বেঁচে আছি সপ্ন নিয়ে

< Session 2 > ** ৮ম পর্ব ** লেখাঃ(Asad Rahman ) - দুপুর গড়িয়ে বিকেল প্রায় সাড়ে ৫ টা । হৃদয়ের গাড়ি এসে থামে বাসার সামনে । - আরে তুমি , এইখানে (হৃদয়) - হুম চলে এলাম (ইমতি) - কখন আসছো (হৃদয়) - ঠিক ১২ টার আরেকটু আগে (ইমতি) - তাই ,,,,, তা এতো সময় করলে টা কি (হৃদয়) - এই তো বসেই ছিলাম , গান শুনলাম , গল্প টাইপ করলাম (ইমতি) - খেয়েছো (হৃদয়) - হুম রান্না করা ছিলো দেখলাম , খেয়ে নিলাম (ইমতি) - আচ্ছা বসো ফ্রেশ হয়ে আসি (হৃদয়) - অমনি হাত টা ধরে ফেলে ইমতি , - আরে দাড়াও (ইমতি) - কি (হৃদয়) - একটু আদর তো করো (ইমতি) - ফ্রেশ হয়ে আসি , (হৃদয়) - ওয়েট করা , আমার ভালো লাগে না হৃদয় , আগে একটু আদর করো (ইমতি) - আহহহহহহহহ ইমতি , এমন করতেছো কেনো , বললাম না ফ্রেশ হয়ে আসি (হৃদয়) - আচ্ছা যাও (ইমতি) - হুম (হৃদয়) - এতো টাইম অবদি হৃদয়ের খেয়ালেই নেই যে , এই ঘর টায় নীলা নামে কেউ থাকে । সে হয়তো ভুলেই গেছে সব টা। - ফ্রেশ হতে নিচে যায় , - কি ব্যাপার গল্প দিয়েছো (হৃদয়) - হুম দিলাম (ইমতি) - আরেকটু পর পড়বো , আচ্ছা ইমতি কথা ছিলো একটা (হৃদয়) - হুম বলো (ইমতি) - হঠাৎ বৃষ্টি কে কতদিন ধরে চিনো (হৃদয়) - এই তো প্রায় এক বছরের কাছাকাছি , খুব ভালো লেখে (ইমতি) - আসলেই অনেক ভালো লিখে (হৃদয়) - আচ্ছা শুনো না আমি এখন চলে যাই (ইমতি) - চলে যাবে ? (হৃদয়) - হুম , আজ আসি (ইমতি) - আচ্ছা , সাবধানে যেও (হৃদয়) - এতো টা সময় পার হয়ে গেলো অথচ হৃদয়ের নীলার কথা মনে নেই । সে এতই ইমতি তে মজে ছিলো যে এই ঘরে আরেকজন মানুষ থাকে তার সেই ধারণাই নাই । - রাত প্রায় ৮ টার কাছাকাছি , এইবার হৃদয়ের খেয়াল হয় নীলার কথা । - এতো টাইম নীলাকে দেখলাম না , কোথায় গেলো মেয়েটা (হৃদয়) - নীলার রুমের কাছে গিয়ে দরজায় নক করে হৃদয় । কয়েকবার নকের পরে নিজেই দরজা খুলে ভেতরে যায় । - নীলা এই নীলা, আছো ? নীলা, কোথায় তুমি , নীলা (হৃদয়) - কি ব্যাপার কোথায় গেলো মেয়েটা । বাবা মায়ের বাসায় গেলে তো , বলে যায় , আজকে কি হলো ? এখন কোথায় খুজবো , (হৃদয়) - তারাতারি নিচে নেমে কিচেন , লাইব্রেরি , ছাদ সব দেখা শেষ করে সে । কিন্তু এইখানে কোথাও নাই নীলা। কোথায় যাবে হুটহাট করে । এইদিকে মোবাইল ও অফ , ব্যাপার কি ? - বাসার বাহিরে বেরিয়ে এদিক সেদিক খুজতেছে । হঠাৎ করেই বাগানের দিকে নজর পরে , বেলী ফুলের গাছ টার কাছে কি যেনো পরে আছে মনে হচ্ছে । হৃদয় এগিয়ে যায় , আর যা দেখে , রীতিমত ভিমরি খেয়ে যায় সে । নীলা পরে আছে জ্ঞানহীন ভাবে । - নীলা , এই মেয়ে , নীলা চোখ খুলো , ও এইখানে কিভাবে এলো (হৃদয়) - দাড়োয়ান , এই দাড়োয়ান (হৃদয়) - জ্বি ছোট সাহেব (দাড়োয়ান) - ও এইখানে কি করছে , আর তুমি কিছু দেখো নাই (হৃদয়) - হায় হায় রে ভাবি নি এমনে পইরা আছে , আহারে সেই দুপুরে কইছিলাম আমার রুমে যাইয়া বহেন ভাবি আমি তো বাহিরেই ডিউটি তে আছি , কিন্তু কে হুনে কার কথা (দাড়োয়ান) - ডাক্তার কে খবর দাও (হৃদয়) - আধা ঘন্টা পরে , - কি হয়েছে ওর আংকেল (হৃদয়) - অনেক্ষণ রোদে ছিলো , মনে হয় তো সান স্ট্রক (ডাক্তার) - ওহ , ক্ষতির কিছু হয় নি তো (হৃদয়) - নাহ , খায় নি কিছু ? (ডাক্তার) - জ্বি মানে আসলে আংকেল আমি তো ছিলাম না তাই বলতে পারছি না (হৃদয়) - কি বলো , তোমার বউ আর তুমিই জানো না , এতো কেয়ারলেস হলে চলে , নেক্সট টাইম খেয়াল রেখো (ডাক্তার) - এখন (হৃদয়) - কিছুই করতে হবে না , ঘুমাক কিছুক্ষন , তারপর উঠলে খাইয়ে দিও (ডাক্তার) - আচ্ছা (হৃদয়) - আচ্ছা আসি তাহলে (ডাক্তার) - হ্যালো (হৃদয়) - জ্বে ছোট সাহেব (দাড়োয়ান) - উপরে আসো (হৃদয়) - জ্বে (দাড়োয়ান) - ক্লিয়ার করে সব বলো (হৃদয়) - কি বলুম ছোট সাহেব (দাড়োয়ান) - ও ওইখানে কি করতেছিলো , আর তুমিই বা কেনো ওকে তোমার রুমে থাকতে বলেছো (হৃদয়) - আসলে ছোট সাহেব (দাড়োয়ান) - কি আসলে , বলো কি আসলে (হৃদয়) - তাহলে শুনেন ছোট সাহেব.................... (দাড়োয়ান) - আজ আসি আবার কাল আসবো সে অবদি সবাই ভালো থাকবেন আর সবাইকে ভালো রাখবেন । ** চলবে ** বিঃদ্রঃ অনেকেই বলছেন যে গল্পটা এখনো ভালো করে বুজতে পারেন নি, পুরো গল্পটা আগে পরুন আশা করি সবই বুজতে পারবেন। আর হ্যা ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করেরে পাশে থাকবেন,আপনার একটি লাইক একটি কমেন্ট আমাকে গল্প লিখার উৎসাহ বারিয়ে দেয়।

কোন মন্তব্য নেই

diane555 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.