কালো মেয়ের ভালোবাসা

গল্প:কালো মেয়ের ভালোবাসা,লেখক:মোঃ আসাদ রহমান সজীব : এই যে শোনছেন? নাহ কোনো উত্তর নাই আবার ডাক দেয়,, সজীব : এই যে কালো রাণী আপনাকেই বলছি! ( কালো রাণী বলা মাত্র ঘুরে তাকায় মেয়ে টা) কারন কালো বলে এই ভার্সিটিতে কালো নামে উপাধি পাইছে মেয়ে টা? মেয়েটা : জ্বী আমাকে বলছেন? সজীব : হুম আপনাকেই বলছি? মেয়েটা : সরি আমি ভাবছিলাম অন্য কাউকে ডাকছেন। সজীব : তো এখানে কি অন্য কেউ আছে যে তাকে ডাক দিবো। মেয়েটা : না মানে এভাবে তো কেউ আমাকে ডাক দেয় না তাই আর কী! সজীব : কেন সবাই কি কালো বলে ডাকে নাকি? একটু মজা করে বলে। কিন্তু কথাটা শোনে মেয়েটার হাস্যউজ্জল মুখটা আরো কালো হয়ে যায়। ব্যাট সজীব এটা বুঝতে পেরে তখন সাথে সাথে বলে" সজীব : সরি বুজতে পারিনি আপনি কথাটা শোনে এতটা কষ্ট পাবেন! মেয়েটা : না! কোনো সমস্যা নাই। আর কালো বলে কালো নামেই তো ভার্সিটিতে উপাধি হয়েছে আমার? সজীব : বললাম তো সরি। আচ্ছা আপনার নামটা কি জানতে পারি। মেয়েটা : ইট্স ওকে? আর আমার নাম ( ইতি ইসলাম,, মা বাবা ইতি বলেই ডাকে) সজীব : আমি সজীব আহম্মেদ? মা বাবা সজীব বলেই ডাকে। আচ্ছা আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি? এতখন মেয়েটা নিচের দিক চেয়ে কথা বলছিলো! সজীবের কথাটা শোনে উপরের দিক তাকায় সে। তখন সজীব খেয়াল করে মেয়েটার চোখটা অনেক সু্ন্দর! এবং মুখটাও মায়ায় ভরা। ঠিক সজীবের স্বপ্নের কালো রাণী যাকে নিয়ে সে স্বপ্ন দেখতো? যে আমার একটা কালো রাণী হবে। তার চোখ দুটি হবে হঁরিণের মত। মুখ টা হবে মায়ায় ভরা ঠিক যেনো তার স্বপ্নের কালো রাণী ই তার সামনে দাড়িয়ে আছে!! ইতি: হা হা হা! আপনি হবেন এই কালো মেয়ের ফ্রেন্ড? যে কিনা পুরো ভার্সিটিকে মাতিয়ে রাঁখে! এবং স্মার্ট বয় সে হবে কালো একটা মেয়ের ফ্রেন্ড। ভাবতেই হাঁসি পায়? সজীব : দেখেন আমি এত কিছু বুঝি না আপনি আমার বন্ধুত্ব গ্রহন করবেন কি না তা বলেন! আর হ্যা আপনার চোখ দুটি কিন্তু অনেক সু্ন্দর। এবং মুখটায় ও মায়ায় ভরা! ( কিছুক্ষণ কী যেনো ভেবে তার পর বললো) ইতি: আচ্ছা ঠিক আছে! তবে একটা শর্ত আছে সজীব : হুম বলেন কি শর্ত? ইতি: শর্তটা হলো! আমরা দুজনেই তুই করে বলবো? সজীব : ওকে? ইতি: তা হলে আজ থেকে আমরা দুজনে ফ্রেন্ড!!! ( হাত টা বাড়িয়ে দিয়ে) সজীব : ওকে? কিন্তু আরো দুজন যোগ হলে কি কোনো সমস্যা আছে! ইতি: আর কারা আবার! সজীব:না মানে ( রাছেল আর কাউছারের কথা বলছি আর কি। ইতি: কিন্তু,, সজীব : কোনো কিন্তু নয় । তুই রাজি হলেই আমি সব ম্যানেজ করে নিবো। ইতি: আচ্ছা তুই যেহেতু বলসিস ঠিক আছে। সজীব : ওকে চল এখন ক্লাসে যাই। ক্লাস শেষ করে তারপর তাদের সাথে তকে পরিচয় করে দিবো! ইতি: ওকে চল,, সজীব মনে মনে অনেক খুশী। কারন ইতি তার বন্ধুত্বটা গ্রহন করেছে। এখন তার স্বপ্নের রাণী বানানোর পালা,, ক্লাস শেষে কাউছার আর রাছেলকে বলে বাহিরে দাঁড়াতে তার কিছুক্ষণ পরেই ইতি আসে! তারপর ইতিকে সজীব পরিচয় করে দিলো তাদের দুজনের সাথে,, সজীব : ইতি? এরা হলো কাউছার আর রাছেল আমার বেস্ট ফ্রেন্ড,, তারপর যের যেমনে পরিচয় হয়ে যায়? এরপর থেরে শুরু হয় সজীবের আরো বেশি পাগলামি! মজা মাস্তি আড্ডা ঘুরা ফেরা পুরো ভার্সিটিকে যেনো আরো বেশি মাতিয়ে তুলে তারা!!! , সজীব, রাছেল, কাউছার, আর ইতি এভাবে চলতে চলতে ছয়টা মাস চলে যায় তাদের বন্ধুত্ব্যর? একদিন রাতে ইতি ভাবতে থাকে? আগে যেই মেয়েটা ভার্সিটিতে এসে গোমরা মুখ করে একা একা বসে থাকতো। কালো বলে যার কোনো বন্ধুই ছিলো না পুরো ভার্সিটিতে! সে এখন ভার্সিটিতে এসে অনেক হাসি খুশি থাকে। এবং এখন ভার্সিটিতে তার অনেক বন্ধুই হয়েছে। আর এসব শুধু হয়েছে সজীবের কারনে? এসব ভাবতে ভাবতে সজীবের প্রতি অনেকটাই দূর্বল হয়ে পড়ে ইতি,, তার পরক্ষনেই ভাবে ইতি? আমি তো কালো আর সজীব হলো অনেক স্মার্ট সে আমাকে কখনো ভালোবাসবে না। কারন আমার চেয়ে অনেক সু্ন্দরি মেয়ে পাবে সজীব। ভালোবাসা না পাই তার বন্ধু হয়ে থাকতে তো পরবো? এতেই কম কিসে, এসব ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ে ইতি? অার অন্য দিকে সজীব ও ভাবতে থাকে। আজ আমাদেরবন্ধুত্বের ছয়টি মাস পার হয়ে গেলো। এখনো ইতি কে তার মনের কথা খুলে বলতে পারেনি সে? না কাল ই সব বলবো তাকে। এবং ক্যাম্পাসে সবার সামনে, হ্যা সবার সামনে এসব ভাবতে ভাবতে সজীব ও ঘুমিয়ে পড়ে? পরের দিন সজীব ভার্সিটিতে গিয়ে দেখে ইতি ক্যাম্পাসের সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এই সুযোক তাকে বলার! সজীব : এদিকে আয় তো ইতি তর সাথে কিছু কথা অাছে! ইতি: হুম বল কি কথা। কিছুক্ষণ নিরবতার পর সজীব বলা শুরু করে! হাতের গোলাপটা সামনে এনে বলে! সজীব: ইতি আমি তর ওই কাজল কালো হঁরিণি চোখের অনেক আগেই প্রেমে পড়ে গেছি।, আমি তর ওই মিষ্টি হাসির প্রেমে পড়ে গেছি অনেক আগেই"! আমি তর ওই মায়ায় ভরা মুখের প্রেমে পড়ে গেছি অনেক আগেই"! দিবি কি একটু তকে ভালোবাসার অধিকার আমায়! দিবি কি তর পাশে থেকে সারাটা জীবন হাতে হাত রেখে সামনের পথ চলার। কথা দিলাম তকে ছেড়ে কোথাউ যাবো না অনেক অনেক ভালোবাসবো তক!!! ভালোবাসি ইতি তকে ভালোবাসি তখন পুরো ক্যাম্পাস থ হয়ে গেছে। যে সজীবের মত একটা ছেলে ইতির মত একটা মেয়েকে ভালোবাসে! অন্য দিকে ইতিও কিছু বলতে পারছে তার চোখ থেকে শুধু পানি ঝরছে! এটা কোনো দুঃখের কান্না নয় বরং সুখের কান্না। যে সজীবও তাকে এত্ত এত্ত ভালোবাসে? পরক্ষনে সজীব আবার বলে। কিরে দিবি না আমায় এই টুকু অধিকার! ইতি সজীবকে তখনই জড়িয়ে ধরে বলে । যে আমাকে এত্ত ভালোবাসে তাকে কিভাবে আমি না করি বল। আমিও যে পাগলটাকে অনেক অনেক ভালোবাসি,,,, সজীবও পরম মমতায় তাকে জড়িয়ে দরে কপালে ভালোবাসার ছোয়া একে দেয়? তখন পোরো ক্যাম্পাসের ছাত্র ছাত্রী জোড়ে হাত তালি দেয়,,,,,,,,,,, , ভালোবাসতে কোনো সু্ন্দরি রুপুশি লাগে না! ভালোবাসতে সু্ন্দর দুটি মনের মিল হলেই হয়! আমি এখনো সিংগেল,

কোনো মন্তব্য নেই for "কালো মেয়ের ভালোবাসা"

Berlangganan via Email