচ্ছে। আমি ভয়ে ভয়ে স্যার কি করছেন আর কথায় নিয়ে যাচ্ছেন।তিনি কোনো কথা না বলে আমাকে তার কেবিনে নিয়ে গেলো,দরজা টা ও নোক করলো।আর বলতে লাগলো। আকাশ ঃ তুমি আমার ভালোবাসা তখন রিজেক্ট করেছো।তোমার সাহস হয় কি ভাবে আমাকে রিজেক্ট করার হুম।আজ আমি তোমার এমন অবস্থা করবো যাতে তুমি আমাকে ছেরে কোথাও না যেতে পারো। বলতে বলতে সে আমার দিকে এগিয়ে আসতেছে।আর আর আমি পিছাচ্ছি।এক সময় আমি দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেয়ে গেলাম আর পিছাতে পারলাম না।তখন আমি স্যার কে বলতে লাগলাম স্যার প্লিজ এমন টা করবেন না আমি আপনার ছোট বোনের মতো।না না না। আমি লাফিয়ে উঠলাম। হে আমি সপ্ন দেখছি।আমি তো পুরো ঘেমে গেছি। সামনে তাকিয়ে দেখি রিমন। রিমন ঃ আপু তোর কি হয়েছে।তুই ঘুমের মধ্যে কি বলছিস।আমি তোর ঘরে এসেই দেখি তুই কি যেনো বলছিস ঘুমের গোড়ে। রিয়াঃ না তেমন কিছু না। একটা খারাপ সপ্ন ছিলো। রিমনঃ আচ্ছা এসব বাদ দে। আব্বু তোকে নিচে যেতে বলছে।ডিনার করতে।তারা তারি ফ্রেস হয়ে নিচে আস। রিয়াঃ ওকে তুই যা। রিমন চলে গেলো। আমি সপ্নের কথা টা ভাবতে লাগলাম।যদি সত্যি সত্যি আকাশ স্যার এরকম টা করে। তাহলে তো আমার জীবন সহ আরেক টা মেয়ের ও জীবন নষ্ট হয়ে যাবে।আকাশ স্যার আর তানিয়া আপুর মাঝে আমি প্রবলেম দার করাচচ্ছি।তাই আমাকেই তাদের মাঝ থেকে সরে যেতে হবে।কিন্তু অফিসে থাকলে তো আকাশ স্যার আমাকে সব সময় বিরক্ত করবে।তাই আমাকে চাকরি টা ছেড়ে দিতে হবে।হুম আমি এটাই করব।স্যার এরকম টা করবে ভাবতেই আমার চোখ দিয়ে দুই ফোটা পানি গড়িয়ে পরল। ফ্রেস হয়ে নিচে গেলাম।দেখি বাবা,মা আর রিমন বসে আছে।আমাকে দেখে। বাবাঃ মা তোর কি শরীর খারাপ। রিয়াঃ না বাবা তেমন কিছু না। একটু মাথা ধরে ছিলো এখন ঠিক আছি। বাবাঃ ও তোর৷ মা বলল তুই নাকি আজ অফিস থেকে তারা তারি চলে এসেছিস তাই বললাম। রিয়াঃ হুম আমি আর ঐ অফিসে চাকরি করবো না।তাই তারা তারি চলে এসেছি। বাবাঃ কোনো কি সমস্যা হয়েছে নাকি। রিয়াঃ না তেমন কোনো সমস্যা না।স্যার খুব রাগি তাছারা লেট করে ছুটি দেয় প্রতিদিন। বাবাঃ তোর যেটা ইচ্ছা।আমি তোকে প্রথমেই মানা করেছিলাম।তোর কি টাকার কোনো অভাব আছে নাকি। মাঃ ভালো করছিস রিয়া।দোরকার নেই কোনো চাকরির।রিয়ার বাবা তোমাকে বলি কি এখন ওকে বিয়ে দিয়ে দেও। রিয়াঃ কেনো কেনো আমার বিয়ে নিয়ে তোমরা এরকম করছ কেনো।মনে হচ্ছে আমি তোমাদের গলার কাটা। রিমনঃ কাটাই তো। তোর জন্য বাবা আমাকে কম আদর করে। রিয়াঃ দেখছো বাবা😠😠😠 বাবাঃ এই রিমন চুপ থাক তো।রিয়াকে বিয়ে আমি এখন দিবো না।আমার মা আমার সাথে যত খুশি তো দিন থাকবে।আমি আমার মেয়ে কে আমার পছন্দ করাই ছেলের সাথে দিবো।তাই না রে মা। রিয়াঃ হুম বাবা তুমি যার সাথে আমাকে বিয়ে দিবে আমি তাকেই বিয়ে করবো।আচ্ছা বাবা আমি এখন যাই।অফিসে আজ গিয়ে চাকরির রেজিগনেশান লেটার টা জমা দিতে।বলেই ঘরে চলে গেলাম। ঘরে গিয়ে রেডি হয়ে নিলাম। আকাশ ঃ আজ যে করেই হক রিয়া কে জিগ্যেস করতে হবে।ও কি আমাকে বিয়ে করবে কি না। রিয়াদঃ আজ মিটিং টার পরি আকাশ ভাইয়ার সাথে কথা বলবো।আমি আর সহ্য করতে পারছি না আপুর কান্নার শব্দ। রিয়াঃ অফিসে রওনা দিলাম।এসে ও পরলাম ২০ মিনিটে।দেখি তমা ও এসেছে। তমাঃ কি ব্যাপার রিয়া আজ এতো তারা তারি। রিয়াঃ না আজ একটা কাজ ছিলো তাই জলদি চলে আসলাম। তমাঃ কি কাজ বলা যাবে? রিয়াঃ হুম আমি চাকরি টা আর করবো না তাই রেজিগনেশান লেটার জমা দিতে এসেছি।😿 তমাঃ রিয়া তুমি এটা কি বলছো তোমার মাথা ঠিক আছে তো। কেনো ছারবে চাকরি টা। রিয়াঃ এমনি স্যার কে আমার একটু ও ভালো লাগে না।সুধু অত্যাচার করে। রিয়াদঃ এখানে কি হচ্ছে।আজ যে একটা জরুরি মিটিং আছে কারো খেয়ালি দেখি নেই।সবাই তারা তারি মিটিং রুমে আসুন। রিয়াঃ স্যার আপনার সাথে আমার একটা কথা আছে। রিয়াদঃ এখন না যা বলার মিটিং শেষ হবার পর বলবে।আর তোমাকে যে ফাইল গুলো রেডি করতে বলেছিলাম সেগুলো নিয়ে মিটিং রুমে আসো। রিয়াঃ ঠিক আছে স্যার।তাছাড়া আমার রেজিগনেশান লেটার টা ও লিখা হয় নি।কেবিনে চলে আসলাম।ফাইল গুলো কমপ্লিট করলাম। এখন লেটার টা লিখবো।লেটার টা কমপ্লিট করা শেষ প্রায় মিটিং টা শেষ হলেই স্যার কে দিয়ে দিবো।এখন যাই মিটিং টা করে আসি। বের হতে নিবো তখনি দেখি আকাশ স্যার আমার কেবিনে।ঢুকেই দরজা টা লোক করছে। রিয়াঃ আপনি এখনে আর দরজা লোক করছেন কেনো।বের হন বলছি😠😠😠😠 আকাশ ঃ প্লিজ তুমি আমার কথা টা তো শুনো। রিয়াঃ আপনার সাথে আমার কোনো কথা নেই।আপনি যদি এরকম করেন তাহলে আমি স্যার কে জানাতে বাদ্য হবো।বলেই বেরিয়ে আসতে নিলাম।তখনি স্যার আমার হাত ধরে ফেললেন।আমার সপ্নের কথা গুলো মনে পরে গেলো।স্যার এরকম কিছু করবে না তো। যদি করে😵😵😵 এদিকে। রিয়াদঃ কখন মেয়েটা কে আসতে বললাম। এখনো পর্যন্ত তার কোনো খোজ নেই।মহা রানি কে আজ ভালো মত ঝারতে হবে।বলেই তার কেবিনের দিকে এগুচ্ছি। আকাশঃ প্লিজ এরকম তুমি করো না।আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। রিয়াঃ ঘরে এরকম ভালো একটা মেয়ে রেখে আপনি আমাকে এগুলো বলেন আপনার লজ্জা করে না। রিয়াদঃ রিয়ার কেবিনের সামনে যেয়ে কার যেনো গলা শুনতে পাচ্ছি।হে এটা তো আকাশ ভাইয়া না। আকাশ ঃ রিয়া তুমি যদি চাও আমি তানিয়াকে তালাক দিয়ে তোমাকে বিয়ে করব।আমি তোমাকে সত্যি অনেক ভালো বাসি।আর আমি এটা ও জানি তুমি ও আমায় ভালোবাসো। রিয়াদঃ আকাশ ভাইয়ের কথা শুনে তো আমার মাথায় আকাশ ভেন্ঙে পরলো।কি বলছে কি আকাশ ভাইয়া। রিয়াঃ তা করার ধরকার নেই আমি অফিস ছেরে চলে যাবো।আমার রেজিগনেশান লেটার ও করা হয়ে গেছে। আকাশ ঃ ভালো হয়েছে তুমি চাকরি টা ছেরে দেও।তারপর আমারা পালিয়ে বিয়ে করবো। রিয়াদঃ তাদের কথা গুলো শুনে আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না আপু আর আকাশ ভাইয়া কেনো জগরা করে।আর এক মুহুর্ত এখানে দাড়ালাম না।মিটিং রুমে চলে গেলাম। রিয়াঃ আপনি কি পাগল। এই কথা কি করে বলেন আপনি।আমি আপনাকে কখনো বিয়ে করবো না।বলেই আকাশ স্যারের হাত টা ছাড়িয়ে মিটিং রুমে চলে আসলাম। আকাশ ও চলে আসলো মিটিং রুমে। রিয়াঃ স্যার এই নিন ফাইল গুলো। রিয়াদঃ ওর কাছ থেকে নিলাম।কিছু বুঝতে দিলাম না।মিটিং টা যেমন তেমন ভাবে শেষ করে নিজের কেবিনে চলে আসলা। রিয়াঃ মিটিং শেষ তাই কেবিনে চলে আসলাম।মিটিং চলা কালিন আকাশ বেহায়া টা আমার দিকে কেমন ভাবে যেনো তাকিয়ে ছিলো।না আর সহ্য করা যায় না।আমি এখনি জব টা ছেড়ে দিবো। রিয়াদঃ আকাশ ভাইয়া এরকম টা করবে আমি ভাবতে ও পারি নি।আকাশ ভাইয়ার ও বা কি দোষ একটা মেয়ে যদি একটা ছেলেকে তার দিকে টানে তাহলে সেই ছেলে তার দিকে যেতে বাদ্ব হবে।সব দোষ রিয়ার সে আকাশ ভাইয়া আর আপুর মাঝে চলে এসেছে।ওর আমি এমন অবস্থা করবো যাতে ও কখনো আপু আর আকাশ ভাইয়ার মাঝে যেতে না পারে। রিয়াঃ স্যারের কেবিনে চলে আসলাম।স্যার আসবো। রিয়াদঃ ওর গলা টা শুনেই রাগে আমার শরীর টা জ্বলে যাচ্ছে।তবু নিজেকে সামলে নিলান।হে আসো। রিয়াঃ ঢুকলাম।স্যার একটা কথা ছিলো। রিয়াদঃ হে বলো। রিয়াঃ স্যার আমি আর এই অফিসে কাজ করতে পারবো না।এই নিন আমার রেজিগনেশান লেটার( স্যারের দিকে এগিয়ে দিয়ে) রিয়াদঃ ( চাকরি টা ছেরে আকাশ ভাইয়াকে নিয়ে পালিয়ে যাবে না।দাড়াও তোমার ব্যবস্থা আজি করছি)৷ চাকরি ছাড়ার কারন কি(।নিচের দিকে তাকিয়ে কারন এখন ওর চেহারা টা ও দেখতে ইচ্ছা করছে না) রিয়াঃ না স্যার এমনি। রিয়াদঃ আপনি তো এখন চাকরি ছারতে পারবেন না।আপনি এখানে জয়েন্ট করার পূর্বে একটা এগ্রিমেন্টে সিগনেচার করেছিলেন।মনে আছে।সেখানে লেখা আছে আপনি ৩ বছরের আগে এই চাকরি টা ছারতে পারবেন না। রিয়াঃ হে কিন্তু স্যার। রিয়াদঃ কোনো কিন্তু না। আজ সন্ধায় আমার সাথে আপনাকে একটা জায়গায় যেতে হবে।তৈরি থাকবেন। বলেই বেড়িয়ে গেলো।আমার কথা টা ও শুনলো না।আমি তো তাদের ভালোর জন্যই। রিয়াদঃ রিয়া তোমার মাথায় অনেক বুদ্ধি তাই না।তুমি চাকরি টা ছেরে আকাশ ভাইয়াকে নিয়ে পালাবে।আর আমার বোন কষ্ট পাবে,তাই না।আমি আমার বোন কে কোনো দিন কষ্ট পেতে দিবো না।তার জন্য যা করার দরকার তাই করবো।আজ তোমাকে এমন শিক্ষা দিবো যাতে করে তুমি চাইলে ও আমার বোনের জীবন নষ্ট না করতে পারো।৷ আজ অনেক কাজ আছে তাই এখনি অফিস থেকে বেরুতে হবে। চলবে।।।।।

কোনো মন্তব্য নেই for " রোমান্টিক অত্যাচার "

Berlangganan via Email