রোমান্টিক অত্যাচার

রোমান্টিক অত্যাচার ||writer:md Asad Rahman|| ||Jhenaida, kotchandpur|| ||Part: 9 || আমি ভয়ে ভয়ে আয়নার দিকে তাকালাম।তাকিয়ে একটা স্বস্তির ...

রোমান্টিক অত্যাচার ||writer:md Asad Rahman|| ||Jhenaida, kotchandpur|| ||Part: 9 || আমি ভয়ে ভয়ে আয়নার দিকে তাকালাম।তাকিয়ে একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম।আমাকে আকাশ স্যার না আমার বরই জরিয়ে ধরেছে।খুব ভালো লাগছে তার জরিয়ে ধরাতে তবু ও একটু বিরক্তিকর ভাব নিয়ে বললাম।কি করছেন আপনি আমাকে জরিয়ে ধরলেন কেনো। রিয়াদ ঃ কি লুকানোর কথা বলছিলে এতখন। আর তোমাকে জরিয়ে ধরবো না তো কাকে ধরবো। রিয়াঃ যাকে ইচ্ছা তাকে জরিয়ে ধরেন আমাকে ছাড়েন। রিয়াদ ঃ ও রিয়েলি। রিয়াঃ হুম।বলেই ওয়াস রুমের দিকে যাচ্ছিলাম।তখনি উনি আমার টাওয়েল টা ধরে ফেললেন। কি করছেন কি আপনি টাওয়েল টা ছাড়েন। রিয়াদ ঃ টাওয়েল টা ছেড়ে ওর হাত ধরে টান দিলাম।ও আমার বুকে এসে পরলো।ওকে আমি জোরিয়ে ধরলাম। রিয়াঃ উনি আমাকে জরিয়ে ধরেছেন শক্তে করে।আমার তো অবস্থা একদম খারাপ হয়ে গেছে।একে তো টাওয়েল পরা তার ওপর সে এভাবে জরিয়ে ধরে আছে।আমার নিশ্বাস ভারি হয়ে যাচ্ছে।তার বুকের বাম পাশের হার্টের প্রতিটি শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছি। রিয়াদ ঃ তুমি এতো সুন্দর কেনো বলো তো।তোমাকে যত বারই দেখি তোমার প্রেমে পরে যাই।তোমাকে এই প্রথম টাওয়েল পরা অবস্থায় দেখলাম।নিজেকে আর কনট্রল করতে পাছি না।ইস এখন যদি রাত হতো। রিয়াঃ তার কথা শুনে আমি অনেক টা লজ্জা পেলাম।ইস ওনার মুখে কি কোনো কোথায়ই আটকায় না।আমি যে লজ্জা পাচ্ছি তা কি উনি বুঝতে পারে না। রিয়াদঃ রিয়া আমার দিকে তাকাও। রিয়াঃ পারবো না।তার বুকে মুখ লুকিয়ে আছি। রিয়াদ ঃ লজ্জা পাচ্ছো।চিন্তা করো না এখন কিছু করবো না। আজ তো রাত হবেই তখন না হয় এখন কার টা সহ পুশিয়ে নেবো।বলেই ওর মুখটা উচু করলাম।ওর ঠোঁটে আলতো করে চুমু দিলাম।আর বললাম আই লাভ ইউ রিয়া। রিয়াঃ তার মুখে আই লাভ ইউ কথা টা এই প্রথম শুনলাম।মনের মধ্যে কি যে আনন্দ লাগছে তা ভাষায় বলে বোঝানো সম্ভব না। রিয়াদ ঃ তুমি তারা তারি রেডি হয়ে আসো এক সাথে ব্রেকফাস্ট করবো।আপু আর আকাশ ভাইয়া আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। রিয়াঃ ঠিক আছে আমি এখনি রেডি হয়ে আসতেছি।আর শুনুন। রিয়াদ ঃ হে বল। রিয়াঃ আমি চাই এখনি কেউ আমাদের বিয়ের সম্পর্কে জানুক।আমি সময় মতো সবাই কে যানাবো।আর আপনি এখন অফিসের কাউ কে কিছু যানাবেন না। রিয়াদ ঃ( কিছু খন ভেবে) ঠিক আছে তুমি যা বলবে তাই হবে। রিয়াঃ অনেক টা খুশি হয়ে তাকে জরিয়ে ধরলাম।তখনি মনে পরে গেলো হায় আল্লাহ আমি একি করলা।লজ্জায় আর এক মুহূর্ত দারালাম না কাপর নিয়ে ওয়াস রুমে দৌড় দিলাম। রিয়াদ ঃ( হাসি দিয়ে) পাগল মেয়ে। ১০ মিনিট হয়ে গেলো এখনো বের হচ্ছে না। রিয়াদ ঃ রিয়া তোমার কি হলো। রিয়াঃ এই তো প্রায় শেষ। রিয়াদ ঃ একটু পরেই ওয়াস রুমের দরজার আওয়াজ পেলাম।সাথে সাথে তাকালাম। তাকালাম তো তাকালামি আর যেনো চোখ দুটো নামতে চাইছে না।রিয়া একটি টপস পরেছে হাটা কাটা।আর জিন্স।ওকে দেখে এবার সত্যিই ক্রাশ খেলাম। রিয়াঃ এমন ভাবে তাকিয়ে কি দেখছেন। রিয়াদ ঃ তোমাকে। রিয়াঃ আমাকে মানে? রিয়াদ ঃ তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে। রিয়াঃ হুম হয়েছে এতো পাম্প দিতে হবে না।নিচে চলেন। রিয়াদ ঃ হুম চলো। আকাশ ঃ রিয়াদের হয়তো দেরি হবে চলো আমারা নাস্তা টা করে ফেলি। তানিয়াঃ দেরি হবে না ওই তো দেখো ওরা আসতেছে। আকাশ ঃ উপরে তাকালাম।আমার চোখ আটকে গেলো রিয়ার দিকে একে তো ফরসা তার ওপর হাতা কাটা টপস।পুরো পরির মতো লাগছে।ওর দিকে তাকিয়েই থাকলাম। রিয়াদঃ টেবিলের সামনে এসে দেখি আকাশ ভাইয়া রিয়ার দিকে তাকিয়ে আছে পলক হিন ভাবে।আমি তাকে ডাকলাম।আকাশ ভাইয়া, এই আকাশ ভাইয়া। আকাশ ঃ রিয়াদের ডাকে আমার হুস ফিরলো।হে বলো। রিয়াদ ঃ এমন ভাবে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছো কেনো। আকাশ ঃ না মানে তোমাদের অনেক সুন্দর লাগছিলো তাই আর কি।( বুক একে বারে জ্বলে পুরে যাচ্ছে ওদের এক সাথে দেখে) রিয়াদ ঃ ও আমি তো ভাবলাম অন্য কিছু।বলেই বসলাম।আমার পাশে রিয়া বসলো। রিয়াঃ উপর থেকেই দেখছি এই বেটা লুচু টা আমার দিকে কেমন করে তাকিয়ে আছে।এখনো লুকিয়ে লুকিয়ে দেখছে। কি রকম লুচু হলে একটা মানুষ বউ রেখে আরেক জনের বউ এর দিকে তাকিয়ে থাকে। তানিয়া আপুঃ তোরা এতখনে এলি।তোদের জন্য কখন থেকে বসে আছি।আর রিয়া তুমি এই ড্রেসে কেনো।কোথাও যাবে নাকি। রিয়াদ ঃ আপু ও আজ থেকে আমার সাথে অফিসে যাবে। তানিয়া আপুঃ একি কথা বাড়ির বউ অফিসে কেনো যাবে। রিয়াদঃ আসলে ও তো আমার পি এ ছিলো। তাই সমস্ত ইমপোরটেন্ট কাজ ও করতো।এখন ওকে ছাড়া ঐ সমস্ত কাজ করা মুসকিল হয়ে পরেছে।তাই ওকে সাথে নিয়ে যাচ্ছি। তানিয়া আপুঃ ও।রিয়া তোমার ঘারে ওটা কিসের দাগ। রিয়াঃ আপু দেখে ফেলল।এখন আমি কি বলি।খুব লজ্জা লাগছে।সব এই জলহস্তী' টার জন্য হয়েছে। তানিয়া আপুঃ এটা আমি কি বলে ফেললাম।আমারি লজ্জা করছে। আকাশ ঃ রিয়ার দিকে তাকালাম।আমার তো পুরো শরীর কাপছে রাগে।তারমানে রিয়াদ রিয়া কে(😤😤😤) রিয়াদ ঃ কথা টা ঘুরাতে হবে।আপু তোমাদের একটা কথা বলার ছিলো। তানিয়া আপুঃ কি কথা বল। রিয়াদ ঃ আমাদের মালোশিয়া তে একটা কোম্পানি আছে এটা তো যানোই।আর ঐ খানের ইমপ্লই গুলা খুব কাজ চোর হয়ে গেছে।আমার তো কয়েক দিন পর পর ঐখানে যাওয়া আবার এখানকার কাজ গুলো সামলানো খুব কঠিন হয়ে পরেছে।তাই আমি বলি কি তুমি আর আকাশ ভাইয়া ঐদিক টা সামলাও।আর আমি এই দিক টা। আকাশ ঃ না না আমি রিয়া কে রেখে মালোশিয়া যাবো না।( মুখ ফসকে কি বলে ফেললাম)(কথা ঘুরানোর জন্য) না মানে তোমাকে রিয়া কে ছেড়ে আমরা কোথাও যাবো না।তোমরা একা একা কিভাবে থাকবে। রিয়াদ ঃ ( যানতাম আকাশ ভাইয়া যেতে চাইবে না)আকাশ ভাইয়া আমারা একা হলাম কখন আমাকে দেখার জন্য রিয়া আর রিয়া কে দেখার জন্য আমি আছি তো।তাছাড়া আপনি তো এর আগে ও যেতে চেয়েছিলেন ঐখানে।কিন্তু আপু যায় নি আমি একা বলে।কিন্তু এখন তো রিয়া আমার সাথে আছে।তাছাড়া খালা মনি আপনাদের দেখতে চেয়েছে।যদি আপনারা না যেতে চান তাহলে ও কোনো সমস্যা নেই আমি আর রিয়া না হয় চলে যাবো। তানিয়া আপুঃ তোদের যাওয়ার দরকার নেই।আমরাই যাবো মালোশিয়া। তাছাড়া আমারও খালামনি কে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে।তুমি কি বল আকাশ। আকাশ ঃ আমি আর কি বলবো তোমরাই যখন সব ঠিক করে ফেলেছো তখন তাই করো।বলে বেরিয়ে গেলা ব্রেকফাস্ট টা ও ঠিক মতো করলাম না। তানিয়া আপুঃ কি ব্যাপার ব্রেকফাস্ট পুরো টা শেষ করে যাও। আকাশ ঃ আর ভালো লাগছে না। রিয়াদ ঃ কেনো ভালো লাগছে না তা আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পেরেছি। তানিয়া আপুঃ রিয়াদ আমাদের তো ভিসা পাসপোর্ট কিছুই নেই।আমরা কি করে যাবো? রিয়াদ ঃ আমি সব কিছুর ব্যবস্থা করছি তিন মাসের মতো সময় লাগবে। রিয়াঃ ভালোই হবে লুচু টা বাড়ি ছাড়া হবে।অন্তত লুচু টার অস্ভতা তো আর সহ্য করতে হবে না। তানিয়া আপুঃ মালোশিয়া চলে গেলে তোদের খুব মিস করবো। রিয়াঃ আমি আপনাকে অনেক মিস করবো আপু।(😭😭😭😭) রিয়াদঃ তোমার কি নাস্তা করা শেষ। রিয়াঃ হুম। রিয়াদ ঃ তাহলে চলো যাওয়া যাক। রিয়া ঃ হুম। আকাশ ঃ রিয়া কে আকাশের পাশে দেখতে আমার সহ্যই হচ্ছে না।রিয়াদ কে যে করেই হক রিয়ার জীবন থেকে সরাতে হবে।আমাকে তারানোর জন্য মালোশিয়া পাঠানো হচ্ছে।ঠিক আছে চলে যাবো কিন্তু যাওয়ার আগে এরকম কিছু করে যাবো যাতে রিয়া আর রিয়াদ এক সাথে থাকতে না পারে( হাসি দিয়ে) গাড়ির সামনে আসলাম। রিয়াদঃ আকাশ ভাইয়া আপনি এখনো যাননি। আকাশ ঃ না তোমাদের সাথে যাবো তাই ওয়েইট করছিলাম। রিয়াদ ঃ ও আচ্ছা চলেন। আকাশ ঃ রিয়া কে রিয়াদের পাসে বসতে দেবো না।তাই আমি সামনে যেয়ে বসলাম।কারন রিয়াদ ড্রাইব করবে। তানিয়া আপুঃ তোমার কি কখনো বুদ্ধি হবে না।তুমি সামনে কেনো বসেছো।ওদের এক সাথে বসতে দেও। আকাশ ঃ (উফ এই মেয়ে টা একে বারে অসহ্য। আমার জীবন টা একে বারে হেল করে দিলো)ঠিক আছে পিছনে চলে গেলাম। অফিসে এসে পরলাম সবাই। সবাই সবার কেবিনপ চলে গেলাম।।আসার সময় খেয়াল করাল আকাশ লুচু টা আমার দিকে বার বার তাকাচ্ছিলো। রিয়াঃ কেবিনে বসে আছি তখন তমা আসলো।আর এসেই আমাকে জরিয়ে ধরলো।আমি ও ধরলাম। তমাঃ রিয়া তোমাকে আমি এই কয়েক দিন অনেক মিস করেছি। রিয়াঃ কয়েক দিন মানে কি মাএ তো দুদিন।আর আমি ও তোমাকে অনেক মিস করছি। তমাঃ তুমি না বললে আসবে না। রিয়াঃ হুম আসবো না তো বলেছিলাম কিন্তু আপনাদের রিয়াদ স্যারের জন্য আসতে হলো। তমাঃ রিয়াদ স্যারের জন্য আসলে মানে?(😱😱) রিয়াঃ কাওকে বলবে না তো প্রমিস করে। তমাঃ ওকে প্রমিস করলাম। রিয়াঃ তাহলে শুনো,তমাকে সব বললাম কি ভাবে বিয়ে হলো এখন কোথায় আছি সব।সুধু মাএ তমা কেই বললাম।কারন ওকে ছাড়া এই অফিসের কাউকে বিশ্বাস করিনা। তমাঃ কি সত্যি স্যার তোমাকে বিয়ে করেছে।আমি খুব খুশি আজ।আমাকে কিন্তু ট্রিট দিতে হবে। রিয়াঃ এতো খুশি হওয়ার কিছু নেই।এই জলহস্তী' টার জন্য আজ আমার পরিবার আমাকে ভুল বুঝলো।(😢😢😢) তমাঃ জলহস্তী' কে?(অবাক হয়ে) রিয়াঃ কে আবার তোর স্যার। তমাঃ হাহাহা।উনি কিন্তু তোমার স্বামি।ওনাকে সম্মান করবে বুঝছো। রিয়াঃ সম্মান করবো না ছাই।ওনার জন্যই তো আমি এখন বাবার কাছে ছোট হলাম। তমাঃ চিন্তা করো না স্যার সব কিছু ঠিক করে দিবে। রিয়াঃ হুম(😞😞😞) তমাঃ রিমি মেডাম যদি যানতে পারে তোমার আর রিয়াদ স্যারের বিয়ে হয়েছে। তাহলে সে নির্ঘাত হার্ট এটাক করবে।আমি এখনি বলে আসতেছি তাকে। রিয়াঃ এই না না আমি না তোমাকে প্রমিস করিয়েছি।আমি সময় হলেই সবাই কে বলবো তমাঃ ওকে।কিন্তু যখন রিমি মেডাম যানবে তখন তার কি অবস্থা হবে ভাবতেই হাসি আসতেছে।(😝😝😝) কে যেনো কল করলো। রিয়াঃ হ্যালো। রিয়াদঃ আমার কেবিনে এসো। রিয়াঃ ওকে।কলটা কেটে দিলাম। তমাঃ কে ফোন করলো। রিয়াঃ কে আবার তোমার স্যার। তমাঃ অফিসে আসলে সবে মাএ ১০ মিনিট হলে।আর এখনি এতো মিস করছে।বলতে হবে তুমি খুব লাকি।স্যারের মতো একটা হাসবেন্ড পেয়েছো(হাসতে লাগলাম।) রিয়াঃ তুমি যে কি বল না।আমি আসি এখন পরে কথা বলবো।চলে আসতেছি। তমাঃ এই রিয়া দারাও তো।তোমার ঘারে এটা কিসের দাগ।? রিয়াঃ তমা ও দেখে ফেলল।এখন কি বলি।সব দোষ বজ্জাত জলহস্তী' টার।না আসলে এটা,,,,,,, তমাঃ থাক আর বলতে হবে না আমি বুঝে ফেলেছি।আর কথা না বাড়িয়ে স্যারের কাছে যাও দেখো এবার কোথায় দাগ বসিয়ে দেয়( বলে মিটিমিটি হাসতে লাগলাম) রিয়াঃ লজ্জায় আর দারালাম না।সোজা উনার কেবিনে চলে আসলাম। আসবো? রিয়াদ ঃ হে আসো।তোমার কি এখনো অনুমতি নিয়ে আমার কেবিনে আসতে হবে। রিয়াঃ হে আসতে হবে। কারন এখানে আপনি আমার স্যার আর আমি আপনার অফিসের সাধারণ কর্মকর্তা।কেনো ডেকেছেন এই টা বলেন।(কিছু টা বিরক্তিকর ভাব নিয়ে) রিয়াদঃ হে আসল কথায় আসি। তোমার আজ থেকে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। রিয়া ঃ কিসের নিয়ম।?(অবকা হয়ে) আমি তো অফিসের সব নিয়ম কানুন মেনে চলি। রিয়াদ ঃ আরে এটা অফিসের নিয়ম না। রিয়াঃ তাহলে। রিয়াদ ঃ এটা হচ্ছে সুধু আমার আর তোমার নিয়ম।তাহলে শুনো।প্রথম রুলস আজ থেকে প্রতিদিন কম পক্ষে ২ টা করে কিস দিতে হবে।সকালে আর রাতে।আর এর মধ্যকার সময়ে আমার যত গুলা ইচ্ছে তোতো বার দিবো। তুমি না দিতে চাইলে আমি জোর করে নিবো।।দ্বিতীয় রুলস হচ্ছে প্রতিদিন রাতে আমাকে জরিয়ে ধরে ঘুমাতে হবে।এমন ভাবে জরিয়ে ধরতে হবে যাতে করে আমাদের মাঝে একটি পিপড়া ও প্রবেশ করতে না পারে।তৃতীয় রুলস হচ্ছে প্রতিদিন আমাকে নিজ হাতে লান্চ করিয়ে দিতে হবে। আমার কোলে বসে খাওয়াতে হবে।আর হচ্ছে।থাক আজ এই পর্যন্তই বললাম বাকি টা অন্য এক দিন বলবো।এবার বলো তুমি কি আমার রুলস গুলা মানতে রাজি( দুষ্টমি হাসি দিয়ে।) রিয়াঃ তার কথা গুলো মন দিয়ে শুনলা।শোনার পর আমি তো একদম পাথর হয়ে গেছি। এসব বলছে টা কি উনি। পাগল টাগল হলো নাকি।চুপ করে আছি। রিয়াদ ঃ কি হলো বলো? রিয়াঃ আমি আপনার কোনো রুলস মানতে পারবো না। রিয়াদ ঃ ও রিয়েলি। রিয়াঃ হুম।আপনি আমার দিকে আসতেছেন কেনো। রিয়াদ ঃঃআমি কোথায় আসতেছি তুমিই তো পিছাচ্ছ।ওর একদম কাছে চলে গেলাম।এবার বলো তুমি কি রাজি।(😛😛😛) রিয়াঃ উনি আমার একদম কাছে চলে আসলেন।এতোটাই কাছে চলে এসেছেন যে আমাদের মধ্যে এক ইঞ্চি ও ফাকা জায়গা নেই।আমার তো পুরো শরীর অবস হয়ে আসতেছে।নিশ্বাস ভাড়ি হয়ে যাচ্ছে।আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হতে চাচ্ছে না।তবু ও কাপা কাপা গলায় বললাম, আমি বললাম তো আমি আপনার কোনো রুলস মানতে পারবো না। রিয়াদ ঃ ও তাই।এবার ওর পেতে হাত রাখলাম।মুখটা ওর ঘাড়ের কাছে নিয়ে গেলাম।গলায় একটা চুমু দিলাম।এবার বলো মানবে কি না। রিয়াঃ উনি আমার গলায় চুমু দিলেন।তার স্পর্শে আমার পুরো শরীর কেপে উঠো।আমি থরথর করে কাপছি। চোখ দুটো বন্ধ করে নিলাম।আমার কাপর খামচে ধরে আছি।তার প্রতিটা নিশ্বাসের শব্দ আমি শুনতে পাচ্ছি।আমি কিছু বলছি না চোখ বন্ধ করে চুপ করে আছি। রিয়াদ ঃ রিয়া কিছু বলছে না।ও থরথর করে কাপছে তা আমি অনুভব করতে পারছি।আমি এবার আলতো করে ওর ঘাড়ে একটা কামড় বসিয়ে দিলাম। রিয়াঃ হঠাৎ করে সে আমাকে কামড় দিলো।আমি আহ করে চিৎকার দিতে নিলাম।কিন্তু উনি আমার মুখ টা তার হাত দিয়ে ধরে ফেললেন। রিয়াদ ঃ যানি চিৎকার করবে তাই মুখ টা ধরে ফেললাম।মুখ থেকে হাত টা সরিয়ে নিলাম। রিয়াঃ আপনি কি রাক্ষস নাকি যে এভাবে কামড় দেন।বললাম তো আমি আপনার রুলস গুলো মানবো না। রিয়াদ ঃ ঠিক আছে তোমার মানতে হবে না।এই বলে ওর ঠোঁট গুলোর দিকে এগুচ্ছি। রিয়াঃ উনি কি করতে চাইছেন আমি তা বুঝতে পেরে তারা তারি বলে ফেললাম।হে হে আমি রাজি আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো।আপনার রুলস গুলো ও আমি মেনে চলবো( কথা গুলো এক নাগারে বলে ফেললাম।) রিয়াদ ঃ গুড গার্ল।আরেক টা চুমু দিয়ে ছেড়ে দিলাম।তুমি তো রুলস গুলো মেনে নিলে তাহলে রুলস মতাবেক এখন তো আমি একটা চুমু পাওনা।চুমু টা দিয়ে দেও।(মুচকি হাসি দিলাম) রিয়াঃ কি বলছেন কি আপনি এতো গুলো চুমু দিয়ে এখন বলছে আরো চুমু দিতে। রিয়াদ ঃ হুম তা ও ঠিক। আচ্ছা এখন কার মতো আর দিতে হবে না।তুমি এখন যেতে পারো। রিয়াঃ কথা না বাড়িয়ে চলে আসতে নিলাম। এমন সময়। রিয়াদঃ তোমার ঘারের দাগের কারনে তোমাকে কিন্তু আরো সুন্দর লাগছে। রিয়াঃ ইস উনি ও দেখে ফেলেছেন।পালিয়ে আসলাম ওনার কেবিন থেকে।উনি কি রাক্ষস যে কোথায় কোথায় কামড় দিবে।ইস এখানে ও দাগ বসে গেছে।ভালো ভাবে দেখা যাচ্ছে না। তবু ও কেউ যদি দেখে ফেলো। রিয়াদ ঃ পাগলি একটা। আকাশ ঃ কি ব্যাপার রিয়া আকাশের কেবিন থেকে এভাবে দৌড়ে বেরিয়ে আসলো কেনো।ওদের এভাবে দেখতে আমার একদম সহ্য হচ্ছে না। রিয়াঃ তার জন্য শান্তি তে পাঁচ মিনিট বসে কাজ ও করতে পারছি না।একটু পর পর কেবিনে ডাকছে।।এখন আবার কেবিনে ডাক দিলো। রিয়াঃ কি হলো আবার ডাকছেন কেনো। রিয়াদ ঃ আমার জন্য কফি নিয়ে এসো। রিয়াঃ এই নিন কফি।বলে চলে আসতেছি। রিয়াদ ঃ কোথায় যাচ্ছ আমাকে খাইয়ে দেউ। রিয়াঃ উফ যত সব ঢং।কি আর করার তাকে খাইয়ে দিলাম।খাইয়ে আমার কেবিনে চলে আসলাম। রিয়াদঃ রিয়ার কেবিন আমার কেবিনের পাশেই।তাই ও কি করছে না করছে সব কিছুই দেখা যায়।রিয়ার উপর খুব রাগ হচ্ছে কেউ এত ছোট টপস পরে তাও হাটা কাটা।আকাশ ভাইয়া কিরকম ভাবে ওর দিকে তাকিয়ে আছে।রিয়ার এবারের কান্ড টা দেখে তো আমার মাথায় আগুন জ্বলে উঠলো।রিয়া একটি ফাইল উপরে রাখার জন্য ওর হাত দুটো উচু করলো।যার ফলে ওর টপস টা একটু উঠে গেলো।এতে ওর পেট দেখা যাচ্ছে।আকাশ ভাইয়া তো এবার ডেব ডেব করে ওর দিকে তাকিয়ে আছে। লান্চের সময় রিয়া আসুক তখর ওর ক্লাস নিচ্ছি।ফাজিল একটা মেয়ে(😤😤😤😤) চলবে।।।।।।।।। এই গল্পের পাশাপাশি আরেক টা গল্প নিয়ে আসলে কি রকম হয় সবার মতামত আশা করছি

COMMENTS

নাম

৭ টি বিভাগের ৬৪ টি জেলার নামকরণের ইতিহাস সংক্ষেপে,1,এডমিন নোটিশ,2,কবিতা,13,কষ্ট ও ভালবাসা,26,জীবনধারা,8,ঝিনাইদহ জেলা,28,ফটো গ্যালারী,1,বাস্তব কাহিনী,32,ভালোবাসা গল্প,132,মাইন্ড হ্যাকিং,24,লাভ মেসেজ,9,শিক্ষণীয় গল্প,17,হ্যাপি ভ্যালেন্টাইন ডে,6,Entertaiment,92,Islam,5,
ltr
item
MD ASAD RAHMAN : রোমান্টিক অত্যাচার
রোমান্টিক অত্যাচার
MD ASAD RAHMAN
https://www.asadrahman.xyz/2019/09/blog-post_70.html
https://www.asadrahman.xyz/
https://www.asadrahman.xyz/
https://www.asadrahman.xyz/2019/09/blog-post_70.html
true
3383293187171369634
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts VIEW ALL Readmore Reply Cancel reply Delete By Home PAGES POSTS View All RECOMMENDED FOR YOU LABEL ARCHIVE SEARCH ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS CONTENT IS PREMIUM Please share to unlock Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy