দেমাগি মেয়ের অপমান

দেমাগি মেয়ের অপমান ৬ষ্ঠ পর্ব লেখকঃ মোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর,,ঝিনাইদহ দৃষ্টি এখন চুপ থাক তো আমাকে আমার কাজ করতে দে কেমন? আমি আর কিছু না বলে চুপ হয়ে গেলাম।বউ সেবা করছে বেশি কথা বললে যদি বউ রেগে যায় তাহলে তো আমার খবর আছে।বউ এর সেবাও পাওয়া হবে না।আর বউয়ের হাতে হয়তো কিছু কিল ঘুষি খেতেও হতে পারে।মাথায় পানি দেওয়া শেষ করে দৃষ্টি আমার মাথা মুছে দিলো তারপর গা মুছে দিতে লাগলো। আমিঃআরে আমার কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমার কাজ করতে দে? আমিঃআমার সত্যি অনেক কাতুকুতু লাগছে। দৃষ্টিঃ আর একটু সহ্য কর,,প্রায় হয়ে গেছে দৃষ্টি আবার আমার গা মুছে দিতে লাগলো অন্যদিকে আমার কাতুকুতুতে আমি তো শেষ আমি একদম কাতুকুতু সহ্য করতে পারি নাহ। শরীর মোছা শেষ হয়ে গেছে দৃষ্টি বললো যা এবার তুই বিছানায় গিয়ে শুয়ে পর। আমিঃতুমি কোথায় শুবেবে?? দৃষ্টিঃ আমি পাশের রুমে গিয়ে শুয়ে পরবো। আমিঃকেনো আমার সাথেই থাকো?? দৃষ্টিঃ সেটা বয়েই গেছে তোর সাথে শুয়ে থাকার কোনো মানেই হয়না। আমিঃআচ্ছা আমি শোফার ঘুমাচ্ছি,,তুমি বিছানায় শুয়ে থাকো। দৃষ্টিঃ নাহ আজ আর তোকে শোফায় শুয়ে থাকতে হবে না।তুই বিছানাগ ঘুমা। আমিঃকিন্তু...... দৃষ্টিঃ কোনো কিন্তু নয় চুপচাপ শুয়ে থাক কেমন,আর শুন দরজা খোলা থাক,আমি মাঝে মাঝে এসে তোকে দেখে যাবো। আমিঃআচ্ছা তোমাকে আর কষ্ট করে আসতে হবে না। দৃষ্টিঃ চুপ থাক আমি কি করবো কি করবো না সেটা আমার ব্যাপার তোকে এতো না ভাবলেও চলবে। আমিঃকিন্তু তোমার তো রাত জাগার অভ্যাস নাই। দৃষ্টিঃ অই তুই এতো কথা বলছিস কেনো হুম। ঘুমা এবার? আমিঃআচ্ছা বউ গুড নাইট,, দৃষ্টিঃ আচ্ছা গুড নাইট তারপর দৃষ্টি চলে গেলো।আমি বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লাম।অনেক দিন পর বিছানায় শোবার সুযোগ এসেছে আহা কতদিন বিছানায় ঘুমাই না। বউ এতো ভালো হলো কেনো?নাকি এই ভালো হবার পিছনে অন্য কোনো কারন আছে?? নাহ বাবা এখন আর এতো ভেবে কোনো কাজ নেই পরের টা পরেই দেখা যাবে এখন ঘুমাই।ঘুমিয়ে পড়লাম পরদিন সকালে দৃষ্টি এসে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুললো দৃষ্টি এসে আমাকে ডেকে তুললো দৃষ্টিঃ মামুন এই মামুন উঠ আর কত ঘুমাবি?? আমিঃহুম আর একটু ঘুমাবো। দৃষ্টিঃ নাহ সেটা চলবে না তাড়াতাড়ি উঠ,ফ্রেশ হয়ে কিছু খেয়ে নে তোকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাবো। আমি উঠতে উঠেতে বললাম কেন ডাক্তারের কাছে যাবো কেনো। দৃষ্টিঃ আরে অই হাদারাম কাল যে তোর এতো জ্বর ছিলো সেটা ভুলে গেল সারা রাত আমাকে একটু ঘুমাতে দেস নাই।আমি আজ আর জাগতে পারবো না।তাই তোকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাবো। আমিঃঅহহ আচ্ছা ঠিক আছে আমি এক্ষুনি ফ্রেশ হয়ে আসছি। দৃষ্টিঃ হুম তাড়াতাড়ি করবি। আমিঃআচ্ছা বউ সোনা বউ একটা কথা বলি?? দৃষ্টিঃ হ্যা বল? আমিঃতোমাকে একটা চুমু দেই? দৃষ্টিঃ তবেরে হারামজাদা দারা দেখাচ্ছি তোর মজা। আমি ভয় পেয়ে তাড়াতাড়ি ওয়াশরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিলাম।ফ্রেশ হয়ে বের হয়ে দেখি দৃষ্টি রুমে নেই গেলো কই মেয়েটা? নিচে গিয়ে দেখি তো? হ্যা আমার সন্দেহ ঠিক দৃষ্টি নিচে ছিলো দেখি দৃষ্টি শশুরের সাথে কি নিয়ে জেনো কথা বলছে।আমাকে দেখে দৃষ্টি বললো চল খেতে চল আর আব্বু তুমিও চলো খাবো তারপর সবাই মিলে খেতে বসে গেলাম।খাওয়া দাওয়া শেষ করে আবার রুমে চলে গেলাম।দৃষ্টি রুমে এসে বললো অই তুই একটু বেরো তো? আমিঃকেনো বের হবো কেনো?? দৃষ্টিঃ আমি চেঞ্জ করবো? আমি;তো আমার সামনেই করো না।আমি না তোমার স্বামী,, দৃষ্টিঃ দেখ বেশি কথা বলবি না।বের হতে বলেছি তুইই বের হবি। আমিঃআচ্ছা বের হচ্ছি দৃষ্টিঃ হুম আর শুন তুই অন্য রুমে গিয়ে রেডি হয়ে নে কেমন? আমিঃআচ্ছা ঠিক আছে তারপর আমি জামা কাপড় নিয়ে অন্য রুমে চলে গেলাম।আমার তো ৫ মিনিট লাগলো রেডি হতে কিন্তু দৃষ্টির তো হতেই চাচ্ছে না। অনেকক্ষন পর দরজা খুললো বাহ বাহ এটা আমি কাকে দেখছি একটা নিল পরি দৃষ্টি একটা নীল শাড়ি পরেছে। একদম নীল পরীদের মতো লাগছে। আমি দৃষ্টির দিকে হা করে তাকিয়ে আছি। দৃষ্টিঃ আরে কি দেখিস অমন করে। আমিঃ নীল পরী। দৃষ্টিঃ পরী মানে?? আমিঃআমার বউ তো একটা পরী। দৃষ্টিঃ অই তোর নেকা নেকা কথা বন্ধ কর। আমিঃঅই তুমি আমার কথা শুনলে এমন কেনো করো?? তোমার কি ইচ্ছা করে না আমার সাথে ভালো ভাবে কথা বলতে?? দৃষ্টিঃ না তোর সাথে ভালোভাবে কথা বলতে আমার ইচ্চা করে না।চল এবার আমিঃনা আমি যাবো না.. দৃষ্টিঃ আবার কি হলো?? আমিঃভালো করে বলো.. দৃষ্টিঃ ভালো করে মানে কিভাবে বলবো?? আমিঃতুমি করে বলো,, দৃষ্টিঃ উফফ তোকে নিয়ে আর পারি না।আচ্ছা চলো এবার। আমিঃঠিক আছে সোনা বউ চলো। দৃষ্টি আর আমি বের হলাম।ডাক্তার দেখানোর পর দৃষ্টি আমাকে বললো আচ্ছা চলল আজকে তোমে একটু শহর ঘুরে দেখাই। আমি তো মনে হয় আকাশ থেকে পড়লাম দৃষ্টি এই কথা বলবে সেটা তো আমি কল্পনাও করতে পারি নাই। যাই হোক বলেছে যখন তখন আর এই সুযোগ হাত ছাড়া করবো না। আমিঃআচ্ছা চল কোথায় নিয়ে যাবা?? দৃষ্টিঃ অনেক যায়গায় যাবো তুই শুধু চুপচাপ বসে থাকবি তারপর আমি আর দৃষ্টি অনেক যায়গায় ঘুরলাম।রাত করে বাসায় ফিরলাম। বাসায় আসার পর আমাকে আর দৃষ্টিকে দেখে শশুর শাশুড়ি তো মনে হয় অনেক খুশি হয়েছে। শশুরঃকি ব্যাপার দুজনকে এতো খুশি লাগছে কেনো?? আমিঃনা মানে আব্বু আজকে বউয়ের সাথে অনেক ঘুরলাম তো তাই.. শশুরঃআচ্ছা যাও ফ্রেশ হয়ে আসো সবাই খাবো দৃষ্টিঃ না বাবা আজকে আর খাবো না।আমার খুব ক্লান্ত লাগছে। আমিঃআব্বু আমিও খাবো না,আমারো খুব খারাপ লাগছে শশুরঃএমন বউ পাগলা হয়েছে যে বউউ খাবে না বলে উনিও খাবে না। কথাটি শুনে আমি কিছুটা লজ্জা পেলাম। তারপর আমি আর দৃষ্টি মিলে রুমে চলে গেলাম। ফ্রেশ হয়ে এসে বসে আছি তখন দৃষ্টিঃ এই তুই। ঔষধ খেয়েছিস?? আমিঃনাহ কি করে খাবো ঔষধ খাবাফ আগে যে কিছু খেতে হয়? দৃষ্টিঃ তাহলে যা নিচে গিয়ে কিছু খেয়ে আয়। আমিঃতাহলে তুমিও চলো. দৃষ্টিঃ আমার খেতে ইচ্ছা করছে না তুই যা খেয়ে আয়। নাহ আমি তোমাকে ছাড়া কিচ্ছু খাবো নাহ। দৃষ্টিঃ আচ্ছা চল আমিও খাবো আমিঃএই তো আমার লক্ষি বউ আমাকে কত ভালোবাসে। দৃষ্টিঃ মোটেও না আমার খিদে পেয়েছে তাই আমি খাবো। আমিঃআচ্ছা চলো আগে খেয়ে তো আসি। খেয়ে দেয়ে ঔষধ খেয়ে আমি আগের ন্যায় শোফার শুয়ে পড়লাম। ১০ দিন পরের কথা এখন দৃষ্টি আর আমার মাঝে বেশ ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গেছে অফিসের কাজের জন্য আমি দৃষ্টিকে আর দৃষ্টি আমাকে সাহায্য করে। সেদিন আমি আর দৃষ্টি এক সাথে অফিস থেকে ফিরলাম। দেখি শশুর মশাই আর একজন উকিল বসে আছে।শশুর আমাদের দেখে বললো তোমরা এসেছো যাও তাড়াতাড়ি ফ্রেশ হয়ে একটু নিচে আসো কথা আছে তোমাদের সাথে কথা আছে আমি আর দৃষ্টি দ্রুত ফ্রেশ হয়ে এলাম তারপর শশুরঃআমার তো অনেক বয়স হয়ে গেছে তাই আমি চাই এখন তোমরা সব কিছুর দায়িত্ব বুঝে নাও দৃষ্টিঃ আব্বু তুমি কিসের কথা বলছো?? শশুরঃআমি আমাদের সব সম্পত্তি তোমাদের দুজনের নামে লেখে দিতে চাই। আমিঃআব্বু আমার কিছু কথা আছে?? শশুরঃহ্যা বাবাজি বলো আমিঃআব্বু আমি চাই সব সম্পত্তি আপনি দৃষ্টির নামে লেখে দেন।দৃষ্টি তো আমার সোনা বউ আমি জানি দৃষ্টির যা তা আমারো তাই যদি আপনার দিতে এতোই ইচ্ছা করে তবে দৃষ্টিকে সব দিয়ে দিন শুধু শুধু সম্পত্তি দুই ভাগ করার কোনো দরকার নেই। দৃষ্টিঃ হ্যা বাবা ও ঠিক বলেছে আমার যা তা তো ওরি। শশুরঃকিন্তু আমি যে তোদের দুজনের নামে কাগজ পত্র রেডি করে এনেছিলাম। আমিঃআব্বু সেটা বাদ দিন নতুন করে কাগজ পত্র বানাতে দিন। শশুরঃহ্যা এখন তো দেখছি সেটাই করতে হবে। তারপর উকিলকে বললো নতুন করে কাগজ বানিয়ে আনতে। ৪দিন পর উকিল আবার নতুন কাগজ নিয়ে আসলো শশুর মশাই তার সমস্ত সম্পত্তি তার একমাত্র মেয়ে আর আমার এক মাত্র বউয়ের নামে লেখে দিলো। দৃষ্টি সম্পতি পেয়ে এতো খুশি যে বলে বোঝানো যাবে না। দৃষ্টি তো সব কাগজ পত্র নিয়ে নাচতে নাচতে রুমে চলে গেলো।আর এদিকে দৃষ্টিকে এতো খুশি দেখে আমারো খুব আনন্দ হচ্ছে।আমিও দৃষ্টির পিছু পিছু রুমে চলে গেলাম। আমিঃতাহলে সোনা বউ এখন থেকে সব কিছু তোমার। দৃষ্টিঃ অই ফকির কে তোর বউ শুনি?? আমিঃএই তুমি এমন ভাবে কথা বলছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ভাবে কথা বলবো গাইয়া ফকির একটা... আমিঃএই তোমার হয়েছে টা কি?মাথা ঠিক আছে তোমার তুমি এমন করছো কেনো?? দৃষ্টিঃ তো কি তোর সাথে ভালো ব্যাবহার করবো। হাহাহা এতো দিন কেনো ভালো ব্যাবহার করেছি তুই জানিস এই সম্পত্তির জন্য.. আমিঃমানে তুমি কি বলছো এই সব?আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। দৃষ্টিঃ তাহলে শুন তোকে যেদিন আমি দৌড় করিয়ে বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলাম সেদিন আব্বু আমাকে বলেছিলো তার সমস্ত সম্পদ তিনি দুইভাগে ভাগ করবে না তার সমস্ত সম্পদ তিনি তোকে দিবে।সেদিন আমি খুব অবাক হয়েছিলাম কেনো জানিস?আমি তার একমাত্র মেয়ে হওয়া সত্ত্বেও তিনি আমাকে সব সম্পদ না দিয়ে তোকে দিতে চেয়েছিলো।আর আব্বু এটাও বলেছিলো তোর সাথে যদি আমার সব ঠিক থাকে তবে সম্পত্তি দুই ভাগ হবে।তাই আমি এই সব নাটক করেছি যাতে করে আব্বু আম্মু বুঝিতে পারে তোর সাথে আমার স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে আর দেখ সেটা বুঝাতে আমি সক্ষম হয়েছি।আর তুই বোকার মত সেদিন বলেছিলি যে তোর কোনো সম্পত্তি চাই না।সব যেনো আমাকে দিয়ে দেয় হাহাহা তোকে অনেক ধন্যবাদ।আমার সমস্ত সম্পত্তি আমাকে পেয়ে দিতে সাহায্য করার জন্য। দৃষ্টির কথা গুলো শুনে অনেক কষ্ট হচ্ছিলো এতো কষ্ট হচ্ছিলো সেটা বলে বোঝানো যাবে না।ইচ্ছা করছিলো দৃষ্টিকে ঠাটিয়ে একটা চড় মারি কিন্ত অনেক ভালোবেসে ফেলেছি তো মেয়েটাকে কি করে চড় মারতে পারবো।আমার যে সেই শক্তি নেই। আমিঃ দৃষ্টি তুমি কি আমার সাথে মজা করছো?? দৃষ্টিঃ তোর সাথে মজা করতে যাবো কোনো দুঃখে? শুন তোকে আমি ইচ্ছা করলে এই বাসা থেকে বের করে দিতে পারি। কিন্তু আমি তা করবো না,হাজার হলেও তুই আমার সম্পত্তির উপর লোভ দেখাস নাই।তাই তোকে আমি এই বাসাতেই রেখে দিবো। আমিঃতুমি চাইলেও আমি তোমাকে ছাড়ছি না সোনা বউ। দৃষ্টিঃ অই বউ বউ করবি না,,তোর মত ফকিরের বউ হবার আমার কোনো ইচ্ছা নাই।এতো দিন তোরর সব কথা হজম করেছি শুধু মাত্র এই সম্পত্তির জন্য।এখন সেটা আমি পেয়ে গেছি তাই এখন আর কোনো কথা আমি সয্য করবো না। আমিঃবউ আমার এমন কথা বলে না জানো না তোমার স্বামী তোমাকে কত ভালোবাসে?? ঠাস ঠাস দুইটা পড়লো আমার গালে। দৃষ্টিঃ আব্বে অই ফকির তরে আর কতবার বলবো যে আমি তোর বউ না। তোর কি এমন যোগ্যতা আছে আমার স্বামী হবার। আমি দৃষ্টির হাতে চড় খেয়ে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছি। দৃষ্টিঃ কিরে অমন ভাবে দাঁড়িয়ে আছিস কেনো? দূর হ আমার চোখের সামনে থেকে.. আমিঃকোথায় যাবো আমি?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে পাশের যে রুম আছে সেটাই তুই থাকবি।আর শুন তোকে কিন্তু বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াতে পারবো না।তুই এই বাসায় থাকবি সেটা ঠিক কিন্তু তোর খাবার তোকেইই রান্না করে খেতে হবে। আমিঃকেনো কেনো?? দৃষ্টিঃ এখন থেকে আমি যা বলবো তাই হবে সো আমি তোকে খাওয়াতে পারবো নাহ সব কথা দৃষ্টি চিৎকার করে বলছিলো দৃষ্টির সব কথা শুনে শশুর এসে দৃষ্টিকে জোরে একটা থাপ্পড় দিয়ে বললো ছিঃ তুই এতো নিচে নেমে গেছিস তোকে আমার মেয়ের বলতেও ঘৃন্য লাগে। দৃষ্টিঃ ঘৃন্য লাগে তাহলে আর মেয়ে বলে পরিচয় দিতে হবে না। শশুরঃহ্যা তাই করবো আজ থেকে জানবো আমার কোনো মেয়ে ছিলো না,, কোনো মেয়ে নেই... দৃষ্টিঃ ভালো বলেছো,,তা অন্য একটা মেয়ের বাসায় থাকতে তোমার লজ্জা করবে না?? শশুর;কি বললি তুই?এমন কথা বলতে পারলি?? ঠিক আছে আজকেই আমি আর তোর আম্মু এই বাসা ছেড়ে গ্রামে চলে যাবো থাকবো না এই বাসায়। দৃষ্টিঃ হ্যা তাই যাও কে তোমাদের আটকাচ্ছে?? শশুর আর কোনো কথা না বলেই চলে গেলো আর দৃষ্টি আমাকে বললো এইবার তুই দূর হবি নাকি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করবো আমার রুম থেকে?? আমিঃথাক তার আর দরকার হবে না।তবে একটা কথা তুমি তোমার আব্বুকে যে কথা বললে দেখো একদিন এই কথাএ জন্য তোমাকে কতবড় শাস্তি প্বতে হয়। দৃষ্টিঃ শাস্তি পেতে হলে আমি পাবো সেটা নিয়ে তকে ভাবতে হবে না ছোটলোক কোথাকার। আমি আর দৃষ্টির রুমে না থেকে বাহিরে চলে এলামমঃ বাহিরে এসে দেখি শশুর শাশুড়ি অল্প কিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমি তাদের কাছে গিয়ে বললাম আপনারা প্লিজ যাবেন না।দৃষ্টি এখনো ছোট ও কি বলতে কি বলে ফেলেছে?? শশুরঃথাক বাবা আর কোনো কথা না এই বাসায় থাকার চেয়ে গাছ তলা গিয়ে থাকবো তাও অনেক ভালো হবে অনেক বুঝানোর পরো তাদের আটকাতে পাড়লাম না। তারা চলে গেলো। আমি তাদের এগিয়ে দিয়ে আসলাম বাসায় এসে দেখি দৃষ্টি আগের মত সেই ছোট জামা পরেছে। আমি;এইই তুমি এইসব কি পরেছো?? দৃষ্টিঃ কেনো চোখে দেখতে পাস না... আমিঃতা দেখতে পাচ্ছি যাও এই গুলো চেঞ্জ কররে অন্য কিছু পরো দৃষ্টিঃ অই আমি কি তোর কথা মত চলবো নাকি?? চলবে

কোনো মন্তব্য নেই for "দেমাগি মেয়ের অপমান"

Berlangganan via Email