Sponsor

banner image

recent posts

খালাতো বোনের সাথে প্রেম ২০১৯

:খালাতো বোনের সাথে প্রেম। লেখক:-জীবন হোসেন ঝিনাইদ,বাংলাদেশ । । । । । --ওই জাহিদ ওঠ ঘুম থেকে। অনেক সকাল হইছে(আম্মু) --হুমমমমমমম।উঠতাছি তো।আর একটু(ঘুম জড়িত কন্ঠে) --উঠবি নাকি তোর আব্বুকে ডাক দিবো(আম্মু) --না না উঠতাছি তো --হুম ওঠ তাড়াতাড়ি।আর শুন আজকে তোকে তোর খালাতো বোনকে আনতে যেতে হবে বুঝলি। --কোন খালাতো বোন। --সুমি কে। --কিহহহহহহ।আমি পারব না ওই পেত্নীকে আনতে যেতে। --আর একবার বেশী কথা বললে তোর আব্বুকে বলে দিবো। --আচ্ছা ঠিক আছে। --হুম দশটার সময় আনতে যাবি ওকে।এখন উঠে আয় আমি নাস্তা দিচ্ছি। --হুম।তুমি যাও আমি যাচ্ছি। --হুম আয়। বলেই আম্মু চলে গেলো।আর আমাকে এক ঝামেলায় ফেলে গেলো।আমাকে আবার ওই পেত্নীটাকে আনতে যেতে হবে।গতবার যখন ওয় আসছিলো আমাদের বাসায় আমাকে একদম জ্বালাই খাইছিলো।কি জানি এবার কি করে। দশটার পরে নাস্তা করে বাইক নিয়ে গেলাম পেত্নীটাকে আনতে।তো ওদের বাসায় গিয়ে প্রবেশ করলাম।দেখলাম আন্টি বসে আছে তাই আমি সালাম দিলাম। --আসসালামুয়ালাইকুম আন্টি। --ওয়ালাইকুম সালাম বাবা।কেমন আছো। --আলহামদুলিল্লাহ। আপনারা কেমন আছেন সবাই। --জ্বি সবাই ভালো।তুমি তো আসো না একদম আমাদের বাসায়।একটা মাএ ছেলে তুমি আমাদের বংশের আসবা বেড়াতে। --আসলে পড়াশোনার জন্য আর হয়ে ওঠে না। --তবুও সময় করে আসিও। --ওকে আন্টি ঠিক আছে।সুমি কই ও কি রেডি। --না ওর একটু সময় লাগবে তুমি বসো আমি তোমার জন্য নাস্তা নিয়ে আসতেছি। --না আন্টি লাগবে না। আমি সুমিকে নিয়েই চলে যাবো। --আরে বাবা এতদিন পর আসছো না খেয়ে যেতে দিব না।তুমি বসো আমি নাস্তা নিয়ে আসতেছি। --আচ্ছা ঠিক আছে। আন্টি গেলো নাস্তা আনতে। তো এই সুযোগে আমার পরিচয়টা দেই।আমি জাহিদ। এবার ইন্টার ১ম বর্ষ।বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। তাছাড়াও আমার আম্মুরা ৫বোন তাদের মধ্য আমি একটা মাএ ছেলে সন্তান।তাই যে আন্টির বাসায় যাইনা কেন জামাই আদর টা ভালোই পাই হিহিহি।আর যেই পেত্নীটাকে নিতে আসছি ওয় আমার থেকে ১ক্লাস সিনিয়র।তবে আবার আমার থেকে এক বছরে ছোট।তো এবার আপনারা কি ভাবতেছেন আমি ফেল মারছি এক ক্লাস।আরে ভাই না আসলে আমি পড়াশোনা করছি কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে আর ওয় পড়াশোনা করছে প্রাইমারী স্কুল থেকে। এবার বুঝলেন আসল কাহিনী কি। এরি মধ্যে আন্টিও নাস্তা নিয়ে আসছে। তারপর নাস্তা শেষ করলাম। --আন্টি সুমি কই। --এইতো আসতেছে।(আন্টি) --সরি ভাইয়া একটু দেরি হয়ে গেলো।(সুমি) --আমি তো শুধু হা করে দেখে আছি।কারন আমি তো খাইছি।আরে মামু ক্রাস খাইছি। একদম পুরাই টাকসি।মেয়েটা অনেক কিউট হইছে।আমি পুরাই ওর দিকে চেয়ে আছি। --আরে ভাইয়া কি দেখিস।চল যাবি না।(সুমি) --আরে হ্যা চল।(ওর ডাকে ঘোর কাটলো) --হুম চলো। তারপর বাইকে নিয়ে আসতেছি ওকে।আর ভাবতাছি কি কিউট হইছে মেয়েটা।আমি তো মনে হয় প্রেমে পড়ে গেলাম ওর।না না আমি কি ভাবতেছি এসব।এটা হতে পারে না।ও আমাকে ভাইয়া বলে ডাকে। এটা কিভাবে সম্ভব।এসব ভাবতে ভাবতে বাসায় চলে আসলাম।বাসায় এসেই আম্মু তো সুমিকে দেখে অনেক খুশি। আমি আমার মতো চলতে লাগলাম।দুপুরে খেয়ে বিছানায় শুয়ে ছিলাম।এমন সময় দেখলাম সুমি আসলো আমার রুমে। --কিরে ভাইয়া কি করিস(সুমি) --এইতো রে।(আমি) --ভাইয়া চল না কোথাও ঘুরে আসি আজকে। --দেখ তুই খুব ভালো করেই জানিস।আমি ওসব পছন্দ করিনা। --হুম জানি।তবুও চল না প্লিজ।(বাহানা ধরে) --বলছি না যাব না।যাতো এখন (রাগি কন্ঠে) --যা তোকে নিয়ে যেতে হবে না(অভিমানি সুরে) বলেই চলে গেলো আমি আর কিছু না ভেবে দিলাম একটা ঘুম।বিকেলে ঘুম থেকে উঠে বাইরে আড্ডা দিয়ে আসলাম। তারপর রাতে যখন খেতে গেলাম তখন আম্মু বললো। --কিরে তুই নাকি সুমিকে বকা দিছিস(আম্মু) --আমি আবার কই ওকে বকা দিলাম(আমি) --তাহলে মেয়েটা আমার কাছে এসে কি মিথ্যা বলবে। সুমি নাকি ঘুরতে যেতে চাইছিলো তুই নাকি বকা দিয়ে ওকে রুম থেকে বের করে দিছিস। --কি বলো আম্মু আমি এসব করি নাই সত্যি। --আমি কিছু জানি না।কালকে তুই সুমিকে নিয়ে ঘুরতে যাবি ব্যাস। --কিন্তু আম্মু। --কোন কিন্তু না। --ওকে ঠিক আছে। ওইদিকে দেখি পেত্নীটা মিটিমিটি হাসতেছে। আমিও মনে মনে ভাবতেছি।আমাকে ফাসানো।দাড়াও কালকে বুঝবা মজা। তারপর খাবার খেয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লাম। সকাল বেলা কে যেন ডাকতেছে আমায়। --ওই উঠ তাড়াতাড়ি কয়টা বাজে দেখছিস। --আম্মু যাও তো আর একটু ঘুমাই। --ওই কি বললি আমি তোর আম্মু।আমি সুমি উঠ তাড়াতাড়ি। --আরে এতো সকাল সকাল কেন ডাকতেছিস। --সকাল সকাল ১০টা বাজে এখন দেখ একবার ঘড়িতে। --কিহহহহ।১০টা বাজে(বলেই তাড়াহুড়ো করে বাথরুমে গেলাম ফ্রেস হতে) --ফ্রেস হয়ে এসে রুমে ঘড়িতে দেখি কেবল মাএ ৬:৩০ বাজে। --ওই এতো সকালে আমার ঘুমের বারোটা বাজালি কেন। --এতো দেরি করে কেউ ঘুমায় নাকি। --হুম ঘুমায় তাতে তোর কি। --আমার এইতো সব কারন আমি তোকে। --কি আমাকে কি বল। --না কিছু না। বলেই চলে গেলো মেয়েটা।তারপরে ঘুরতে নিয়ে গেলাম পেত্নীটাকে একটা পার্কে।যদিও আমি ওকে পেত্নী বলি তবে ও পেত্নী না দেখতে অনেক কিউট।যে কেউ দেখলেই প্রেমে পরে যাবে।তো পার্কে আমরা ঘুরতেছি এমন সময় কিছু ছেলে দেখতেছি আমাদের বলতে সুমিকে ইভটিজিং করতেছে।বলতেছে --দেখ মামা দেখ কি মাল(১ম জন) --আরে বেটা দেখিস না আছে ওর সাথে একটা(২য় জন) --সেই বেবি ইউ ক্যান ডেট মি।(১ম জন) --আর মাথা ঠিক রাখতে পারি নাই। গিয়েই মারতে শুরু করলাম দুজনকে।দিলাম একদম গোনধলানি।মেরে মেরে একদম আধা মরা বানাই দিছি।তারপর পুলিশ ডেকে ওদের কে ধরাই দিলাম। --(ওহহ আপনাদের তো বলতে ভুলেই গেছি।আসলে আমি পড়াশোনার পাশাপাশি জিমও করি।তার সাথে বক্সিং ও শিখি।যার ফলেই ওই দুই বেটারে গনধোলাই দিতে পারছি।) --তারপর আর এক সেকেন্ড ও ওখানে থাকি নাই।সুমিকে নিয়ে সোজা বাসায় চলে আসছি।ওকে ওর রুমে রেখে আমার রুমে এসে ফ্রেস হয়ে নিলাম।কিন্তু পরেই বুঝলাম শরীরে একটু ব্যাথা করতেছে।আসলে ওই ছেলেরাও কয়েকটা মারছিলো আমাকে।সেটারই ব্যাথা।তাই হালকা কিছু খেয়ে ঔষধ খেয়ে নিলাম।যাতে ব্যাথা কমে যায়। তারপর বিছানায় শুয়ে পরলাম। কিছুক্ষন পরে দেখি সুমি আসলো আমার রুমে। --তখন তুই ওই ছেলে গুলোর সাথে মারামারি কেন করতে গেলি। --তোকে ওইভাবে বলবে আর আমি চুপ করে শুনে থাকব। এটা হতে পারে না।তাই ওদেরকে উচিত শাস্তি দিছি। --আর তোকে আমি আগেই বলেছিলাম আমার ঘুরতে যাওয়া ভালো লাগে না।এখনকার যুগ জামানা তেমন ভালো না।দেখলি তো আজকে কি হলো। --যা বলার ওরা আমাকে বলছে তাতে তোর কি। --কারন,তুই আমার বোন বুঝলি। --শুধু বোন বলেই কি এসব করছিস। --হুম --ওহহ(উদাস হয়ে) --আর কিছু বলবি।আমি ঘুমাবো। --না আর কিছু বলব না। --আচ্ছা ঠিক আছে। তারপর দিলাম এক ঘুম। চলতে চলতে এরি মধ্যে ১০ দিন পার হয়ে গেলো সুমির আমাদের বাসায় আসার।আমি জানি মেয়েটা আমাদের বাসায় আসলে এতো তাড়াতাড়ি যায় না।আর আম্মুও যেতে দেয় না।কারন,আম্মুর কাজে একটু একটু সাহায্য করে তো মেয়েটা তাই।এরি মধ্য দেখি মেয়েটা এখন আবার আমার কেয়ার নেওয়া শুরু করে দিছে।তবে এটা নতুন কোন বিষয় না।এটা ও আমাদের বাসায় আসলে করেই থাকে। তো এভাবেই চলতেছিলো।একদিন রাস্তাকরে হাটতে হাটতে বাসায় আসতেছিলাম।বাসায় সামনে এসেই গেছি।এমন সময় আমার এক স্কুলের লাইফের বান্ধবির দেখা। --আরে জাহিদ যে(বান্ধবী) --আরে দোস্ত তুই।এতদিন পর (আমি) --হুম রে।তো কি খবর তোর হুম।(বান্ধবী) --এইতো চলতেছে আরকি।তোর কি খবর সেটা বল(আমি) তারপর ওর সাথে অনেকক্ষন কথা বলে ওর কাছ থেকে বিদায় নিলাম।কতবার করে মেয়েটাকে আসতে বললাম বাসায় কিন্তু আসলো না।ওহহ আপনাদের তো ওর পরিচয়টা দেওয়াই হয়নি।আসলে ওর নাম সুইটি।ওর যেমন নাম তেমনি দেখতেও মেয়েটা সুইট। বাসায় আসলাম এসে দেখি সুমি রাগি মুডে দাঁড়িয়ে আছে। --কিরে কি হইছে আবার তোর।এভাবে দাড়িয়ে আছিস যে। --ওই মেয়েটা কে ছিলো। --কোন মেয়েটা। --যার সাথে কথা বলতেছিলি একটু আগে। --ওহহহ সুইটি।আসলে ও আমার স্কুল লাইফের ফ্রেন্ড।অনেক দিনপর দেখা হলো। তাই কেমন আছে কি করতেছে এগুলোই শুনতেছিলাম। --তাই বলে এতো হেসে কথা বলার কি আছে --হেসে কথা বলছি তো কি হইছে। --কি হয়নাই সেটা বল। --আমি ওর সাথে হেসে হেসে কথা বলছি। তাতে তোর এতো জ্বলতেছে কেনো। --কই আমি কেন জ্বলবো। --তাহলে বলতেছিস কেন।যা ভাগ এখান থেকে। --যাবনা কি করবি। --ধুর আমি যাই। বলেই পাশ কাটিয়ে চলে আসলাম। রাতে খাবার খেয়ে ঘুমাতে গেলাম।কিন্তু ঘুম আসতেছিলো না।তাই একটু ছাদে গেলাম।গিয়ে বসে বসে তারা গুনতেছিলাম।এমন সময় দেখলাম সুমি আসলো ছাদে।তাই বললাম.... --কিরে এতো রাতে ছাদে।ঘুমাস নাই এখনও --না।আসলে তোকে কিছু বলার ছিলো(সিরিয়াস মুডে) --হুম বল কি বলবি। --আসলে কিভাবে যে বলি। --আরে কি বলবি সরাসরি বলনা। --আসলে আমি তোকে ভালোবাসি।জানিনা কিভাবে কেমন করে হয়েছে এসব।তবে আমি সত্যি তোকে অনেক ভালোবাসি।প্লিজ আমাকে ফিরিয়ে দিসনা। --(অবাক হয়ে)আমি ভাবতে পারি নাই যে ও আমাকে এসব বলবে। --তবুও স্বাভাবিক ভাবেই বললাম।আমার পক্ষে এসব সম্ভব না।আমি তোকে ভালোবাসতে পারবনা সরি। --কেন পারবি না বল আমাকে(কান্নাজড়িত ভাবে) --কারন,তুই আমার এক ক্লাস সিনিয়র। --তাতে কি।তুই তো আমার থেকে এক বছরের বড়। --সমাজ ওসব বুঝবে না।সরি আমাকে মাফ করেদিস। বলেই চলে আসলাম আমার রুমে।আসলে আমিও মেয়েটাকে ভালোবাসি।তবে ও আমার এক ক্লাস সিনিয়র তাই ওকে এড়িয়ে চলি।তাছাড়া আমি চাই না আমার পরিবারের বিরুদ্ধে কোন কাজ করতে। সেদিন রাতটা ওভাবেই কেটে গেলো। সকালবেলা নাস্তাকরে কলেজ গেলাম।অনেকদিন পর আজকে কলেজে এলাম।তাই ক্লাস না করে বন্ধুদের সাথে আড্ডাই দিলাম।দুপুরে বাসায় গেলাম। বাসায় গিয়ে দেখি আম্মু সুমির রুমের দরজা ধাক্কাচ্ছে।তাই আমি বললাম.... --কি হয়েছে আম্মু তুমি দরজা ধাক্কাচ্ছো কেন(আমি) --দেখ না বাবা সুমি সেই সকাল থেকে রুমের দরজা লাগিয়ে বসে আছে।সকাল থেকে কিছু খায়নি।কালকে আমার কাছ থেকে রাতে অনেকগুলো ঘুমের বড়ি নিয়ে গেছে। আমার খুব ভয় করতেছে।না জানি কি করে বসে মেয়েটা।(আম্মু) --এবার আমিও একটু ভয় পেয়েগেলাম। কারন,মেয়েটা খুব জেদি ও অভিমানী।না জানি কি করে বসে। --(তাই ডাক দিলাম)এই সুমি দরজা খোল।দরজাা লাগাই দিছিস কেন। এভাবে অনেকক্ষন ডাকলাম কিন্তু কোন কাজ হলো না।শেষে দরজা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে হলো।দেখি রুমের সব জিনিস ভেঙ্গে শেষ।আর মেয়েটা বেডে শুয়ে আছে। পাশের টেবিলে দেখি বড়ির পাতাটা খালি পড়ে আছে।বুঝলাম মেয়েটা ঘুমের বড়ি খেয়েছে।আর দেরিনা করে হাসপাতালে নিয়ে আসলাম।ডাক্তার দেখার সাথেই ওকে ইমার্জেন্সিতে নিয়ে গেলো।এইদিকে আন্টি আঙ্কেলও চলে আসছে।সবাই কান্না করা শুরু করে দিছে। আমি সবাইকে থামানোর চেষ্টা করলাম।কিন্তু পারলাম না। আঙ্কেল আমাকে একপাশে নিয়ে গিয়ে বললো, --কি করে হলো এসব জাহিদ।আমি জানি সুমি এমনিতে এসব করবে না।সত্যি করে বলো কি হয়েছে। --তারপর আঙ্কেলকে সব খুলে বললাম। আঙ্কেল বললেন যে, --তুমি কি জানো তোমাদের বিয়ে আগে থেকেই ঠিক করা আছে।যখন তোমরা ছোট ছিলে তখনই তোমাদের বিয়ে ঠিক করা হইছে। --(এসব শুনে আমিতো পুরাই অবাক) --কিন্তু আমিতো এসব কিছু জানি না। --হ্যা তোমাদের জানানো হয়নি।কারন,আমরা চেয়েছিলাম তোমাদের পড়াশোনা শেষে তোমাদেরকে এসব জানাব। --তাহলে এখন আমি কি করব। --এখন আর কিছু করার নাই।যা করার উপর ওয়ালাই করবেন। তারপর ডাক্তারকে দেখলাম আসতে তাইআমরা সবাই তার কাছে গেলাম জানতে যে সুমির কি অবস্থা। --ডাক্তার সাহেব রোগির কি অবস্থা এখন(আমি) --রোগি সব বিপদ থেকে মুক্ত(ডাক্তার) --আমরা কি একবার দেখা করতে পারি(আম্মু) --হুম অবশ্যই। সবাই গেলো সুমিকে দেখতে তবে আমি জাই নাই। একটু পর আম্মু এসে বললো।ও নাকি আমার সাথে কথা বলতে চায়।তাই আমি গেলাম রুমে।আমি রুমে যাওয়ার সাথেই সবাই রুম থেকে বের হয়ে গেলো। --তুই এসব কেন করলি(আমি) --আমি তোকে ভালোবাসি।(সুমি) --যদি ভালোবাসতি তাহলে এসব করতি না। একবার ভেবে দেখেছিস যদি আজ তোর কিছু হয়ে যেত তাহলে আমি নিজেকে ক্ষমা করতে পারতাম না। --সরি আমার ভুল হয়ে গেছে।প্লিজ মাফ করে দে। --আগে আমাকে প্রোপজ কর তারপর মাফ করব। --ওই সব জায়গায় ছেলেরা মেয়েদের প্রোপজ করে।মেয়েরা ছেলেদের নয়। --আমি কিছু জানি না।তুই না আমাকে প্রোপজ করলে আমি তোকে ভালোবাসবো না। --তুই কি আমার পিচ্চি বাবুটার আব্বু হবি।আমার সুখ দুঃখের অংশিদার হবি।এই পাগলিটাকে একটু ভালোবাসবি। --(জড়িয়ে নিলাম আমার বুকে পাগলিটাকে) --ভালোবাসি এই পাগলিটাকে। --ভালোবাসি পাগলটাকে। হাসির শব্দ পেলাম হঠ্যাৎ করে।দরজার দিকে তাকাতেই দেখি সবাই আমাদেরকে দেখে হাসতেছে আর লাইভ সো দেখে মজা নিচ্ছে।আমি তো লজ্জায় কি করব কিছুই বুঝতেছিনা।লজ্জায় একদম পুরাই শেষ আমি। ---------সমাপ্ত--------- বিঃদ্রঃ ভুল ক্রুটিহলে ক্ষমা করবেন।
খালাতো বোনের সাথে প্রেম ২০১৯ খালাতো বোনের সাথে প্রেম ২০১৯ Reviewed by MD ASAD RAHMAN on জুলাই ০২, ২০১৯ Rating: 5

কোন মন্তব্য নেই:

Blogger দ্বারা পরিচালিত.