Sponsor

banner image

recent posts

গল্প থেকেই প্রেম

writer: আইরিন আক্তার ঝিনাইদহ ,, একটা গল্প লিখে পোষ্ট করলাম তো অনেক জন ই লাইক কমেন্ট করলো তো হঠাৎ করে দেখি একটা মেয়ে ফ্রেন্ড রিকয়েষ্ট পাঠিয়েছে নীলিমা নামে যাইহোক আমি আবার অপরিচিত কাওকে একসেপ্ট করি না কিছুক্ষন পরে দেখি সেই মেয়েটা আমার গল্পে কমেন্ট করলো নীলিমা : কি ব্যাপার গল্প লিখেন বলে কি কাওকে একসেপ্ট করা যায় না ? পরে আমি রিপলে দিলাম আমি: দুঃখিত আমি অপরিচিত কাওকে একসেপ্ট করি না এবং কে আপনি? নীলিমা: আমি একজন মানুষ আর মানুষকেই তো চিনবে তাই না আরে বুঝেছি আপনাদের মতো মানুষ বিখ্যাত হওয়ার জন্য আমাদেরকে ঝুলিয়ে রাখেন ? অতঃপর আমি আর সহ্য না করে একসেপ্ট করলাম কি মেয়েরা বাবা একসেপ্ট করি নি দেখে এত কাহিনি আর একসেপ্ট করার পর কি করে কি জানি হঠাৎ করে মধু নামে একটা মেসেজ আসলো | নীলিমা: Thanks For Accept me আমি: You Are Most Welcome নীলিমা: আপনি নাকি কাওকে একসেপ্ট করেন না তাহলে আমাকে করলেন কেনো ওহ বুঝেছি তখন আমাকে ভয় পেয়েছেন হাহাহা? আমি: ওমা তাই নাকি তাহলে এক কাজ করি আপনাকে আনফ্রেন্ড করে দেই ? নীলিমা: এই না না সরি আচ্ছা আপনি এরকোম কেনো রসকস নেই ? আমি: হাহাহা আমি কোনো ফল না যে রসকস থাকবে আমি একজন মানুষ | নীলিমা: আরে আমি সেই রসকসের কথা বলি নাই বল্লাম যে একটু মজা করবেন তা না | আমি: ছি ছি কি বলছেন আপনার সাথে মজা করবো মানে কি বলছেন এসব ? নীলিমা: হায়রে আমি পাগল হয়ে যাবো ? আমি: যেভাবে বলছেন আপনি মনে হয় পাগল না ? নীলিমা: মানে কি বলছেন আমি কি পাগল ? আমি: না মানে [কথা গুরিয়ে বল্লাম] দুঃখিতি আমি আসলে অপরিচিত কাওকে রসকস দেখাই না | নীলিমা: তাহলে চলুন আমরা পরিচিত হই ? যাক কথা গুরিয়ে বেচে গেলাম আর নাহলে এই পাগল মেয়েটা কি যে করতো তার পর বল্লাম আমি: হুম হতে পারেন কিন্তু মা বাবা পারমিশন নিয়ে আসুন তার পর দেখা যাবে নীলিমা: পরিচয় হওয়ার জন্য কি মা বাবার পারমিশন লাগে নাকি ? আমি: ওমা তাই নাকি যদি আমি আপনাকে বকা ঝকা দেই তখন তো আপনি আবার কান্না করবেন আর তখন তো আপনার বাবা মা আমাকে ধরবে তাই পারমিশন নিয়ে আসুন পরে দেখা যাবে ? নীলিমা: চুপ করুন আর আমি এরকম মেয়ে না যে বাচ্চাদের মতো ব্যা ব্যা করে কান্না করবো আর হ্যা আপনি তো আসলেই খুব দুষ্টু| আমি: তো এইবার বুঝলেনতো রসকস আছে কিনা ? নীলিমা : হুম আছে কিন্তু একটু পাগল টাইপের রসকস | আমি: ঐ কি বল্লেন আপনি একটা ডাইনি বুড়ি| অতঃপর এভাবেই চলতে থাকলো ঝগড়া যে যাকে পচাতে পারে | পরের দিন নীলিমা: আচ্ছা আমরা কি ফ্রেন্ড হতে পারি ? আমি: আজবতো আপনাকে তো সেই ফ্রেন্ড হিসেবে একসেপ্ট করলাম তাহলে আবার কি? নীলিমা: : না মানে তাহলে আমরা তুমি করে বলি ? আমি: কেনো আপনি করে বলতে কি কষ্ট হয় ? নীলিমা : না মানে আপনি করে বলতে আর ভালো লাগে না আর আমরা তো ফ্রেন্ড তাই বল্লাম ? আমি: হইছে ঢং কতো যেভাবে বলছেন আমি মনে হয় আপনার বি এফ তাই আপনি করে বলতে কষ্ট হচ্ছে ? নীলিমা: ধ্যাত আপনাকে তুমি করে বলতে বয়েই গেছে | আমি: ওরে আদ্দি আমনের ডায়লগ .নতুন কিছু বলুন এই আপনি কি বরিশাল নাকি? আমি: কেন আরে দেখি কি বরিশাল মনে হয় কেন ? নীলিমা: হায় ভগবান আমি পাগল হয়ে যাবো এ কার সাথে আমার ফ্রেন্ড হলো ? আমি: এক কাজ করুন পাগল হয়ে গেলে পাবনা না যেয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একটা পাগলদের হাসপাতাল আছে ঐখানে যাবেন ওকে | নীলিমা: ধ্যাত কেন যে এই পাগল মানুষটার সাথে ফ্রেন্ড হতে গেলাম ? আমি: তাহলে এক কাজ করি আপনাকে আনফ্রেন্ড করে দেই কেমন? নীলিমা: আচ্ছা তোমার বুঝি আমার সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না তাই খালি বলো আনফ্রেন্ড করে দেই আচ্ছা তুমি চাইলে করতে পারো ? কি ব্যাপার আজ মেয়েটা আমাকে তুমি করে বল্লো আর এতটা ইমশোনাল ভাবে মনে হয় রাগ করেছে | আমি: সরি আমাকে কি মাফ করা যেতে পারে? নীলিমা : না তুমি একটা পচা ? আমি: হুম ঠিক বলেছো তারা তারি নাকের ডাক্টার দেখাও ? নীলিমা ; কেনো আমি নাকের ডাক্টার দেখাবো কেনো? আমি: না মানে তুমি তো বল্লা পচা তাই ভাবলাম তোমার নাকের ভিতরে কোনো সমস্যা হয়েছে কখন না আবার নিজেকে দেখে বলো পচা ? নীলিমা: হারামজাদা শয়তান উফফ প্লিজ কেও আমাকে বাচাও এই ছেলেটার থেকে ? আমি: হা-হা-হা আমি তোমাকে খেয়ে ফেলবো | নীলিমা: হা-হা-হা তুমি না খুব দুষ্টু | আমি: আহারে কি ভালোবাসা | নীলিমা : এই ভালোবাসা মানে? আমি: না মানে এক মাত্র বউ তার জামাইকে বলতে পারে দুষ্টু | নীলিমা : হা-হা-হা প্লিজ আমাকে আর হাসিও না | অতঃপর আমরা এরকমি কথা বলতে লাগলাম এবং দুজন ভালোভাবে পরিচিত হলাম নীলিমা আর আমি ইন্টারেই পরি প্রথম বর্ষে কিন্তু এখনো কেও কাওকে দেখা হয় নি আর কখন যে আস্তে আস্তে ভালোবেশে ফেলি বুঝতেই পারলাম না অবশ্য ও আমাকে ভালোবাসে সেটা আমি বুঝতে পেরেছি কিন্তু কেও কাওকে বলতে পারছি না যাই হোক আগের কথায় আসি | আজ নীলিমা বল্লো—-> নীলিমা : আচ্ছা আমাদের কি কখনো দেখা হবে না ? আমি: কেনো হবে না অবশ্যই হবে | নীলিমা তাহলে তোমার ছবি চাইলে দাও না কেনো? আমি: তুমি ও তো তোমার ছবি চাইলে দাও না ? নীলিমা : আমি দেই না কারন আমি কালো | আমি: আর আমি দেই না কারন আমি তোমার থেকে বেশি কালো | নীলিমা এই তুমি কি আমাকে দেখছো নাকি ? আমি: না মানে আমার স্বপ্নে দেখেছি || নীলিমা:: স্বপ্নে মানে তুমি কি আমাকে স্বপ্নে দেখো ? আমি: না মানে কিছু না | নীলিমা : দেখো তুমি আমাকে কিছু বলতে চাও কিন্তু বলো না কেনো ? আমি: কারন আমার দাতে গেসটিক তাই বলতে পারি না | নীলিমা : হা-হা-হা তুমি না আসলেই…| আমি: আমি আসলে কি ? নীলিমা : না কিছু না আমি: দেখো তুমিও অনেক দিন ধরে কিছু বলতে চাচ্ছো কিন্তু বলছো না ? নীলিমা : আমার দাতে না পকা ধরেছে তাই বলতে পারি না | আমি: হা-হা-হা তুমি ও আমার মতো ? নীলিমা : হুম | তো এরকম চলতে থাকে আমাদের দুষ্টু মিষ্টি কথা তো পরের দিন—-> নীলিমা : আচ্ছা চলো না দেখা করি ? আমি: আহারে কি ভালোবাসা | নীলিমা : এই এখানে ভালোবাসার কি হলো? আমি: না মানে তুমি যে বল্লা দেখা করতে তাই | নীলিমা : আমাদের এখনো দেখা হয়নি তাই বল্লাম হয়েছে থাক দেখা করা লাগবে না | আমি: আচ্ছা সরি কবে দেখা করবে ? নীলিমা : চলো কাল দেখা করি ? আমি: মেঘ না চাইতেই জল বাবা | নীলিমা : দেখা করবা কিনা বলো ? আমি: আচ্ছা কথায়ে আসবো? অতঃপর নীলিমা বল্লো একটা পার্ক এ আসতে আর ও নিল শাড়ি পরে আসবে আর আমি বল্লাম সাদা নীল টি সাট্ট পড়ে আসবো তো আজ পার্কে গেলাম আমার সেই মনের রাজ্যের রানি টাকে খুজছি অতঃপর দেখলাম নীল শাড়ি পরে বসে আছে আর যখনি ওর দিকে তাকালাম আর ভাবলাম আমি এতো সুন্দর একটা পরিকে ভালোবাসে ফেলেছি যাই হোক ওর সামনে গেলাম গিয়ে বল্লাম আমি: আচ্ছা আপনি কি নীলিমাকে চিনেন এখানে আসবে বলেছিলো তো তাই| নীলিমা : সয়তান আমিই নীলিমা| আমি: না মানে আপনি তো অনেক কালো আর মধুতো কালো না নীলিমা : কি সয়তান আমি কালো কত সুন্দর করে সেজে আসলাম আমি: হা-হা-হা তাই তো বলি দকানে আটা ময়দার দাম এতো কম কেনো ? নীলিমা : উফফ দেখো বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু কথায় অনেক দিন পর আমাদের দেখা হলো আর তুমি এসেই মজা সুরু করে দিছো? আমি: আচ্ছা সরি,, কেমন আছো ? নীলিমা : এইতো ভালো,,, তুমি কেমন আছো? আমি: আজ একটু বেশি ভালো| নীলিমা : কেনো? আমি: এইযে আমাদের দেখা হলো তাই | নীলিমা : ওহহ তাই বুঝি এই আচ্ছা তুমি না বলেছিলে তুমি কালো ,,,,সয়তান তুমি তো আমার থেকে ও সুন্দর | আমি: তাহলে আপনি কি বলেছেন আপনি না কালো আসলেই তুমি না খুব কালো…| নীলিমা : উফফ তোমার সাথে পারবো না | আমি: আহারে কি ভালোবাসা | নীলিমা :: এই তুমি কথায় কথায় খালি ভালোবাসা বলো কেনো ? আমি: না মানে | নীলিমা: আজ তোমাকে বলতেই হবে,,,,,কোনো দাতে বেথা চলবে না | আমি: আমাকে ক্ষমা করে দাও পারবো না | নীলিমা : তাহলে তুমি থাকো আমি চলে গেলাম ? আমি: এই না না দারাও বলছি | নীলিমা : হুম বলো | অতঃপর একটু ওর কাছ থেকে দূরে সরে একটা ফুল নিয়ে বল্লাম তুমি কি তোমার ঐ হাত সারাজিবন ধরে রাখার সুযোগ দিবে? তুমি কি আমাকে তোমার পাশে সারাজিবন রাখার সুযগ দেবে ? তুমি কি তোমার ঐ হাসি মুখের রাজা হতে দিবে ? তুমি কি তোমার ঐ মনের রাজ্যে থাকার সুযগ দিবে ? তুমি কি তোমার ঐ পিচ্চি পিচ্চি বাচ্চার বাবা হতে দেবে ? তুমি কি তোমার ঐ হাতের একটু মার খেতে দিবে ? আর এরকমি হাজারো ইচ্ছা নিয়ে তোমার সাথে থাকতে চাই কারন আমি যে তোমাকে খুব ভালোবাসি | তো নীলিমা বল্লো—-> নীলিমা : এই আচ্ছা এই ডায়লগটা কারও দেকে কপি মারছো নাকি…? আমি: হারামি এইটা কি কপি ধ্যাত আমার মনটাই বেঙ্গে দিলো | আপনারাই বলুন এরকম যদি বলে তখন কেমন লাগবে ? অতঃপর রাগ করে বসে থাকলাম | নীলিমা : -হা-হা রাগ করছো? আমি: না খুব খুশিতে আছি[ রেগে গিয়ে বল্লাম] নীলিমা : আরে গাধা আমিও তোমাকে খুব ভালোবাসি সেই প্রথম থেকেই ভালোবাসি তোমার ঐ দুষ্টামি গুলোকে আর সারা জীবন তোমাকে ভালোবাসতে চাই কখনো আমাকে ছেড়ে যাবে নাতো? আমি: অন্য মেয়ে নিয়ে পালিয়ে যাবো | নীলিমা : হারামজাদা দারা | অতঃপর দৌর দিলাম আর আমাকে ধরে ফেল্লো আর শক্ত করে ঝরিয়ে ধরলো আর বল্লো খুব ভালোবাসি তোমাকে | আমি ও তোমাকে খুব ভালোবাসি | এইযে আপনারা কি দেখছেন হুম এত নজর দাওয়া ভালো না আমার বউটা লজ্জা পাচ্ছে হিহিহি
গল্প থেকেই প্রেম গল্প থেকেই প্রেম Reviewed by শেষ গল্পের সেই ছেলেটি on জুলাই ২৯, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.