Sponsor

banner image

recent posts

X গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস 2019

X গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস লেখক : মো: আসাদ রহমান কোটচাঁদপুর, ঝিনাইদহ আম্মুঃ সুমন উঠ বাবা  আমি; আরেকটু ঘুমাই না প্লিজ আম্মুঃ ইন্টার্ভিউ দিতে যাবি না? লেট হয়ে যাবে তো। আমিঃ হুম যাব। আমি উঠে গেলাম।  আম্মুঃ ফ্রেশ হয়ে খাইতে আয় আমিঃ তুমি যাও আমি আসতেছি।  আম্মুঃ যলদি আম্মু চলে গেল। আমি ওয়াশরুমে ডুকলাম। এতক্ষনে তো নিশ্চই বুঝছেন আমি কে? তারপর ও বলছি আমি সুমন । যার সাথে কথা বলতেছিলাম সে আমার প্রানপ্রিয় আম্মু। যাহোক আমি ফ্রেশ হয়ে খাইতে গেলাম। খাইয়া রুমে এসে রেডি হয়ে নিলাম। তারপর ইন্টার্ভিউ দেওয়ার উদ্দেশ্যে বেড় হলাম। বিশাল বড় কোম্পানি। পৌছে গেলাম অফিসে। একে একে সবার ইন্টার্ভিউ নেওয়া হলো। সবার শেষে আমাকে ডাকা হলো।  আমি গিয়ে ডুকলাম। ডুকে দেখি তিন জন বসে আছে । একজন মহিলা দুজন পুরুষ। মহিলা টা চেয়ার টা ঘুরিয়ে রেখেছে অন্যদিকে। তাই চেহারা দেখতে পারিনি। আমিঃ আসসালামু আলাইকুম একজনঃ ওয়ালাইকুম আসসালাম। দেখি আপনার সিভি আমি দিলাম।  দুজন পাল্টাপাল্টি করে সব দেখল।  একজনঃ বাহ বাহ।qualification so good..তো সঞ্জিতা আমাদের তো ওনাকে বেশ পছন্দ হইছে তোমার কোনো প্রশ্ন থাকলে করতে পারো। সঞ্জিতা নাম টা শুনতেই বুকের বা পাশ টা কেমন যেন করল। মনে হলো ইনি আমার আপন কেউ।।  তারপর মেয়েটি যখন মাথা ঘুরিয়ে আমার মুখোমুখি হলো। খেলাম শকড। এমন শকড খাব আগে ভাবতে পারিনি। সঞ্জিতা এ সঞ্জিতা আর কেউ নয়। আমার x girlfriend...। ও আমাকে দেখে কেমন লেগেছে বুঝতে পারিনি। কিন্তু আমি শকড খেয়েছি বিশাল।। আমি দাড়িয়ে গেলাম ওরে দেখে।  সঞ্জিতাঃ আরে দাড়ালেন কেন? বসুন আমিঃ জ্বী সরি মেডাম।  সঞ্জিতাঃ তা আপনার চাকরির কেন প্রয়োজন?  আমিঃ পারসোনাল মেডাম বলা যাবেনা।  সঞ্জিতাঃ কিন্তু এখানে যে বলতেই হবে।  মন টা চায় মাথা ফাটিয়ে দেই। জানে আমি কেন জব করব তারপরেও প্রশ্ন করে( মনে মনে আমি) আমিঃ আসলে দু মাস আগে আমার গালফ্রেন্ড আমাকে ছেড়ে দেয় কোনো কাজ করিনা দেখে। আর বাসায় সারাদিন তো আব্বুর বকাঝকা আছেই। এজন্যই দরকার সঞ্জিতাঃ আব্বু কাকু আমার ও ওরে পছন্দ হইছে। রেখে দাও ওরে।  আমি অভাক হয়ে গেলাম। এটা কি তাহলে সঞ্জিতাদের কোম্পানি। শালার কুত্তা কপাল শেষ মেষ আবার এই মেয়ের পাল্লাতেই পড়লাম। তারপর একজন বললঃ তুমি কাল থেকে জয়েন করতে পারো। আমিঃ ধন্যবাদ স্যার। এবার আমি বেড় হয়ে গেলাম কেবিন থেকে। সোজা রিকশা নিয়া বাসায় চলে গেলাম।  বাসায় যেতেই আম্মু,,, আম্মুঃ কিরে চাকরি হয়েছে আমিঃ হুম হয়েছে।  আম্মুঃ যাক অবশেষে পেলি।  আমিঃ হুম। আমি রুমে গেলাম। মাথা ব্যাথা করতেছে। আম্মুকে আর কিছু বলার সুযোগ নক দিয়ে রুমে ডুকে গেলাম। তারপর ওয়াশরুমে ডুকে ইচ্ছামত বিজলাম। বেড় হয়ে বিছানায় শুইলাম। আপনারা ভাবছেন চাকরি পেলাম খুশির কথা এর চিন্তার কি আছে। আমি বলছি ভাই। একটাই সমস্যা সঞ্জিতা। বড় ডেঞ্জারাস। তার উপর আমি এক্স। না জানি আমার সাথে কি করে।  বড় বিষয় টা খুলে বলি।  আজ থেকে দুবছর আগে। আমি তখন অনার্স ফাইনাল ইয়ারে পড়ি। আর সঞ্জিতা তখন নতুন কলেজে ইন্টার প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়।। তো একদিন কলেজে ক্যাম্পাসে আড্ডা দিতেছি। এমন সময় একটা মেয়ে সামনে দিয়া যায়। আমি দেখেই ক্রাশ খাই। আমিঃ বন্ধু ক্রাশ খাইছি তুষারঃ কি কছ কার উপর...? আমিঃ ওই যে দেখ সবুজ ড্রেস।  শাওনঃ আরে এতো নতুন এসেছে।  আমিঃ নতুন পুরান জানিনা। আমি প্রেমে পড়ে গেছি। এ মেয়েকে আমার লাগবেই।  শাওনঃ পরে দেখা যাবে। এখন ক্লাসে চল।  আমিঃ ওকে চল।। তারপর ক্লাসে গেলাম। ক্লাসে গিয়ে একটুও লেকচারে মন দিতে পারিনি। খালি মেয়েটির মুখ মাথায় ঘুরতেছে। ক্লাস শেষ করে যলদি বেড় হলাম। বেড় হয়ে মেয়াটাকে খুজতে থাকলাম। কিছুক্ষন পর পেয়েও গেলাম। আমিঃ excuse me মেয়েটিঃ জ্বী বলুন আমিঃ আপনার নাম কি? মেয়েটিঃ জ্বী আমার নাম সঞ্জিতা কিন্তু কেন..? মাথায় আসল। এত যলদি প্রপোজ করব। যদি রাজি না হয়। থাক আজ বলব না। আমিঃ না কিছু না এমনি।  সঞ্জিতাঃ ওকে তাহলে বাই। সঞ্জিতা চলে গেল। আমি ওর হাটার দিকে তাকিয়েই থাকলাম। তারপর বাসায় চলে গেলাম।। কিন্তু সঞ্জিতা ছাড়া মাথায় কিছু ঘুরছে না। প্রেমে পড়ে গেছি আমি।  পরদিন আবার কলেজে ওরে ফলো করতে লাগলাম। এভাবে কয়েকদিন ফলো করার পর একদিন সঞ্জিতার পেছন পেছন হাটছি এমন সময় সঞ্জিতা,,, সঞ্জিতাঃ এই যে মিস্টার এদিকে আসুন আমি গেলাম। সঞ্জিতাঃ সমস্যা কি আপনার..??? আমিঃ কোনো সমস্যা নেই তো সঞ্জিতাঃ তাহলে বেশ কিছুদিন ধরে ফলো করছেন কেন? আমিঃ...  সঞ্জিতাঃ চলুন আমার সাথে সঞ্জিতা আমার হাত টানতে টানতে একটা নিরব জায়গায় নিয়া গেল।  সঞ্জিতাঃ এবার বলুন কেন ফলো করেন..? আমিঃ আসলে হয়েছে কি আপু সঞ্জিতাঃ আপু কি? আমি আপনার আপু লাগি. ( রেগে) আমিঃ না।  সঞ্জিতাঃ তাহলে আপু বলেন কেন? কি বলতে চান সেটা বলুন।  আমিঃ আসলে আমি আপনাকে সঞ্জিতাঃ আরে কি আপনাকে আপনাকে লাগাইছেন। আমি তোমার ছোট তুমি কইরা বলো।  আমিঃ আমি তোমাকে ভা""""লো  সঞ্জিতাঃ তুমি আমাকে ভালোবাসো টাই তো..? আমিঃ হুম ( মাথা নিচু করে)  সঞ্জিতাঃ মাথা উঠাও সোজা হয়ে দাড়াও আমি হলাম।  তারপর যা হলো তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। সঞ্জিতা আমাকে জড়িয়ে ধরল।  সঞ্জিতাঃ আমিও তো ভালোবাসি হাদারাম। এ কথা টা বলতে পুরো দু মাস কাটিয়ে দিলা।  এটা শুনে আমিও সঞ্জিতা কে জড়িয়ে ধরলাম।  আমিঃ তুমিও তো বলোনি।  সঞ্জিতাঃ আমার আচরন চলাফেরায় বুঝতে পারলেনা।  আমিঃ না বুঝিনি। শুরু হলো নতুন প্রেম কাহিনি। দেখতে দেখতে আমার পরিক্ষা শেষ হলো। বেকার ঘুরছি। সঞ্জিতাও পড়াশোনা এবং আমাকে টাইম দিয়ে চলছে। চলছে আমাদের প্রেম লিলা।  একদিন,,, সঞ্জিতাঃ তুমি কি কিছু করবানা? আমিঃ কি করব? সঞ্জিতাঃ যেকোনো চাকরি নাও। তারপর আমাকে বিয়ে করে নাও। তোমাকে ছাড়া থাকতে পারছিনা আমিঃ পারব না। আমার দ্বারা এসব সম্ভব না।  সঞ্জিতাঃ তুমি আমাকে চাও না?  আমিঃ আজব এর সাথে তোমাকে চাওয়ার সাথে কি সম্প র্ক। তুমি হচ্ছ আমার জীবন।  সঞ্জিতাঃ তাহলে চাকরি নাও। এই চাকরি কাজ বিয়া নিয়া প্রতিদিন সঞ্জিতার সাথে ঝগরা হতো। দু মাস আগে,,, সঞ্জিতাঃ তুমি চাকরি করবা কিনা.??? আমিঃ না করব না। সঞ্জিতাঃ ঠিক আছে। আজ থেকে তোমার আর আমার মাজে কোনো সম্প র্ক নেই। তুমি তোমার পথে আমি আমার পথে।  আমিঃ মানে কি এসবের সঞ্জিতাঃ আমি কোনো বেকার ছেলের সাথে থাকতে চাই না। আর হ্যা ভালোবাসার কসম তুমি আজ থেকে আর আমার সাথে যোগাযোগ করবানা। এই বলে সঞ্জিতা হাটা ধরল। আমি ডাকলাম। কিন্তু কিছুই শুনল না। একদিকে সঞ্জিতাকে হারালাম। অন্যদিকে শুরু হলো আব্বুর বকা। কেন কিছু করিনা। বসে বসে বাপের অন্ন নষ্ট করি। সেজন্যই আজকে ইন্টার্ভিউ দিলাম। এবং চাকরিও হয়ে গেল। কিন্তু সমস্যা সঞ্জিতা। আল্লাহ জানে কপালে কি আছে....???? To be continue.... লেখক ঃমোঃআসাদ রহমান কোটচাঁদপুর, ঝিনাইদহ
X গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস 2019 X গার্লফ্রেন্ড যখন অফিসের বস 2019 Reviewed by শেষ গল্পের সেই ছেলেটি on জুলাই ২০, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.