বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

রোমান্টিক অত্যাচার

লেখকঃMD ASAD RAHMAN ||Kotchandpur|| Jhenaidah|| Part: 6 আজ অনেক কাজ আছে তাই এখনি অফিস থেকে বেরুতে হবে। রিয়াঃ স্যার কেনো এমন টা করলো।আমি তো স্যারের বোনের ভালোর জন্যই এমন টা করছিলাম।কিন্তু স্যার বুঝলো না। আমার তাতে কি আমার কি কোনো, ক্ষতি হবে।হলে তার বোনরেই হবে।আমার সুধু একটু কষ্ট হবে।একটু না অনেক টাই হবে😥😥😥😥। কে যেনো কেবিনের দরজা নোক করছে। তমাঃ আসতে পারি। রিয়াঃ হে আসো তোমার কি আবার অনুমতি লাগে নাকি। তমাঃ তো কি ভাবলে তুৃমি কি চাকরি টা ছেড়ে দেবে। রিয়াঃ ছাড়তে তো চাইছিলাম কিন্তু স্যার তো ছাড়তে দিলো না।তারপর তমা কে সব খুলে বল্লাম সুধু আকাশ স্যারের কথা টা বাদে। তমাঃ ভালো তো হলো। স্যার মনে হচ্ছে তোমাকে ছাড়তে চাচ্ছে না।এই প্রথম স্যার কাউকে জোর করে রাখছে যে কিনা নিজে থেকে চলে যেতে চায়।তুমি খুব লাকি।রিমি ম্যাম তো স্যারের পি এ ছিলো তুমি আসার আগে।সে তো স্যার কে পছন্দ ও করতো।কিন্তু স্যার হয়তো তা বুঝে ফেলেছে।তাই তাকে বাদ দিয়ে তোমাকে নতুন পি এ হিসেবে নিয়েছে।যানো আজ যখন আমি রিমি ম্যাম কে বললাম তুমি চাকরি টা ছেড়ে দিচ্ছ সে অনেক খুশি হয়েছিল।কিন্তু এখন যদি শোনে তুমি যাচ্ছ না তাহলে হয়তো সে,,,, রিয়াঃ থাক আর বলতে হবে না।আর আমি লাকি না ছাই।আমি হচ্ছি সবচেয়ে আনলাকি। তমাঃ এমন কথা কেনো বলছ? রিয়াঃ ( তুমি যদি যানতে আমার মনের ভেতর কি চলছে তাহলে হয়তো এতখনে বুঝে যেতে।) না তেমন কিছু না এমনি বললাম। তারপর আমি আর তমা অনেক খন কথা বললাম। আর সারা টা দিন ওর সাথেই ছিলাম যাতে আকাশ স্যার আমার সাথে কথা না বলতে পারে। সন্ধাহ হয়ে গেলো।সবাই চলে যাচ্ছে।তমা ও চলে যাবে এখনি,খেয়াল করলাম আকাশ স্যার এখনো যায়নি। আর আমার দিকেই কেমন করে তাকিয়ে আছে। তমাঃ কি ব্যপার রিয়া আজ বাড়িতে যাবে না।আজ তো রিয়াদ স্যার ও নেই। রিয়াঃ না রিয়াদ স্যার অফিসে আসবে বলছে।আমাকে নিয়ে নাকি কোথাও যাবে। তমাঃ ও তাহলে তুমি কি এখন একা একা থাকবে। রিয়াঃহুম😐😐😐( মন টা খারাপ হয়ে গেলো,তার সাথে কিছুটা ভয় ও করছে আকাশ স্যারের জন্য) তমাঃ তোমার একা থাকতে হবে না।রিয়াদ স্যার না আসা পর্যন্ত আমি তোমার সাথে থাকবো। রিয়াঃ (খুশি হয়ে) সত্যি 😊😊😊 তখনি আকাশ স্যার আসলো। আকাশ ঃ তমা তোমার থাকতে হবে না তুমি চলে যাও। আমি আছি তো।রিয়াদ না আসা পর্যন্ত আমি থাকবো রিয়ার সাথে। রিয়াঃ তার এই কথা শুনে তো আমার গোলা শুকিয়ে গেলো। তমাঃ কিন্তু স্যার। আকাশ ঃ আমি বলছি না বাসায় যাও( কিছু টা ধমক দিয়ে।) তমাঃ ওকে স্যার।😣😣😣 রিয়া তুমি সাবধানে থাকিস আর আকাশ স্যার তো আছেই। বলে জরিয়ে ধরলো। রিয়াঃ আমি জরিয়ে ধরলাম।ঠিক আছে তুমি ও সাবধনে যেও। আকাশ ঃ হে ও সাবধানে যেতে পারবে। তোমার এতো চিন্তা করতে হবে না।বলে আমার দিকে তাকিয়ে একটা হাসি দিলো রিয়াঃ তার হাসি দেখে তো আমার জান বের হবার অবস্থা।তমা চলে গেলো।আকাশ স্যার আমার দিকে কেমন ডেপডেপ করে তাকিয়ে আছে।আচ্ছা স্যার আবার সপ্নের মতো কিছু করবে না তো।যদি করে।আল্লাহ আমাকে বাচাও( মনে মনে বললাৃম) আকাশ ঃ তুমি কি ভাবছো রিয়া আমার সামনে আসতে আসতে। রিয়াঃ দেখুন আমার দিকে আর একটু ও এগুবেন না বলে দিলাম আকাশ ঃ আমি কখন তোমার দিকে এগুচ্ছি তুমিই তো পিছনে যাচ্ছ। রিয়াঃ পিছাতে পিছাতে একদম দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেলাম।স্যার এখনো আমার দিকেই এগুচ্ছে। ঠিক সে সময়েই দেখি রিয়াদ স্যার অফিসে আসলো রিয়াদঃ এখনে কি হচ্ছে?😠😠😠 আকাশঃ হঠাৎই কার যেনো গলা শোনা গেলো।আমি পিছনে তাকালাম।তাকিয়ে তো আমার হাত পা কাপছে।কিছু কি দেখে ফেলল নাকি।যদি কিছু বুঝে যায় তাহলে তো আমার খবর আছে।নিজেকে সামলে নিয়ে। ও রিয়াদ তুমি কখন এলে।আমি তো রিয়ার সাথে আড্ডা দিতে আসলাম।বেচারি একা একা তোমার জন্য বসে আছে। তাই আমি আসলাম। তাছাড়া ও বলল ওনাকি খুব ভয় পাচ্ছে। (😊😊😊) রিয়াঃ রিয়াদ স্যার কে দেখে আমার দেহে যেনো প্রান ফিরে এলো। আকাশ স্যারের কথা শুনে তো আমি অবাক। একটা মানুষ কিছু খন পর পর কি ভাবে এতো মিথ্যা বলতে পারে। রিয়াদঃ ও তাই নাকি রিয়া।😠 রিয়াঃ হুম ( না চাওয়া সত্যে ও মিথ্যা বলতে হলো।) রিয়াদঃ (আমি যানি এখানে কি চলছিলো।যাই চলুক না কেনো আজ থেকে আর এসব চলতে দিবো না।) ও আচ্ছা।আমি তোমাকে বলেছিলাম আজ তোমার সাথে আমি একটা জায়গায় যাবো। তুমি তৈরি তো। রিয়াঃ হুম। রিয়াদঃ তাহলে চলো যাওয়া যাক।আর আকাশ ভাইয়া আপনি এখন বাড়িতে চলে যান।আপু বাড়িতে একা একা আপনার অপেক্ষায় বসে আছে। আকাশ ঃ হে যাচ্ছি। তুমি কোথায় যাচ্ছ রিয়াকে নিয়ে।? রিয়াদঃ তা আজই যানতে পারবেন আমি আর রিয়া কোথায় গিয়েছিলাম।( একটা হাসি দিয়ে) আকাশঃ মানে?😱 রিয়াদঃ না তেমন কিছু না।আপনি বাসায় যান আমি একটু পরেই আসতেছি, সাথে রিয়া ও।রিয়া চলো যাওয়া যাক। রিয়ার হাত ধরে রিয়াদ বাইরে চলে গেলো।আকাশ কিছুই বুঝতে পারলো না।সে ও বাসার উদেশ্যে বেরিয়ে গেলো। আকাশ ঃ আজ ও খুব বাচা বাচলান।আরেকটু হলেই তো। রিয়াঃ স্যার আমাকে নিয়ে বাইরে চলে এলো গাড়ির সামনে রিয়াদঃ গাড়ীতে উঠো। রিয়াঃ স্যার আমরা কোথায় যাচ্ছি। রিয়াদঃ যেখনে আজ আমি নিয়ে যাবো।আর শুনো আজ তুমি যতো কথা কম বলবে তো তোমার ভালো হবে।তারা তারি গাড়ীতে উঠো। রিয়াঃ আজ আমার সাথে কি কি হচ্ছে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না।একটার পর একটা চমক।(মনে মনে বললাম। রিয়াদঃ ঐ চমক গুলো তো ছোট ছিলো।তোমার জন্য তো আজ আরো বড় একটা চমক রেডি আছে। রিয়াঃ স্যার আপনি কি করে বুঝলেন আমি তো মনে মনে বলছিলাম। রিয়াদঃ তোমার এতো কিছু বুঝা লাগবে না, যাও গাড়িতে যেয়ে বস। রিয়াঃ গাড়ীতে বসলাম।স্যার বিহেইভিয়ার গুলো আজ কেমন যেনো অন্যরকম লাগছে। রিয়াদঃআমার বোনের জীবনের সবচেয়ে বড় কাটা টা আজই সরিয়ে দিবো।গাড়ী চালোনো শুরু করলাম। রিয়াঃ আজ সারা দিনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো ভাবছি।আমার খুবি খারাপ লাগছে তানিয়া আপু জন্য, তার মত ভালো মানুষের এমন একটা স্বামী বিশ্বাসি হচ্ছে না।হঠাৎ গাড়ি টা থামলো। রিয়াদঃ রিয়া আমরা এসে গেছি নামো।(গাড়ী থেকে নামতে নামতে।) রিয়াঃ স্যারের সাথে নামলাম।নেমে তো আমি ৪২০ ভল্ট এর শক খেলাম।আরে এটা তো কাজি অফিস।স্যার আমাকে এখনে কেনো নিয়ে আসলো। স্যার এটা তো কাজি অফিস এখানে আমরা কেনো এসেছি। রিয়াদঃ এখানে মানুষ কেনো আসে। রিয়াঃ বিয়ে করতে। রিয়াদ,ঃ হে আমরা ও এখানে এসেছি বিয়ে করতে। রিয়াঃ আজ পুরো দিন চমকের উপর চমক খেলাম আর এই কথা টা শুনে সবচেয়ে বেশি চমকালাম(😱😱😱😱😱)।স্যার এসবের মানে কি।আপনি আমাকে এখানে বিয়ে করতে নিয়ে এসেছেন। তাও আমার অনুমতি ছাড়া। আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারবো না। রিয়াদঃ আমি কি তোমার থেকে যানতে চেয়েছি তুমি বিয়ে করবে কি করবে না।আমি সুধু আমার কথা টা বলছি। রিয়াঃ আপনি বল্লেই কি আমি আপনাকে বিয়ে করবো।আমি আপনাকে কখনো বিয়ে করবো না। রিয়াদঃ ( আমাকে তো বিয়ে করবে না আমি জানি।তুমি তো আকাশ ভাইয়াকে বিয়ে করবে।অন্যের সংসার ভান্ঙতে তো তোমাদের অনেক ভালো লাগে।তোমাদের মতো মেয়েকে আমি কখনো বিয়ে করতাম না।সুধু আমার আপুর জন্য) ও রিয়েলি। তুমি আমাকে বিয়ে করবে না তাই তো।তোমার তো একটা ছোট ভাই আছে না।আমি শুনলাম সে নাকি এখনো বাসায় ফিরেনি।এখন কার যে অবস্থা কার সাথে কি হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না।আর যদি বড় কিছু হয়ে যায় তাহলে তো সারা জীবনের কান্নার কারন ও হয়ে যায় ঐ দূরঘটনা টা।আমি কি বলতে চাইছি তুমি নিশ্চই বুঝতে পারছো। ( একটা হাসি দিয়ে) রিয়াঃ আমি তার কথা শুনে সাথে সাথে বাবা কে ফোন করলাম। হ্যালো বাবা তুমি কোথায়? বাবা ঃ আমি তো বাড়িতে।কেনো কি হয়েছে? রিয়াঃ না তেমন কিছু না আচ্ছা রিমন কোথায়? বাবাঃ ও তো এখনো বাসায় আসেনি।তোর মা তো খুব চিন্তা করছে।ওর স্কুল ছুটি হয়েছে ৫ টার সময় এখন ৭ টা বাজে কিন্তু ও আসেনি এখনো। রিয়াঃ ফোনটা কেটে দিলাম। স্যারের কলার ধরলাম।এই আপনি আমার ভাইকে কি করছেন বলেন।না হয় আমি এখনি পুলিশে ফোন দিবো। রিয়াদঃ এখনো কিছু করিনি তবে তুমি যদি এখন আমাকে বিয়ে না করো তাহলে অনেক কিছু করতে পারি।আর পুলিশের কথা বলছ তোমার ফোন করতে হবে না আমিই কল করছি কথা বলবে। রিয়াঃ সাথে সাথে তার গালে একটা চর বসিয়ে দিলাম( গায়ের সমস্থ শক্তি দিয়ে)।আপনি কি মানুষ নাকি অন্য কিছু।একটা মানুষ হয়ে কিভাবে পারলেন।আমি আপনার কাছে হাত জোর করছি আপনার পায়ে পরছি আপনি আমার ভাইকে কিছু করবেন না।(কান্না করতে করতে) রিয়াদঃ তুমি আমাকে থাপ্পড় মারলে।তোমার এতো বড় সাহস। ওকে কোনো প্রবলেম নেই বিয়ের পর সব উসুল করে নিবো।তুমি পা য়েই ধরো বা হাতে আমি তোমার ভাইকে ছারছি না ততখন যতখন না তুমি আমাকে বিয়ে করছো। রিয়াঃ)(একটু শান্ত গলায় দেখেন স্যার আপনি কথায় আর আমি কথায়।আপনি আমার থেকে আরো ভালো মেয়ে পাবেন।তাছাড়া আপনি যদি আমাকে ও বিয়ে করতে চান,তাহলে ও কোনো সমস্যা নেই। আপনি সুধু একবার আমার বাবার সাথে কথা বলুন। রিয়াদঃ কারো সাথে কথা বলার মতো আমার কাছে সময় নেই।আমার মনে হয় না তোমার কাছে ও বেশি সময় আছে।তাই বলি কি তুমি যদি তোমার ভাইয়ের ভালো চাও তাহলে তারা তারি কি করবে তা আমাকে যানাও। রিয়াঃ আমার কাছে আর কোনো দ্বিতীয় অপশন নেই।যদি আমি বিয়াটা না করি তাহলে উনি আমার ভাইয়ের ক্ষতি করতে পারে।বিয়ে টা যদি করি তাহলে আমার জীবন টা শেষ হয়ে যাবে।আমার জীবন শেষ হলে হক আমি রিমনের কিছু হতে দিবো না।(মনে মনে ভাবছি) রিয়াদঃ এই মেয়েটার একটু পর পর কি হয়।সুধু চুপ করে থাকে।রিয়া কি হলো কি বলবে তারা তারি বল।আমার কাছে বেশি সময় নেই। রিয়াঃ ওনার কথায় আমার হুস ফেরে।আমি রাজি আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো।কিন্তু কথা দিন আপনি আমার ভাইয়ের কোনো ক্ষতি করবেন না। রিয়াদ ঃ ঠিক আছে আমি ওর কোনো ক্ষতি করবো না।এবার চলো আমার দেরি হয়ে যাচ্ছে।কাজি সাহেব হয় তো আমাদের জন্য ওপেক্ষা করছে। রিয়াঃ আমি আর কথা বারালাম না। চলে গেলাম।ভেতরে যেয়ে দেখি কাজি সাহেব বসে আছে।আর তার টেবিলে আমাদের বিয়ের সব কিছুই উপস্থিত। এমনকি আমার জন্ম নিবন্ধন টা ও।আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না রিয়াদ স্যার দুপুরে অফিস থেকে কেনো বের হয়ে গিয়েছিলেন। কাজি সাহেব এতো খনে সব শুরু করে দিয়েছে।বিপদ টা দেখা দিলো তখন যখন কাজি সাহেব আমাকে আমাকে কবুল বলতে বললেন আর বিয়ের কাবিন নামায় সই করতে বললেন। কাজি সাহেবঃ মা কবুল বলো। রিয়াঃ আমার মুখ থেকে কোনো কথা বের হচ্ছে না।মনে হচ্ছে কেউ আমার মুখ টা চেপে ধরে আছে। রিয়াদঃ এই মেয়াটা পারে ও বটে আকাশ ভাইয়া হলে তো কখন কবুল বলে দিতো।কেরেক্টারলেস একটা মেয়ে।ওর কানের কাছে মুখ নিয়ে। রিয়া তোমার ভাইটা কিন্তু এখনো না খেয়ে আছে।আমি শুনেছি তোমার ভাই একদম খিদে সহ্য করতে পারে না। রিয়াঃ তার কথা শুনে তো আমি খুব ভয় পেয়ে গেলাম।আর সাথে সাথে আর মুখ থেকে কবুল শব্দ টি বেরিয়ে এলো।তার পর একে একে আরো দুই বার কবুল বল্লাম।ওনি ও কবুল বললেন। কাজি সাহেবঃ আলহামদুলিল্লাহ, এবার মা তুমি এই খানটা তে একটা সই করো। কিছু না বলেই সই করে দিলাম তিনি ও করলেন।বিয়ে টা হয়ে গেলো।রিয়াঃ আমি গাড়ীর সামনে দারিয়ে আছি আর কাদছি।আজ আমার সাথে এরকম একটা ঘটনা ঘটবে তা আমি কখনো ভাবি নি।ঐ লোকটা কে আমি কতো ভালো মনে করেছিলাম।কিন্তু উনি যে এতোটা খারাপ তা আমি কল্পনা ও করি নি।জলহস্তী' টার নাম বলতে না বলতেই জলহস্তী' টা হাজির। রিয়াদঃ গাড়ি তে বসো। কিছু বললাম না বসে পরলাম। রিয়াদঃ তো এখন কোথায় যাবে? ( বাকা হাসি দিয়ে) রিয়াঃ কোথাও যাওয়ার মতো অবস্থায় রেখেছেন আপনি।বাবার সামনে দাড়ানোর সাহস হবে কি আমার। আমার তো এখন মরে যেতে ইচ্ছে করছে।আমি আপনাকে বিশ্বাস করে আপনার সাথে এলাম আর আপনি কি করলেন।আপনার মুখ টা দেখতে ও আমার লজ্জা লাগছে।ছি ছি( কান্না করেই যাচ্ছি). রিয়াদঃ লজ্জা করুক আর যাই করুক তোমাকে তো আমার সাথেই থাকতে হবে।আর চিন্তা করো না খুব তারা তারি তোমার লজ্জা টা ভেন্ঙে দিবো।( চোখ টিপ দিয়ে,) তো এখন বলো কোথায় যাবে। রিয়াঃ আমার যাওয়ার কোনো জায়গা নেই।এখন যে আমাকে যেখানে নিয়ে যাবে সেখানেই যাবো। রিয়াদঃ আর কথা বাড়ালাম না গাড়ি চালানো শুরু করলাম। রিয়াঃ' গাড়ি চলছে তার আপন গতিতে।আর আমার মনের মাঝে ঝড় উঠেছে।নিরবে সুধু কান্না করে যাচ্ছি।আজ আমার এই কান্না দেখার মতো কেউ নেই।সকালে বাবা আমাকে নিজ হাতে খাইয়ে দিলো।আর আজ তাকে ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে।কি করবো বাবার সামনে তো আমি দাড়াতে পারবো না।কি ভাবে দাড়াবো বাবা তো আমাকে নিয়ে কতো সপ্ন দেখেছিল।একদিন সকালের কথা। রিয়াঃ আম্মু আমাকে নাস্তা দেও তো। মাঃ পারবো না নিজের নাস্তা নিজে নিয়ে বেড়ে নে। রিয়াঃ দেখছো বাবা মা আমার সাথে কিরকম করছে।( নেকা কান্না করে) বাবাঃকি হয়েছে কি তুমি আমার মেয়েকে এই ভাবে বলছো কেনো।খবর দার আমার মেয়ের সাথে এরকম ব্যবহার আর করবে না।তুই বস মা আমি তোকে খাবার দিচ্ছি। রিয়াঃ হুম(😊😊😊ল) মাঃ তোমাদের বাপ মেয়ের নেকামি আমার একদম সহ্য হয় না।মেয়ের কি তুমি বিয়ে দিবে না নাকি সারা জীবন ঘরে বসিয়েই রাখবে।একটু কাজ কর্ম যদি না যানে শ্বশুরবাড়ি গিয়ে কি করে খাবে। রিয়াঃ আমি তাকেই বিয়ে করবো যাকে বাবা ঠিক করবে।আর আমি যানি আমার বাবা আমার জন্য এমন পাএ নিয়ে আসবে যে আমাকে কিছু করতে দিবে না।সেই ঘরের সব কাজ কর্ম করে খাওয়াবে(😊😊😊😊😊)তাই না বাবা। বাবাঃ হুম আমি আমার মেয়ের জন্য ঠিক এমনি পাএ নিয়ে আসবো।আমার তো প্রায় পাএ দেখা ও শেষ।রিয়া যেদিন রাজি হবে সেদিনি ওর বিয়ে দিয়ে দিবো। মাঃ এতো সময় দেওয়ার দরকার নাই।পরে দেখবে তোমার আমার মান সম্মান ডুবাবে। বাবাঃ আমার মেয়ে কখনো এরকম কাজ করতেই পারে না।সে আমার অসম্মান হক এরকম কাজ কখনো করবে না। রিয়াঃ হুম বাবা আমি কখনো এরকম কাজ করবো না।এসব কথা ভাবতে ভাবতে কে যেনো আমার হাত ধরে টান দিলো।পাশে তাকিয়ে দেখি জলহস্তী' টা। রিয়াদঃ নামো আমরা এসে গেছি। রিয়াঃ কোথায় এসেছি আমরা? রিয়াদঃ তোমার শ্বশুর বাড়ি নামো। রিয়াঃ আমি এতো খন ভুলেই গিয়েছিলাম আমার বিয়ে হয়ে গেছে।বিয়ের কথা মনে পরতেই চোখ দিয়ে পানি বের হতে শুরু করলো।তবু ও নিজে কে সামলে নিলাম।চোখ দুটো মুছে গাড়ি থেকে নামলাম। তবুও কেনো জানি চোখের পানি থামছেই না। রিয়াদঃ চলো। আমার হাত ধরে । রিয়াঃ আমি ও তার সাথে চলতে লাগলাম। তিনি বাড়ির দরজার সামনে যেয়ে কলিং বেল টা বাজালেন।একটু পর একজন মেয়ে এসে দরজা টা খুলল।আমি তার দিকে তাকালাম। তাকিয়ে তো আমি অবাক এটা তানিয়া আপু তার মানে রিয়াদ স্যার আর তানিয়া আপু একি বাড়িতে থাকে।তাহলে তো আকাশ স্যার এখানে আছে।আমার খুব ভয় করছে। তানিয়া আপুঃ কি ব্যাপার রিয়াদ তোর আজ কে এতো লেট হলো কেনো বাড়িতে আসতে। রিয়াঃ আমার দিকে এখনো তাকায় নি। আমি ওনার পিছনে ছিলাম তাই। রিয়াদঃ আজ একটা খুব ইমপোরটেন্ট কাজ ছিলো তাই কাজ টা একে বারে করেই বাড়ি আসলাম।তাই একটু লেট হয়ে গেলো।(রিয়ার হাত ধরের আপুর সামনে নিয়ে আসলাম) তানিয়া আপুঃ (অবাক হয়ে)আরে রিয়া তুমি এখানে।রিয়াদ এতো রাতে তুই রিয়া কে এখানে কেনো নিয়ে আসলি। রিয়াদঃ তো কোথায় নিয়ে যাবো বাড়ির বউ কে। তানিয়া আপুঃ বাড়ির বউ মানে🤔🤔🤔 রিয়াদঃ হে বাড়ির বউ। আমি রিয়াকে বিয়ে করছি। তানিয়া আপুঃ কি বলছিস তুই এসব।তুই বিয়ে করছিস। আমাকে না যানিয়ে।আর এভাবে একা একা। রিয়াদঃ কি করবো বলো আপু রিয়া আমাকে এতটাই জোর করছিলো যে না করে পারলাম না। রিয়াঃ স্যারের কথা শুনে আমি তো আকাশ থেকে পরলাম।স্যার এসব কি বলছে আমি তাকে জোর করে বিয়ে করেছি।এতো বড় মিথ্যে কথা।( তবু ও মাথা নিচু করে রাখলাম) তানিয়া আপুঃ রিয়া ও যা বলছে তা কি সত্যি। রিয়াঃ আমি তানিয়া আপু দিকে তাকালাম আবার রিয়াদ স্যারের দিকে তাকাল।উনি চোখ রান্ঙিয়ে আমাকে হে বলতে বলছে।তার এমন তাকানোতে আমি কিছু টা ভয় পেলাম।তারপর বললাম৷ হে য়ে হে,,,৷ আপুপুপু,,,,, বলতে না বলতেই দেখি আকাশ স্যার আসতেছে।আমি তো এবার সত্যি অনেক টা ভয় পেয়ে গেলাম।আল্লাহ যানে এখন কি হয়।😥😥😥😥😥😥😥 চলবে।।।।।।।।।

কোন মন্তব্য নেই: