রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৯

দূরঘটনার বৌউ

Writer:Asad Rahman Jhenaida,, kotchandpur. মা : কী হলো কোনো জবাব আছে তোর কাছে,কেন করলি এমন। আমি :মামা আমার কিছু করার ছিলো না,বিশ্বাস করো আমি পরিস্থিতির চাপে এটা করতে বাধ্য ছিলাম মামি: এখন মেয়েটা কোথায় আমি : হাসপাতালে 😢😢 মামা : মনিকা কে বলেছিস কথাটা আমি : না মাকে বলার সাহস হয়নে মামি: একা একা বিয়ে করার সাহস আছে আর মা কে, সে ব্যাপারে জানানোর সাহস নেই। ছিঃ অভি তোর কাছে এরকম আশা করিনি আমরা সবাই কে সত্যি কথাটা বলে দেবো,সবার মনে কষ্ট না দিয়ে সবাই কে সবটা বলে দেওয়াই ভালো ( মনে মনে) মামা : কী হলো চুপ করে গেলি কেন আমি : মামা আসলে.......? (ফোন টা বেজে উঠলো ) -হ্যালো! -হ্যালো! মিস্টার চৌধুরী, মিসেস চৌধুরী আপনাকে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি করছে। আপনি তাড়াতাড়ি আসুন। - হুম এখনি যাচ্ছি মামা : কী রে কে ফোন করেছিলো মামা ইশা আমাকে দেখতে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করছে আমাকে এখনি যেতে হবে হাসপাতালে। -ঠিক আছে চল আমি আর তোর মামিও যাবো আমি আর কিছু বললাম না সবাই মিলে হাসপাতালের উদ্দেশ্য বেরিয়ে পরলাম। ! ! কী হয়েছে ম্যাডাম, ইশা কান্নাকাটি কেন করছে। নার্স- জানিনা আপনাকে খুজঁছিলো। আপনি বাড়ি গেছেন শুনে কান্নাকাটি শুরু করে দিলো। আমি তাড়াতাড়ি ইশার কাছে চলে এলাম,সাথে মামা আর মামিও ! কী হয়েছে ইশা তুমি কাঁছো কেন - বর তুমি এসেছো, তুমি আমাকে ফেলে কোথায় গিয়েছিলে আমার ত ভয় করছিলো অনেক । - না বৌ তোমাকে ছেড়ে আমি কোথায় যাবো।এই ত আমি তোমার কাছেই আছি - ওরা,কে বর ( মামা মামিকে উদ্দেশ্য করে ) পিছনে মামা একভাবে ইশার দিকে দেখছে।আর মামির কানে কিছু একটা বলছে। আমি- মামা এ হলো ইশা। আর ইশা এনি হলেন আমার মামা আর উনি আমার মামি ইশা- একদম বাচ্চাদের গলায় আসসালামু আলাইকুম মামা, আসসালামু আলাইকুম মামি। আমি হলাম ওই বরের বৌ আমি - কিছুটা কেবলার মতো দাঁড়িয়ে আছি। এরকম বাচ্চাদের মতো কথা বলছে কেন ও, নাকি সত্যি সত্যিই ওর গলাটা ওরকম। মামি ইশার কাছে এগিয়ে এসে, কত সুন্দর আমাদের ইশা, যেন পূর্ণিমা চাঁদ' কী মিষ্টি দেখতে গো ইশা একটু লজ্জা পেয়ে গেলো 😊 মামা,মামি ইশার সঙ্গে কথা বলছে আমি পিছনে দাঁড়িয়ে আছি। ! মামা আমাদের একবার ডাক্তারবাবুর সঙ্গে কথা বলার দরকার আছে। -- হুম চল, রিতু তুমি ইশার কাছে বসো আমরা আসছি।( রিতু মামির নাম) আমি আর মামা সবে বাইরে যেতে যাবো,পিছন থেকে ইশা বলে উঠলো বর আমাকে নিয়ে যাবে না। --যাবো বৌ,তোমাকে নিয়ে যাবো ত, একটু অপেক্ষা করো --আচ্ছা,আমি তোমার অপেক্ষা করছি,তাড়াতাড়ি আসবে কিন্তু ইশার কথা বলার ধরন আমাদের তিনজনের মাথার উপর দিয়ে যাচ্ছে। একজন স্বাভাবিক মেয়ের কন্ঠের মতো শুনতে লাগছে না,কোনো বাচ্চা যেমন ভাবে কথা বলে ঠিক সেরকম কথা বলছে ইশা। মামা মামির মুখের দিকে একবার চেয়ে দেখলো। বেড়িয়ে চলে এলাম রুম থেকে ডাক্তারবাবুর কেবিনে গিয়ে, আমি: -ডাক্তারবাবু ইশার অবস্থা এখন কেমন ডাক্তারবাবু :-শুনুন মিস্টার চৌধুরী, আপনাকে কিছু বলার ছিলো আমি :- হ্যাঁ বলুন ডাক্তারবাবু:- এই ভদ্রলোক কে ( মামাকে উদ্দেশ্য করে) আমি :- উনি আমার মামা। আপনি বলুন ইশার অবস্থা কী এখন ডাক্তারবাবু:- আচ্ছা মিস্টার চৌধুরী আপনার স্ত্রী কী আগে স্বাভাবিক ছিলো আমি :- মানে কী বলতে চাইছেন ডাক্তারবাবু:- আসলে আপনার স্ত্রীর রিপোর্ট আর কথা শুনে মনে হয়না আপনার স্ত্রী স্বাভাবিক জীবন জাপোন করতো। কারণ আপনার স্ত্রীর মধ্যে এখনো কিছুটা বাচ্চামো আছে,তাই বলছিলাম আপনার স্ত্রী কী একসিডেন্ট হওয়ার আগে স্বাভাবিক ছিলো। --কী বলবো এবার, আমি ত ওকে চিনিই না, ওর অতীত সম্পর্কে কী করে জানবো।কী বলবো এখন (মনে মনে)কিন্তু চুপ করে থাকলে ত হবে না। --ডাক্তারবাবু ও ত আগে স্বাভাবিকই ছিলো।কিন্তু এখন ওর কথা গুলো অন্যরকম লাগছে। ডাক্তারবাবু:- শুনুন মিস্টার চৌধুরী তাহলে হয়তো মাথায় খুব আঘাত লাগার কারণে ওনার মধ্যে একটু ছোট্টদের অভ্যাস এসেছে। আগের অতীত সমন্ধে মিসেস চৌধুরী কিছুই জানবে না,এখন থেকে আপনি যা বলবেন সেটাই আগামী জীবনে মিসেস চৌধুরীর অতীত হবে। মামা নিস্তব্ধ কাটিয়ে বলে উঠলো, তাহলে কী ডাক্তারবাবু ইশার স্থিতিশক্তি আর ফিরে আসবে না। -- আসবে কিন্তু সেটা এখন বলা যাচ্ছে না, আগে যে ভাবে উনি থাকতেন,সেইভাবে রাখার চেষ্টা করুণ তাহলে হয়তো উনার সবটা মনে পরে যেতে পারে। মামা - ডাক্তারবাবু আমরা কবে ইশা কে নিয়ে যেতে পারি ডাক্তারবাবু-দেখুন,আপনারা চাইলে কালকেই উনাকে নিয়ে যেতে পারেন,কিন্তু খুব কেয়ারফুলি ভাবে উনার দেখাশোনা করতে হবে। -- ঠিক আছে,অসংখ্য ধন্যবাদ ডাক্তারবাবু,আমরা তাহলে এখন উঠি ! --অভি আমার জানো কিছু সন্দেহ হচ্ছে। সত্যি কথা বল মেয়েটি কী সত্যিই তোর স্ত্রী মামা কী তাহলে কিছু আন্দাজ করতে পেরেছে।আমি কী সত্যিটা বলে দেবো। -- কী রে বলবি,চুপ হয়ে গেলি -- মামা আসলে হয়েছে কী। পিছন থেকে এক নার্স আমাকে ডাকলো, এই যে মিস্টার চৌধুরী আপনাকে ডাক্তারবাবু ডাকছে মামা তুমি চলো আমি আসছি -- আচ্ছা আমি ওদের কাছে যাচ্ছি তুই আয় ! কী হয়েছে ডাক্তারবাবু কিছু বলবেন। --মিস্টার চৌধুরী আপনাকে আগেও বলেছি এখনো বলছি মিসেস চৌধুরী কে খুব কেয়ারফুলি দেখাশোনা করবেন,কোনো রকম মানুষিক আঘাত পেলে কিন্তু বড়ো ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। --ঠিক আছে ডাক্তারবাবু আমি সেদিকে খেয়াল রাখবো। ! আমি ইশার কাছে এসে দেখি, মামা মামি দুজনেই বসে আছে, ইশার মুখটায় এক অদ্ভুত মায়া জড়িয়ে আছে। কী জানি কেন ওর কথাটা যতবারি বলতে যাচ্ছি বাধা আসছে। আমি -- মামি কী করছো সবাই ইশা-- বর তুমি এসে গেছো,আমরা কখন এখান থেকে যাবো। মামা-- অভি, ইশার মা বাবাকে ত একটা খবর দিতে হবে। কাকে খবর দেবো,আমি কী চিনি ওর মা,বাবা কে (মনে মনে) কী রে আবার চুপ হয়ে গেলি ( মামা) আসলে মামা ইশা কাউকে কিছু না জানিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে তার উপর ওর এরকম একটা বড়ো একসিডেন্ট আর আমি এখন ওর বাড়িতে এই ব্যাপারে কিছু বলতে চাইনা আগে ও সুস্থ হয়ে উঠুক তারপর সবটা বলে দেবো। মামি- তা বললে হয় নাকি অভি,একটা মেয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে তার বাড়ির অবস্থা এখন কী হবে তুমি যানো। তার বাবার মনের অবস্থা তার মায়ের মনের অবস্থা তুমি যানো। মামা - থাকনা রিতু ও যখন বলতে চাইছে না, তার থেকে বরণ আগে ইশা সুস্থ হয়ে যাক তারপর সবটা বলে দেওয়া যাবে। আমি আর কিছু বললাম না। মামা :- আমি মনিকা কে ফোন করে ওকে এখানে চলে আসতে বলি। আমি চুপ করেই রইলাম ! ! ইশাকে তার পরের দিন বাড়িতে নিয়ে এলাম। সবাই বাড়িতে আছে,সকালেই আমার মা আর বাবা এসেছে, মায়ের অনেক প্রশ্ন ছিলো আমাকে কিন্তু কোনো প্রশ্ন করেনে আমাকে হয়তো না বলে বিয়ে করার জন্য অভিমান করেছে আমার উপর। কিন্তু কাউকে বোঝাতে পারছি না যে আমি শুধু ইশাকে দূরঘটনায় বৌ হিসেবে পেয়েছি। সবাই ইশাকে নতুন বৌ এর মতো বরণ করছে,শুধু মাকে দেখছি না অভিমানের কারণে আমার সামনে আসছে না হয়তো। মামি- এসো ইশা এসো। ইশা - কী সুন্দর বাড়ি গো বর এটা কী তোমার বাড়ি। -- না এটা আমার বাড়ি নয় এটা আমার মামার বাড়ি ইশাকে সবাই উপরের যে ঘরে আমি থাকি সেই ঘরে নিয়ে গেলো। আমি মাকে খুজে বেড়াছি সব জায়গায় মাকে অনেক কিছু বলার আছে আমার। মাকে মামির ঘরে দেখতে পেলাম।আমাকে দেখেই মা মুখ ঘুরিয়ে নিলো। -- কী গো মা রাগ করেছো আমার উপর। চোখের কোনে হালকা জল জমেছে মায়ের। মা ও মা কী গো কিছু ত বলো।দরকার হলে আমাকে বোকো কিন্তু please কথা বলো মা- তোকে ত কোনো দিনও আমরা কোনো কাজে বাধা দিইনি ঈশান তাহলে জীবনের এতো বড়ো একটা ডিসিশন তুই আমাদের না জানিয়ে কী করে নিলি। -- sorry 😞😞মা আমি পরিস্থিতির চাপে পরে একাজ করতে বাধ্য হয়েছি। বিশ্বাস করো মা আমি এমন কাজ করিনি যাতে তোমাদের মাথা নও হয়। please ক্ষমা করে দাও মা। আমি তোমার পায়ে পরছি please তুমি কিছু বলো..... - এই ঈশান উঠ উঠ,কী হয়েছে তুই কাঁদছিস কেন,এ বাবা তুই আমার ছেলে হয়ে কাঁদছিস কেন। কোথায় আমার বৌ মা,দেখি কোন মেয়ে আমার ছেলের মাথা ঘুরিয়ে দিলো..... ! মা - কোথায় বৌমা,ও বাবা কী মিষ্টি দেখতে রে।তা তোমার নাম কী মা ইশা- বর বললো আমার নাম ইশা,বাকি ত কিছু মনে পড়ছে না মা- কীরে ঈশান বৌমা এটা কী বলছে আসলে মা ওর একটা একসিডেন্ট হয়ে গেছে,তাই ওর স্থিতিশক্তি চলে গেছে মা - তা মা তোমার কী কিছু মনে পরছে না ইশা- না আমার কিছু মনে পরছে না 😭😭😭 মা- তা এতে কাঁদার কী আছে মা,আমরা আছি ত ইশা - ও বর তুমি আমার কাছে আসো না - কী হয়েছে এইতো আমি তোমার কাছেই আছি মা - তোমরা কথা বলো আমি নীচে আছি,আর ঈশান বৌমার বাড়িতে বলেছিস ..??? - আসলে মা ওর বাড়িতে কিছু বলিনি,আগে ইশা সুস্থ হয়ে যাক তারপর সব কিছু বলবো মা - ঠিক আছে যা ভালো বুঝিস কর, বৌমা আমি নীচে আছি তোমার কিছু লাগলে বলো আমায়। ইশা- ঠিক আছে,আমার বর ত আমার কাছেই আছে আমি বর কে বলবো মা - বাবা তাই নাকি,তোমার বরের মা আমি তাই আমাকেও বলো কেমন ইশা- আচ্ছা 😊😊😊 এই ঈশান আমি নীচে গেলাম - আচ্ছা মা * তোমাকে নিয়ে আমি কী করবো এখন,তোমার পরিবার কোথায়,তোমার আসল নামতাও ত জানিনা আমি,আমি কী সবাই কে মিথ্যা কথা বলে ঠিক করছি,কোথায় তোমার বাড়ির লোক 😥😥😥 ইশা- এই বর তুমি কী ভাবছো - না কিছু না বৌ ইশা- তাহলে এরকম মন মরা লাগছে কেন তোমাকে, ও আমার জন্য মন খারাপ তোমার,তুমি চিন্তা করো না আমি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যাবো। -হ্যাঁ বৌ আমিও সেটাই চাই ! ! ! ! দু সপ্তাহ পর, বৌমা ও বৌমা নীচে এসো,খাবার রেডি করা হয়ে গেছে। এই মেয়েটাকে নিয়ে আর পারিনা। ঈশান টা কোথায় গেছে কে জানে একটা ফোন করে দেখি 📲📲📲📲 -হ্যালো! ঈশান কোথায় তুই( মা) - হ্যাঁ বলো মা -কোথায় আছিস,ইশা খেতে নামছে না তুই তাড়াতাড়ি বাড়ি আয় -এইতো আসতেছি মা -তাড়াতাড়ি আয়,মেয়েটা কিছু খেতে চাইছে না -হুম ! বাড়ি ফিরে, - কী হয়েছে মা -ইশাকে নীচে ডাক,কখন থেকে ডেকে যাচ্ছি খাওয়ার জন্য কিন্তু কিছুতেই খেতে চাইছে না,শুধু বলছে আগে বর আসুক তারপর খাবো আমি - আচ্ছা আমি দেখছি বৌ ও বৌ। বর তুমি এসে গেছো। হুম বৌ এসে গেছি,তুমি খাওনি কেন বৌ। তুমি আসোনি ত আমি কী করে খেয়েনিই বর। আচ্ছা এবার আমি এসে গেছি ত চলো খেয়ে নেবে চলো। আচ্ছা 😊😊।হুম ! মা খাবার দাও - বোস আসছি ! খাবার বাড়তে বাড়তে মা বলে উঠলো, হ্যাঁ রে ঈশান যেদিন থেকে রাতুল দের বাড়ি থেকে এসেছি সেদিন থেকে দেখছি সবসময় কী জানো ভাবিস,কী এতো চিন্তা করিস।(রাতুল মামার নাম) - কই না ত কী ভাববো তুমিও না। ( তোমাদের কী আর বলবো আমি কী ভাবি সবসময়,একটা অন্য ঘরের মেয়েকে নিজের বৌ বলে ঘরে রেখেছি, তার পরিবারের খোঁজ করতে করতে আমি যে কান্ত হয়ে পরছি মা) - কী রে আবার কী ভাবছিস -না কিছু না, ইশা তুমি বসে আছো কেন খাওয়া শেষ করো তাড়াতাড়ি। - এই তো বর খাচ্ছি ত আর কত তাড়াতাড়ি খাবো মা - বাহ্ রে মেয়ে আমি এতোক্ষন ধরে বলছি আমার কথা শুনলে না আর যেই বর বলেছে ওমনি বরের কথা শোনা হচ্ছে। ইশা- তবে নয়তো কী,আমার বরের কথা ত শুনতেই হবে -এই চুপচাপ খাও ত তুমি 😡😡 ইশা এবার কাঁদো কাঁদো হয়ে আমার দিকে নিরিহ চোখে দেখে,কেঁদে ফেললো -তুমি বাজে বর,তুমি ভালো না। তুমি আমাকে বোকলে কেন😭😭 - এই ঈশান,তুই আমার বৌমা কে বোকলি কেন বাজে ছেলে একটা। তোমাকে কেউ বোকবে না তুমি চুপ করো মা -এই রে রাগের মাথায় কিছু না বুঝে ওর উপরেই রেগে গেলাম। sorry বৌ আর হবে না। তুমি তাড়াতাড়ি খেয়ে নাও pleas ইশা- তুমি আমাকে বোকলে কেন - আচ্ছা ভুল হয়েগেছে আর বোকবো না। এবার please খেয়ে নাও ইশা- ঠিক ত আর বোকবে না ত - না আর কখনো বোকবো না। মা,বাবা কখন আসবে মা - রাতের মধ্যে চলে আসবে। আর এই ঈশান এবার ত বৌমা সুস্থ হয়ে গেছে অনেকতাই এবার ত তাকে নিজের ঘরে শুতে দে ( এতোদিন ইশা মায়ের ঘরেই রাতে শুতো) - আচ্ছা ঠিক আছে এবার থেকে ও আমার ঘরেই শোবেক্ষনে ইশা- কিছুটা খুশি হয়ে,কী মজা এবার থেকে আমি বরের কাছে শোবো -হুম ঠিক আছে এবার খেয়ে নাও তুমি ! ! রাতে বাবা ফিরে এলো,আর ইশা আমার ঘরে চলে এলো। আমি টেবিলে বসে কাজ করছিলাম।বর আমার ঘুম পাচ্ছে। তাহলে তুমি শুয়ে পরো আমার একটু কাজ আছে আমি কাজ টা সেরে নিই। না তুমি এখানে আমার কাছে আসো নয়তো আমি ঘুমাবো না। কী যে করি। আচ্ছা আসতেছি.... - ও বর তুমি এতো দূরে কেন আমার কাছে এসে শোও না - এই মেয়েকে কী করে বোঝাই আমি যে ওর বর না। ওর কাছে যাওয়াটা আমার উচিত হবে না.... চলবে,,,,, পাঠক বন্ধুদের উৎসাহ পেলে এই গল্পের তৃতীয় পর্ব লিখবো। সবাই কে অসংখ্য ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য। কোনো রকম ভুলভান্তি হলে ক্ষমার দৃষ্টি তে রাখবেন। 🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

কোন মন্তব্য নেই: