গল্পটা তোমার আমার

Writer:Asad Rahman 🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛🏛 মিমঃপ্লিজ রাগ করিস না,,,তোর ঠোট ফুলে গিয়েছে,,একটু মলম লাগিয়ে দেই,,, (গাল টেনে) আমিঃআমার ঠোট ফুলে গেলে তাতে আপনার কি?,,, মিমঃদেখ এভাবে কথা বলবি না,,, আমার অনেক কষ্ট হয়,,,তোর জন্য খাবার এনেছি হা কর খাবি,,, আমিঃদেখুন আমার ক্ষিদে নেই,,,প্লিজ আপনি এখন আমার রুম থেকে চলে যান,,আমি খাবো না,,, মিমঃ আমিও কিন্তু এখনো খাইনি,, তুই না খেলে আমিও খাবো না,, আমিঃহাহাহা,,আমি না খেলে আপনি খাবেন না কেনো,, যান যান অভিনয় করতে হবে না,, মিমঃআমার চোখের পানি দেখেও কি তোর অভিনয় মনে হয়,,, আমিঃআপনি পারেন না এমন কিছু আছে,,, আজ যেটা করলেন সেটা কখন ভুলার নয়,,, মিম কেঁদে দিয়ে বললো,,বিশ্বাস কর আমি তোর নামে কোনো বিচার দেইনি, ফুফি বুঝতে ভুল করেছে,,, আমিঃবুঝেছি,,আপনি এখন এখান থেকে যান প্লিজ,, মিমঃ হুম যাচ্ছি কিন্তু এই ভাত রেখে গেলাম,, খেয়ে নিস,,, এই বলে মিম চোখ মুছতে মুছতে রুম থেকে চলে গেলো,, আমি আমার ফেসবুকে ঢুকে পাসওয়ার্ড চেন্জ করে ফেললাম,, রাতে না খেয়েই শুয়ে পরেছি,, সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হলাম,। প্রচুর ক্ষুদা লেগেছে,, তাই মিমদের বাসায় গেলাম,,, মামিঃকিরে বাবা আয় নাস্তা করতে বস,,, আমিঃ আচ্ছা,,এই ছোয়া এককাপ চা দেতো,,, হঠাৎ ই------------মিম রুম থেকে ফোলা ফোলা চোখ নিয়ে আমার কাছে দৌরে এসে আমার গায়ের উপর পরে,,,গলা চেপে দরলো,, আমিঃআরে কি করছেন ছারেন ব্যাথা পাচ্ছি,, মিমঃ ছারবোনা,,আগে বল,,,তোর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড বদলালি কেনো,, আমিঃতাতে আপনার কি,, আমার ফেসবুক আমার পাসওয়ার্ড তাই আমি বদলিয়েছি,, মিমঃকি বললি তুই,, আমরইতো সব,, আমিঃহইছে আর ঢং করা লাগবে না,, সরেন সামনে থেকে,, মিমঃকিহ আমি ঢং করি,,! মিম পুরোদমে রেগে গিয়ে আমার ঠোটের সাথে ঠোট মিসিয়ে দিলো,, আমি ছোটার জন্য হাত-পা ছোরতে লাগলাম,, কিন্তু ওর সাথে পেরে উঠলাম না। অজ্ঞতা ওর কাজ ওকে করতে দিলাম,,, . মিম আমার ঠোটের ওপর ওর ঠোট দিয়ে রাগ মেটাচ্ছে,,, দির্ঘক্ষন পর ও আমাকে ছেরে দেওয়াতে আমি যেনো হাফ ছেরে বাঁচলাম,,,, মনে হচ্ছে পুরুষ নির্যাতন করছে,, মিম আমার দিকে ঘোর লাগা চোখে তাকিয়ে বললো,,, চুপচাপ এখানে বসে থাকবি,,, আমি ছারা অন্য কেউর হাতের চা খেতে চাইলে তোকে বিশ খাইয়ে মেরে ফেলবো,,, সাথে হাতটাও ভেঙে ফেলব তারপর নিজেও বিষ খেয়ে মরে যাবো,,, এ কথা বলে মিম চলে গেলো,, . আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম ওর কথায়,,যেমন রাগী এরকমটা করতেও পারে,, . মিমঃ এই নেও চা,,, মিমের কথায় ঘোর ভাঙ্গলো,, মিমঃকি হলো নেও,, আমি চা নিলাম,, কাপের দিকে তাকাতেই দেখলাম,, কাপে লিপস্টিক লাগানো,, যা বুঝার বুঝে নিলাম,, একটু একটু চা খাচ্ছি আর ভাবছিলাম,,, . মিম আমার ঘা গেসে বসে আমার বুকে মুখ ঘুজে দিলো,, কোনো কর্ন পাত করলাম না, , হঠাৎ কিছু পরার শব্দে বাস্তবে ফিরলাম,, সামনে তাকাতেই হা হোয়ে গেলাম,, আমিঃমামা মামি, , সামনে দেখি মামি আর ছোয়া কোমরে হাত দিয়ে আমাদের কৃর্তিকলাপ দেখছে,, আমি মিম কে ছারাতে ছারাতে বললাম,, ওই মামি সামনে মিমঃহু, আমিঃকি করছেন, ছারেন,, সামনে মামি,, মিম কে ছারালাম আমার কাছ থেকে,, মিম সামনে তাকাতেই লজ্জায় রুমে দৌর দিলো,, আমিঃঅপরাধির মতো মাথা নিচু করে বললাম, মামা,মামি আআমি..... মামি কিছু না বলে একটু রাগ দেখিয়ে কিচেনে চলে গেলো,, ছোয়া উচ্চ স্বরে হেসে উঠলো,, আমিঃওই হাসিস কেনো,, ছোয়াঃতোমারা পারোও বটে,,সব খানে রোমান্স করা লাগে,,আসেপাসে যে কেউ আছে সেটা খেয়াল করতে হয় জানো না,, আমিঃআমি কি করলাম তোর বোন ইতো,, ছোয়াঃহইছে হইছে,,সব বুঝি,, আমিঃমারবো একটা,,সর সামনে থেকে,, . ছোয়া এখনো দারিয়ে দাত বের করে হাসছে,,কিছুটা লজ্জা লাগছে,, তাই সেখান থেকে নিজের বাসায় চলে আসলাম,, . মিম বেশ আমাতে বিভোর হয়ে আছে,, আমি ছারা যেনো কিছুই বোঝে না,,, আমারো মন বলে মিম খুব ভালোবাসে আমায়,,কিন্তু সেদিনের ঘটনা টা আমার মনে বেশ ভালোই অভিমান জমা করে দিয়েছে,,, . সকালে বাসা থেকে ঘুরতে বের হচ্ছি,, ঠিক তখনই মিম আমাকে পিছন থেকে ডেকে উঠলো,,, আমি শুনেও না শুনার ভান করে হেটে যাচ্ছি,, মিম এবার আমার সামনে এসে দারালো,, মিমঃকি ব্যাপার তোকে ডাকছি কানে যাচ্ছে না,, আমিঃ ওহহ খেয়াল করিনি,,কেনো ডেকেছেন আমাকে,,, মিমঃবাহিরে যাচ্ছিস বুঝি, আমিঃ তাতো দেখতেই পাচ্ছেন,,, মিমঃচল আমিও যাবো তোর সাথে,,হাত ধরে আমিঃনা না,, তার দরকার নেই,, মিমঃকেনো আমিঃএকসাথে আব্বু দেখলে সমস্যা হবে,,আর তা ছারা এটাকে একটা নতুন ইস্যু করে আপনি আবার নতুন করে ফাঁদে ফেলবেন,, মিমঃকি বলছিস এসব,,আমি তোকে ভালোবাসি,, আমিঃহুম দেখলাম তো আপনার ভালোবাসার নমুনা,,, মিমঃদেখ তোর এই আপনি আপনি করে কথা বলাটা আমাকে বেশ কষ্ট দিচ্ছে,, তুই সামান্য একটা কারন নিয়ে আমাকে এভাবে ভুল বুঝতে পারিস না, এখন চল,, আমিঃনা,,আপনি একা জান,আমার অনেক কাজ আছে,, এবার মিম কিছুটা রেগে বললো,, মিমঃ তুই সাথে নিবি নাকি আমি কিছু করে বসবো,, এবার আমি কিছুটা ভরকে গেলাম,, তাই কিছু বললাম না,,মিম আমার হাতের ভিতর তার হাত ঢুকিয়ে হাটতে লাগলো,, কিছু দূর গিয়ে মিম একটা রিক্সা নিলো,, মিমঃচাচা রিক্সার খাপটা তুলে দিনতো,, আমিঃকেনো,,নানা দরকার নেই,, মিমঃআপনি উঠিয়ে দিন তো,, . রিক্সাওয়ালা খাপটা উঠিয়ে দিলো,, মিম সাথে সাথে আমাকে জড়িয়ে ধরে,, আমার কাধে মাথা রাখলো, কিছু বলতেও পারলাম না,, অনেক ঘোরা ফেরা করে বাসায় ফিরলাম,,, সাথে মিমকে নিয়ে,, . এভাবে আরো এক সপ্তাহ চোলে গেলো,, আমি মিম কে আগের মতোই ইগনোর করে চলি,, রাতে ভাত খাওয়ার জন্য টেবলে যেতেই আমি অবাক, টেবিলে মামা,মামি, মিম, ছোয়া, আমার আম্মু বসে আছে আমি একটা চেয়ার টেনে বসলাম,, তখন আব্বু এসে বসলো, সবাই খাবার খাচ্ছে, আমিও খাচ্ছি,, তখন আব্বু বললো,,সবাইকে এখানে ডাকার একটাই কারন,,কাল সৌরভের জন্য মেয়ে দেখতে জাবো,,,মেয়েকে আমি দেখেছি,,খুবই ভালো,,এখন তোমরা সবাই দেখবে,সৌরভ তোর কোনো দ্বীমত আছে,, . হঠাৎই মিমের গলায় খাবার আটকে গেলো গলা দিয়ে যেনো খাবার নামছেই না,,,ও আমার দিকে ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে আছে,,,ওর চোখ দিয়ে এই পানি পরলো মনে হয়,, আমি মিমের দিকে তাকালাম,,ওর চোখ যেনো বলছে,, না সৌরভ না,আমি পারবো না থাকতে,, আমি কিছু না বলে মাথা নিচু করে রাখলাম,, আব্বু আবার বললো,,তাহলে সকালে সবাই রেডি হোয়ে থেকো মেয়ে দেখতে যাবো,, পরের দিনই বিয়ে,, মিম তার খাবারে পানি দিয়ে টেবিল থেকে উঠে চোলে গেলো,, আমি ও আর খেতে পারলাম না,,তাই রুমে চোলে আসলাম,, ঘুম আসছে না,,আমি কি বেশি বেশি করে ফেলছি,, আমিওতো মিম কে ভালোবাসি,, আমার অভিমান কে কি বড় করে দেখছি। নাহ,, আর ভাবতে পারছি না,, এপাশ ওপাশ করতে করতে কখন যে ঘুমিয়ে গিয়েছি জানি না,, ঘুম ভাঙ্গলো কারো গড়ম গড়ম নিশ্বাস আমার বুকে পড়াতে,, চোখ মেলে দেখি কিছু একটা আমার বুকে শুয়ে আছে,,তোলার মতো নরম,, , হঠাৎ ভয়ে লাফ দিয়ে উঠলাম,, আমি উঠে দারাতেই মাথায় যেনো আকাশ ভেঙ্গে পরলো,, হায় হায় আমার জামা কাপর কোথায়,,আমার গায়ে কোনো কাপর নেই,, সামনে তাকাতেই আরো চমকে গেলাম,, মিম সামনে,, ওর গায়েও কোনো কাপর নেই,, আমার মুখ দিয়ে কোনো কথা বের হচ্ছে না, মিম চোখ ডলতে ডলতে আমাকে বললো,, মিমঃ ওই আমার ঘুম ভাঙ্গালি কেনো,, এখানে শো আমি তোর বুকে ঘুমাবো, এখনো আমার ঘুম হয়নি,, আমি কোনো রকম বিছানার চাদর দিয়ে আমার ঘা টা ঢেকে বললাম,, আপনার গায়ে জামা কাপর কই,,তাড়াতারি পরুন, মিমঃ ইসসস রাতে সব করে এখন লজ্জা পাচ্ছে,, আমিঃকি আবল তাবল বলছেন,,আমি কি করেছি,, আর আপনি এখানে কেনো,, প্লিজ বের হন, তারাতাড়ি কাপর পরেন,, মিমঃরাতে একা ভালো লাগছিলোনা,তাই তোর কাছে চলে এসেছিলাম,,তারপরই তো তুই এসব করলি,, আমিঃকিককি করেছি আমি,, একদম ফালতু কথা বলবেন না,তাড়াতাড়ি জামা কাপর পরে বের হন,, হঠাৎ ই আমার রুমের দরজায় কে যেনো নক করতে থাকলো,,একটু পর আব্বুর গলার আওয়ায় পেলাম,, ভয়ে আমার পেটে কামর দিলো,, আমিঃপ্লিজ আপনি কাপর পরে কোথাও লুকিয়ে যান ,,এক কাজ করুন ভাত রুমে গিয়ে পালান,, আর আমার ট্রাউজার গেন্জি কোথায় প্লিজ তাড়াতাড়ি বলুন,, মিম মুচকি একটা হাসি দিয়ে বললো,,আমি লুকাবো এন্ড তোর কাপর দেবো এক শর্তে,, আমিঃ কি শর্ত তাড়াতাড়ি বলুন,, মিমঃআমাকে জড়িয়ে দরে লম্বা একটা কিচ দিতে হবে,,তাহলেই আমি পালাবো,,, আমিঃ কখনো না,, আমি পারবো না,, মিমঃতাহলে আর কি করার , এই অবস্থাতেই দুজন সবার সামনে যাবো,দারা দরজা খুলছি,, আমিঃএই না না, কি করছেন, পাগল হয়ে গেছেন নাকি,, মিমঃযেটা ইচ্ছা ভাবতে পারিস,,আমি খুলছি,, আমিঃআমি রাজি রাজি,, মিমঃএইতো গুড বয়,আয়, আমিঃআপনি কাপর পরে নিন আগে মিমঃনো নো তা হবে না, আমি বিছানার চাদরটা গায়ে ভালোমতো পেচিয়ে নিয়ে মিমের দিকে আগাতে লাগলাম, , মিমঃওই আগে শরিল থেকে বিচনার চাদর সরা, আমিঃকি বলেন এসব, তাহলে কিন্তু আমি ঠিক থাকতে পারবো না, মিম একটা মাতাল করা হাসি দিয়ে বললো তোকে ঠিক থাকতে কে বলেছে, ওপ এই মেয়েটার সাথে পারবো না, আব্বুর কথা মনে পরতেই মিম কে জড়িয়ে ধরে যেই কিস দিতে যাবো তার আগেই মিম আমার ঠোট ওর ঠোটে পুরে নিলো,, ,, ও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে দরে চোমুক দিয়ে ধরতেই যেনো আমি পাগল হয়ে গেলাম, বেশ কতক্ষন দুজন এভাবে ছিলাম,, বলতে পারবো না আব্বুর চিতকারে ওকে ঝাটকা মেরে ছেরে দিলাম,, আমার শরিল কাঁপছে,, কাপা কাপা গলায় বললাম কাপর কই, মিমঃখাটের নিচে,, আমি তাড়াতারি আমার কাপর নিলাম সাথে মিমের টাও নিয়ে ওকে দিয়ে বললাম,, তাড়াতারি কাপর পরে লুকিয়ে যান,, . মিম আমাতেই যেনো বিভোর হোয়ে আছে, তার পর চুপচাপ বাথরুমের চলে গেলো, আমি তারাতাড়ি ফিটফাট হোয়ে জামা ট্রাউজার ঠিক করে দরজা খুলে দিলাম,, সামনে দেখি সবাই রেডি হয়ে দারিয়ে আছে, ,, আব্বু কোনো কথা না বলে ঠাসস করে আমার গালে একটা চর বসিয়ে দিলো,, বেস বেথা পেলাম, থাপ্পরের ধাক্কায় পাশে মুখ চলে গেলো চোখ মেলে দেখি মিম পাশে সুন্দর করে মাথা নিচের দিকে দিয়ে দারিয়ে আছে,,আব্বুর থাপ্পর দেওয়ার কারনটা সবে বুঝলাম,,, আব্বু ঃতুই জীবনেও ভালো হবি না,,, এই বলে সামনে থেকে চলে গেলো,, একে একে মামা,মামি,মা সবাই সামনে থোকে চলে গেলো,, এবার ছোয়া আমার সামনে এসে দাঁত বের করে হাসছে আর বলছে,,আপু দেখি তোমাকে ভালো করে লিপস্টিক দিতে পারে না,এখানে একটু, ওখানে একটু এলোমেলো করে দেওয়া,,, আমি দৌরে আয়নার সামনে গেলাম,, আমার পুরো ঠোটে ছরানো ছিটানো লিপস্টিক লেগে আছে,, যা সালার সব মানসম্মান গেলো,, মিম আমাকে হালকা করে ধাক্কা দিয়ে বললো,কি ভাবছিস,, আমিঃআপনি আমায় ছুবেন নাতো,, মিমঃতোর সব কিছুই ছোয়া শেষ, এখন আর কিছু ছোয়ার বাকি নেই,, আমি রাগ করে বের হয়ে বারান্দার দিকে যেতে লাগলাম তখন মিম পিছন থেকে ডেকে বললো, মিমঃ ওদিকে কই যাচ্ছিস,, এসে গোসল কর,, আমিঃকেনো,আমি গোসল করবো কেনো,, মিমঃরাতে দুজনের ভিতর কত কিছু হলো,,, তা মনে নেই,, তাই গোসল করতে হবে,, আমি জেদ করে কাপর ছারাই বাথরুমে ঢুকলাম,, এমনিতেও গোসল করতাম,, মাথা প্রচুর গড়ম হয়ে আছে, তাই ঝর্নার পানি ছেরে দিয়ে তার নিচে বসে পরলাম, গোসল করার পর খেয়াল হলো,, , ,আমি যে কাপর নিয়ে আসিনি,, . আমিঃশুনছেন, মিমঃবল,, আমি ঃআমি কাপর আনিনি,দয়া করে কাপরটা দিয়ে যান,, মিমঃতুই দরজা খোল দিচ্চি,, আমি দরজা ফাকা করতেই মিম কাপর হাতে ঢুকে পরলো,, মনে হয় পাশেই দারানো ছিলো,, আমিঃকি করছেন,বাহির হন,, রুমের দরজা খোলা, কেউ দেখে ফেললে আরো সমস্যা হবে, , মিমঃআমি দরজা লক করে দিয়ে এসেছি,, আমিঃ তো কি হইছে বের হন,,আমি গোসল শেষ করে বের হবো,,কি ব্যাপার জামা খুলছেন কেনো,, মিমঃগোসল করবো,, আমিঃআমি বাহির হোয়ে নেই,,, মিমঃনা,,দুজন এক সাথেই করবো,,এই বলে মিম আমাকে কাছে টেনে নিলো,, মনে হয় ওর মায়াতে আমাকে জড়িয়েই ছারবে,,, প্রায় ঘন্টাখানেক দুজন গোসল করলাম, বিছানায় শুয়ে আছি,প্রচুর ক্ষিদাও লেগেছে,,ভয়ে বের হতেও পারছি না,,কিভাবে যে সবাইকে মুখ দেখাবো,,,এই সব ভাবছি তখনি আমার ভাবনার সমাপ্তি ঘটিয়ে মিম গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে খাবার হাতে রুমে ঢুকলো,, ওতো দেখি বেস খুশিতেই আছে, কোনো টেনশনই দেখছি না ওর,, মিমঃহা কর,,, আমিঃক্ষিদে নেই আমার,,, মিমঃ তুই হা করবি নাকি আমি আবার রোমান্স করতে শুরু করবো,,, আমিঃআচ্ছা আপনার কি কোনো লজ্জা বলতে কিছু নেই,,, মিমঃসবার সাথে লজ্জা দেখাতে নেই,,এখন হা কর,, আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে আছি, আর ও আমাকে খাইয়ে দিচ্ছে,, বেসি ভালোবাসিরে তোকে পাগলি,, আমার রাগ সব পানি করে ফেলে। আমার কেনো জেনো জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হলো তুমি খেয়েছো কি না,, তাই জিজ্ঞেস করলাম,, জিজ্ঞেস করতেই মিম আমার চোখের দিকে তাকালো,,ওর চোখ দিয়ে এক দুফোটা করে পানি গড়িয়ে পরছে,,মিম হঠাৎ ই আমার বুকে জাপিয়ে পরে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলো, আমি মিমের মাথায় হাত ভুলিয়ে দিচ্ছি,, আমিঃকি হলো আবার আপনার, আরে কাঁদছেন কেনো,, মিমঃজানিস, তোকে কত ভালোবাসি আমি,, তোকে পাওয়ার জন্য আমাকে কত কিছু করতে হচ্ছে,,,, তোর এই আপনি আপনি করে বলাটা বেস কষ্ট দিচ্ছে আমায়,,তুমি করে বলনারে, আমিঃআচ্ছা তুমি করেই বলবো,, কিন্ত আপনারও আমাকে তুমি করে বলতে হবে,,, মিমঃহুমম বলবো,, আমিঃআচ্ছা এখন হা করো খাইয়ে দেই আমি,,, , বলতে দেরি কিন্তু হা করতে দেরি নেই আমি খাইয়ে দিচ্ছি আর ও খাচ্ছে,,, , খাওয়া শেষে ও প্লেট রেখে এসে আবার আমার বুকে শুয়ে পরলো, ওকে আমার বুকে পেয়ে এক অন্যরকম প্রশান্তি বিরাজ করছে মনে,,,মনে হচ্ছে ওকে এভাবেই সারা জীবন জরিয়ে ধরে রাখি,, ওকে খুব শক্ত করে বুকে জরিয়ে রাখলাম,,, ও আমার বুকে মুখ লুকাতে ব্যাস্থ হয়ে পরলো,, দূপুরে আর বের হলাম না, দুজন দুজনাকে জড়িয়ে ধরেই ঘুমিয়ে রইলাম,, বিকালে দরজা নক করার শব্দে ঘুম ভাঙ্গলো, আমি বেশ ভয় পেয়ে গেলাম,,,সবাই কি জিজ্ঞেস করে আর আমি কি বলবো,? আমি উঠতে চাইলে মিম বললো,, মিমঃ তুমি শুয়ে থাকো, আমি দেখছি, আমার ঠোটে একটা চুমু দিয়ে উঠে পরলো,, , দরজা খুলতে ছোয়া হাতে পান্জাবি পায়জামা,,,আর একটা লাল শাড়ি দিয়ে বললো,, ছোয়াঃ তোমাদের এগুলো পরে রুম থেকে বের হোতে বলেছে,,, আমি উঠে পাশে গিয়ে দারালাম,, ছোয়াঃও ভাইয়া তোমার জন্য এই পাগরি টা, মিমঃতার মানে আমাদের বিয়ে হচ্ছে,,ইয়াহু,, মিম খুশি তে আমাকে জড়িয়ে দরে মুখে কয়েকটা চুমু খেলো,, ছোয়াঃকি ব্যাপার বিয়ের আগেই কি বাসর করতে চাও নাকি, মিমঃতুই এখন যা,, , এই বলে মিম রুমের দরজা লক করে দিয় খুশি তে, শেষ বেস আর বলতে পারবো না,,, . মিম বায়না ধরেছে ওকে শাড়ি পরিয়ে দিতে,,, আমিঃআমি পারিনাতো,, মিমঃআমি বলছি তুমি ওই ভাবে করতে থাকো,, ওকে শাড়ি পরিয়ে দিয়ে আমিও রেডি হয়ে দুজন একসাথে সন্ধার আগ দিয়ে রুম থেকে বের হলাম,, বের হয়ে কিছুটা অবাক হলাম, আমাদের কাছের সব রিলেটিবরা এসে হাজির,,,, কাজিও বসে আছে,,, সবাই আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে,,, মিম আমার হাত শক্ত করে পেচিয়ে দরলো,কিছুটা সাহস পেলাম আমি,, আমাদের পাশাপাশি বসিয়ে বিয়ের কাজ সম্পুর্ন করা হলো,, মিমদের বাসায় নাকি আমাদের বাসর ঘড় সাজিয়েছে ছোয়া,, আমাদের নিয়ে গেলো সেখানে,,, বাসর ঘরে ঢোকার আগে ছোয়া আরো কিছু মেয়ে হাত পেতে বসলো,, পকেটে যা ছিলো তা সবই দিয়ে দিলাম,, . বাসর ঘরে ঢুকেই মিম আমাকে খাটে বসিয়ে দরজা লক করে দিলো,, আমিঃকি ব্যপার তুমি শাড়ি খুলছো কেনো,, মিমঃবাসর করবো, আমিঃসেতো কালই শেষ হলো,,, মিমঃ আরে না,কাল কিছুই হয় নি,,, ওটাতো তোমার বিয়ে আটকানোর একটা প্লান,,,,তবে কাল কিছু না হলেও এখন হবে,,, এই বলে মিম আমাকে খাটে ফেলে দিলো,, গা থেকে পান্জাবি টেনে খুলে কোথায় ফেললো তা আর দেখতে পেলাম না, দুজনেই ভালোবাসাতে বিভোর হোয়ে গেলাম,, . শুরু হলো ভালোবাসার এক নতুন অধ্যায়-- , -----ভুল ত্রুটি ক্ষমার চোখে দেখবেন,,----- . --------------------সমাপ্ত-----------------/-

কোনো মন্তব্য নেই for "গল্পটা তোমার আমার"

Berlangganan via Email