সোমবার, ৫ আগস্ট, ২০১৯

আঙ্কেল এর ঝগরাটে মেয়ে

আঙ্কেল এর ঝগরাটে মেয়ে writer:md Asad Rahman Kotchandpur/Jhenaidah আমি- মানেটা হলো তোমার বিয়েটা জেই ইবার ভাইয়ে সাথে ঠিক হয়েছে।সেই ইবার ভাইটা আমি। মিম- কি বললেন? আমি - জেটা সুনতে পেলে সেটাই বললাম। তার পর আমি মিম কে সবটা খুলে বললাম। আর এটা ও বললাম যে রাকিব আর ইবা একে অপর কে ভালোবাসে।তবে কেউ কাউকে বলেনি।আর রাকিব এটা ও যানে না। আমি যে ইবার বড় ভাই। মিম- কিহ সকলে সব কিছু যানে শুধু আমি জানিনা। আর আমিতো ইবাকে সব কিছু সেয়ার করেছি ইবাতো আমাকে বলেনি আপনি ওর বড় ভাই।আমি এর শাস্তি ওকে আর রাকিব কে দিবো। আমি- কি শাস্তি দিবে জান পাখি?? মিম- ওদের দুইজন কে বিয়ে দিয়ে দেবো। আমি- কি???এতে ওরাতো আরো খুসি হবে।এখানে তো আমি শাস্তির কিছু দেখছি না।।। মিম- আমি ওদের কে এমনি এমনি বিয়ে দিচ্ছি না! আমি- তাহলে কি ভাবে দিচ্ছো??? তার পর সব কিছু মিম আমাকে বুজিয়ে বললো।আমিতো শুনে অবাক। আমি বললাম ওহ বিলিয়েন্ড আইডিয়া। এতে ওদের কে শাস্তি ও দেয়া হবে পাশাপাশি সারপ্রাইজ ও দেয়া হবে। মিম- হুম। আমি জেই ভাবে বলেছি ঠিক সেই ভাবেই কাজ করবে। আমি- হুম তবে ওদের দুজনের দিকে লক্ষো রাখতে হবে যাতে ওরা কোন দূর গটনা না ঘটাতে পারে। মিম- হুম মাই সুইট বর। আমি- কি বললা??? মিম- কই কিছুনাতো। আমি- হুম চলো এবার বাড়ি জাওয়া যাক। মিম- হুম আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলে আসছি। তার পর মিম ডাক্তার এর সাথা কথা বলতে চলে গেলো। আসলে আমার সেরকম কিছু হয়নি গারির সাইডে বারি লাগাতে আমি রাস্তাতে পরে জাই আর মাথাতে আঘাত লাগে। তাই অঙ্গান হয়ে গিয়েছিলাম।আঘাত সেরকম গুরুতর না। তাই আজকেই বাড়ি চলে যাবো। তার পর ডাক্তার আর মিম এক সাথে আমার কেবিনে আসলো।এসেই মিমকে ডাক্তার বলতে শুরু করলো।আপনার হাজবেন্ট কে এই ঔষুধ গোলা ঠিক মতো খায়াবেন। আর দুই এক দিন রেষ্ট নিলেই সব ঠি হয়ে যাবে। মিম- ঠিক আছে ডক্টর আঙ্কেল।আমি ওর সব দরনের খেয়াল রাখবো। তার পর মিম আর আমি বাড়ি চলে আসলাম। আমি ঘরে ডুকতেই আম্মু বললো কি হয়েছে বাবা তোর।তোর মাথায় বেন্ডিস কেনো। আমি- কিছু হয়নি আম্মু।একটা ছোট এক্সিডেন্ট করেছি। আম্মু- আম্মু আমাকে জরিয়ে দরে কেদে দিলো।আর বললো তোর কোথায় লাগেনিতো বাবা। মিম- আসলে আন্টি মাথায় একটু চোট পেয়েছে। তবে ডাক্তার বলছে কিছুদিন রেষ্ট নিলেই ঠিক হয়ে যাবে। আম্মু- ঐ তুই আমাকে আন্টি বলে ডাকলি কেনো। মিম- সরি আম্মু। আম্মু- ঐ তোরা দুই জন এক সাথে এলি ইবা কই।ইবার কিছু হয় নিতো বাবা।কেঁদে কেঁদে। আমি- আরে দূর আম্মু তুমি কি আবল তাবল বলছো।ওতো অর বয়ফ্রেন্ড এর সাথে ঘোরতেছে।। আম্মু- মানে?? আমি- আরে আগে বিতরে তো আসতে দাউ তার পর সব বলছি। আম্মু- ওহ আয়। আমি- আব্বু আসেনি?? আম্মু - হুম এসেছে তো রুমে আছে। আব্বু আমাদের কথা সুনে রুম থেকে বাহিরে আসলো।এসেই আমাকে দেখে চেচিয়ে বললো ঐ তোর মাথায় কি হয়েছে। আমি- আমি না আব্বু কিছু হয়নি।এই একটা ছোট এক্সিডেন্ট আরকি। আব্বু- দেখি আর কোথায় লাগে নিতো। আমি- নাহ আব্বু।আর কোথায় লাগেনি। আম্মু- তখন আম্মু বললো তুই ইবার কথা কিজেনো বলছিলি। মিম- তার পর মিম ইবা আর রাকিবের সব কথা আব্বু আম্মুকে খুলে বললো ।আর আমাদের প্লেন এর কথাউ বললো। আব্বু- আচ্ছা মামনি সবিতো বুজলাম এখন আমি কি করবো? মিম- কি করবা মানে আজকেই তোমার বিয়াইর সাথে ওদের বিয়ের কথা বলবে। আব্বু - আচ্ছা ঠিক আছে বলবো মামনি বলবো। মিম- আচ্ছা আব্বু আমি তোমার বজ্জাত ছেলেটাকে রুমে নিয়ে জাই। আব্বু- ঠিক আছে যা। তার পর মিম আমাকে রুমে নিয়ে এলো। রুমে ডুকেই আমি দরজা দিয়ে ফেললাম। আর আমি মিম এর দিকে এগিয়ে গেলাম। আর মিম পিছিয়ে যাচ্ছে। মিম - এই ভালো হচ্ছে না কিন্তু। আমি- কি ভালো হচ্ছে না? মিম- তুমি এই ভাবে আগাচ্ছো কেনো? আমি- তুমি পিচচ্ছো কনো? মিম- দেখুন বিয়ের আগে এসব ঠিক না। আমি - কি ঠিক না? মিম- আপিনি জেটা করছেন। আমি- কি করছি আমি। মিম- দেখুন এক দম নেকা সাজবেন না। আমি- আমি আবার কি নেকা সাজলাম? এই কথা বলতেই আমি মিমকে এক টানে আমার কাছে নিয়ে আসলাম!!! আর বললাম তোমার হাতে আমার মোবাইল। মোবাইলটা দেউ। ইবাকে কল করবো মিম - তুমি এই জন্যই আগাচ্ছিলে? আমি- হুম। মিম- ওহ আমিতো ভাবছিলাম। আমি- কি ভাবছিলে? মিম- নাহ কিছু না। এই নাউ তোমার ফোন। আমি- আমি ফোনটা হাতে নিলাম আর বললাম।আচ্ছা মিম তুমি আমার আব্বু আম্মুর সাথে এতো ফ্রি ভাবে কি করে কথা বললে।যেনো মনে হলো তোমরা একে অপরকে অনেক আগে থেকেই ভালো করে চিনো। মিম- হুম চিনতো আর আব্বু আম্মুর সাথে আমি সেই ছোট বেলা থেকেই কথা বলি। আমি - মানে? মিম- আরে বুদ্ধু তোমার আর আমার বিয়েটা সেই ছোট বেলা তেই ঠিক করা হয়ছিল। আর আঙ্কেল যখনি ডাকাতে আসতো আমাদের এখানে থাকতো। আমি - কিহ আমিতো এসবের কিছুই জানিনা। মিম- আর জানতে হবেনা এবার ইবাকে call টা করো। আমি- হুম করছি। .............চলবে ভূল ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন [url=www.facebook.com/AR.Asad.Rahman.1996]ফেসবুকে আমি[/url]

কোন মন্তব্য নেই: