Sponsor

banner image

recent posts

প্রতিশোধ থেকে ভালবাসা

আশা করি গল্পটা পড়লেই আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। নীলা খান আর আশফি চৌধুরী দুইজনই প্রবাসী বাংলাদেশী । দুই জনই একই varsity তে পরছে । আশফির বাবা আশরাফ চৌধুরী সেই শহরের নামকরা একজন ব্যবসায়ী আর তার একমাত্র প্রতিদন্দী শহরের আরো একজন নামকরা ব্যবসায়ী তিনি হলেন নীলার বাবা রেজা খান ।৷ ইদানিং তিনি অনেক দূর এগিয়ে তার সুনাম অর্জণ করেছেন। ,,,,,,,,,,,, ,,, নীলা দেখতে ছিল অনেক সুন্দরী। এক কথায় পরী কিন্তু সে অনেক জেদি আর কিছুটা অহংকারী, বাবার একমাত্র আদরের কন্যা সে, আর varsity এর শত শত ছেলের ক্রাশ । বিদেশেই জন্ম তাই বিদেশী কালচারেই সে বড় হয় । সে ক্যম্পাসে আর ক্লাসে বিনা করনে ছেলেমেয়ের কষ্ট দেয়। বিভিন্ন রকম শাস্তি দেয় । তাকে একরকম ভয়ই পায় সবাই । সে ক্যাম্পাসে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে । ক্যাম্পাসের কতৃপক্ষও কিছু বলে না ভয়ে কারন সব কিছু তার বাবার অ্যান্ডারে। ,,,,,,,,,,,, ,,,, আর ওখানেই আশফি এডমিট হয়, আজ তার ক্লাসের প্রথম দিন তার বন্ধুদের সাথে সিড়িতে বসে ছিল এমন সময় গাড়ি থেকে একটা মেয়ে নামল আর সেইটা নীলা । আশফি দেখেই হা করে তাকিয়ে থাকল , পাশে থেকে একটা বন্ধু বলে উঠল ও হচ্ছে নীলা, আমাদের কুইন । ,,,,,,,,,,, ,,, আশফি : হা করে তাকিয়েই বলল ,,,,,,আমি জীবনেও এত সুন্দরী মেয়ে দেখিনি,, নিশ্চয়ই বাঙালী হবে, কিন্তু লাইফ স্টাইল এই দেশের কালচারে, , প্রথম দেখায় আমি তো এর প্রেমে পড়ে গেলাম নীলা সিড়ি দিয়ে উপরে উঠে যাচ্ছিল এমন সময় সে একটা ছেলেকে থাপ্পড় দিল, আর বলল, আমি যাওয়ার সময় তুই সরে দাড়াস নি কেন?? এত সাহস তোর আজকেই তোকে ক্যাম্পস থেকে বের করে দেব ।। ছেলেটা তখনি নীলার পায়ে পড়ে বলল, এমনটা করো না, আমার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে, ,,,,,,,,,,, ,,, ,,,নীলা হেসে বলল, এই নীলা কাউকে ক্ষমা করে না,বলেই একটা লাথি দিয়ে উপরে চলে গেল,এরপর ছেলেটাকে ক্যাম্পস থেকে বের করে দেওয়া হল। আশফি তাকিয়ে সব দেখছিল,, মানুষ এত খারাপ কি করে হয়, এই সামান্য করনে কারো ক্যারিয়ারটাই শেষ করে দিল?!!!" তখন তার বন্ধু বলে উঠে, এই মেয়ের কথাই আমাদের সবার শুনতে হয় না হলে আমরা এখানে কেউ টিকে থাকতে পারব না । সবার ওপর অত্যাচার করে ও। ,,,,,,,,,,, ,,, আশফি : হোয়াট!!!! আমি শুনতে পারব না, ওকে একটা শিক্ষা দেয়া উচিত , এরপর ক্লাস টাইম যখন নীলা ক্লাসে ঢুকল সবাই দড়িয়ে গেল শুধু আশফি বাদে, সেইটা দেখে নীলা তার ফেন্ডকে বলল, ছেলেটা কে রে আগে তো দেখি নি, মেহরাজ,মানে নীলার ফেন্ড বলল,আজই এসেছে নতুন নীলা : ওরে বলে দে, নিয়মকানুন, আর দাড়াতে বল, তখন আশফি এসে বলল,,,তুমি কে যে, আমি দাড়িয়ে সম্মান জানবো,? আমাদের মতই তো একজন স্টুডেন্ট নীলা : রাগী চোখে তাকিয়ে আশফিকে একটা থাপ্পড় দিল, ,,,সবাইকে অবাক করে দিয়ে আশফিও নীলা কে একটা থাপ্পড় দিয়ে দিল।
প্রতিশোধ থেকে ভালবাসা প্রতিশোধ থেকে ভালবাসা Reviewed by শেষ গল্পের সেই ছেলেটি on সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.