Recents in Beach

তিতলী প্রেম বাই আসাদ

বড় আপুর হাসবেন্ড আমার হাত ধরে যেদিন বলেছিল, 'কেউ কিছু জানতে পারবে না' সেদিন থেকেই আমি খুব ভয়ে ভয়ে থাকতাম। আপুর বাসায় আসা যাওয়া বন্ধ করে দেই। আপুর ৬ মাসের কিউট বাচ্চাটা কোলে নিতে মাঝেমাঝে খুব ইচ্ছে হতো, কিন্তু আপুর বাসায় যাওয়ার আর সাহস হয়নি। একদিন রাতে আপু কল দেয় আম্মুর মোবাইলে। আম্মু কল রিসিভ করে কথা বলতে বলতে আমার রুমে আসেন। কথা শেষে আমাকে বলেন, 'তিতলী তোর বড় আপু অসুস্থ। তোর আপু বলছে সকালে ওর বাসায় চলে যেতে।' আম্মুর কথা শুনে আমার বুকের ভেতর কেমন যেন ভয় অনুভব হয়। গলা শুকিয়ে যায়। আমি মুখ খুলে আম্মুকে আপুর বরের কথাটা বলতে যেয়েও বলতে পারিনি, শুধু আপুর বাসায় না যাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছি। 'আম্মু আর কয়দিন পরেই তো আমার এসএসসি পরিক্ষা। এখন যদি আপুর বাসায় যাই পড়াশোনা নষ্ট হবে তো। তাছাড়া কোচিং -র টাকাগুলো শুধুশুধু দিতে হবে।' 'তোর আপু কি সারাজীবন অসুস্থ থাকবে নাকি? ২/৪ দিনের বেশি তো থাকা লাগবে না। তাছাড়া ওর শাশুড়ী তো বগুড়া গেছে। ওর শাশুড়ী আসলে চলে আছিস। আর বই নিয়ে যাবি। যখন সময় পাবি বই নিয়ে বসবি।' 'আম্মু কামাল স্যার ফিজিক্সের স্পেশাল ক্লাস নিচ্ছে। এখন ক্লাস মিস করলে পরে কিছুই বুঝবো না।' 'আচ্ছা আজ তুই তোর বোনের বাসায় না যাওয়ার এত অজুহাত দিচ্ছিস কেন বল তো? এতদিন তো সুযোগ পেলেই বলতি আপুর বাসায় যাব।' 'না আম্মু সত্যি বলছি। কামাল স্যার ট্রেনিং-এ চলে যাবে। এখন যদি ক্লাসটা মিস করি বুঝোই তো।' বাবা পাশের রুম থেকে আম্মুকে ডাকলেন। আম্মু যাওয়ার সময় আমাকে আবারো বলে গেলেন, আমাকে যেতেই হবে। পড়াশোনা এতবেশি নাকি ভালো না। আমি কি করবো বুঝতে পারছি না। বই খোলা রেখে দু'হাত বইয়ের উপর রেখে ডান গালটা হাতের উপর রেখে বসে আছি আর এক দৃষ্টি দিয়ে জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছি। বাহিরে অন্ধকার। এই অন্ধকার রাতেও মানুষজন রাস্তায় ভরপুর। কিছুক্ষণ পড়ার টেবিলে বসে থেকে বিরক্ত লাগার কারণে বই রেখে টিভি রুমে গেলাম। টিভি অন করতেই একটা নিউজ দেখলাম। আর সেই নিউজটা দেখে আমি আরো বেশি আতংকিত হলাম। নবম শ্রেণীতে পড়ুয়া ১৪ বছর বয়সী এক মেয়ে তার বড় আপুর হাসবেন্ড দ্বারা ধর্ষিত। নিউজটা দেখে টিভিটা অফ করে দিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম। নিউজটা দেখার সাথে সাথে বুকের মধ্যে ঠিক কেমন অনুভূতি হয়েছিল বুঝতে পারিনি। আমি সারারাত ঘুমাতে পারিনি। ভোর হওয়ার আগে একটু ঘুমিয়েছিলাম। সকাল হতে না হতেই আম্মু নামায পড়তে ডাকছেন। আমি বিরক্ত নিয়েই বিছানা থেকে উঠে অযু করে নামায আদায় করি। নামায শেষে আল্লাহর কাছে হাত তুলে অনেক দোয়া করি। আম্মুর সাথে সকালের নাস্তা তৈরি করতে সাহায্য করছি। আমি পেঁয়াজ কুঁচি করে আম্মুর হাতে পেঁয়াজের বাটিটা দেই। আম্মু বাটি হাতে নিতে নিতে বলে, 'শুন মা। তোর ভাই নেই। রোমানকে (আপুর হাসবেন্ড) তোর আপন ভাই মনে করবি। ছেলেটা কত ভালো। ও যখন আম্মু বলে ডাক দেয় কলিজাটা জুড়িয়ে যায়। আজ একটা ছেলে থাকতো যদি।' আম্মুর এসব কিচ্ছু আমার কানে যাচ্ছে না। আমি শুধু ভাবছি আপুর বাসায় নিজেকে রক্ষা করতে পারবো তো? নাকি গতকাল রাতের নিউজটার মতো আমারও নিউজ বের হয়? রান্না শেষ করে সবাই একসাথে বসে নাস্তা করছি। আম্মু বাবার প্লেটে রুটি দিচ্ছে। বাবা রুটি মুখে দিয়ে বলছেন ভাজিতে লবন কম হয়েছে। আমি লবনের বাটি বাবার দিকে ঠেলে দেই। বাবা লবন নিচ্ছে আর বলছে, 'জানিস মা, তোদের মুখ না দেখলে দিনটাই কেমন যেন যায়। আমাদের কোনো ছেলে সন্তান নেই। আর আমি কখনো ছেলে সন্তান আশাও করিনি। তোর মা অবশ্য সবসময় একটা ছেলে সন্তানের আশা করতো। কিন্তু আমার কাছে তোরাই সব। কালরাতে ভাবলাম তোর আপুর বিয়ে হয়েগেছে। অথচ বিয়ের পর থেকে এই পর্যন্ত এ বাড়িতে এসে ৪টা দিন থাকতেই পারে না। বাস্তবতা কত কঠিন। মেয়েটার মুখটা খুব মিস করি। তাই তো মাঝেমধ্যে অফিস থেকে ফেরার পথে দেখে আসি।' মুখে এক টুকরো রুটি নিয়ে তারপর বাবা আবারও বললেন, 'তোকে এত কথা কেন বললাম জানিস?' 'না বাবা আমি বুঝতে পারছি না।' 'কারণ আজ তুইও ওর বাসায় চলে যাবি। তোর মা আর আমি একা বাসায় একটুও ভালো লাগবে না।' বাবার কথায় বুকটা আরো বেশি দুমড়েমুচড়ে গেলো। হঠাৎ করেই বাবা আমাকে নিয়ে একটু বেশি চিন্তিত মনে হচ্ছে। আমি উপলব্ধি করলাম হয়তো বাবার মনে আমার কিছু হতে পারে ভয় জাগছে। কিন্তু পরক্ষণেই বুঝতে পারলাম কিছুই না। বাবা আমাকে নিয়ে এসব বলার পর বাবাকে আমি বললাম, 'বাবা আপুর বাসায় যেতে ইচ্ছে করছে না। তাছাড়া কামাল স্যারের স্পেশাল ক্লাসগুলো মিস হয়ে যাবে। কি করবো বুঝতে পারছি না।' 'বোনের বিপদে বোনেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকলে হয় না মা। আমি প্রতিদিন অফিস থেকে ফেরার পথে তোদের দেখে আসবো।' বাসে বসে আছি। জানালার পাশেই সীট আমার। আমার ডান পাশের সীট ফাঁকা। কিছুক্ষণ যাওয়ার পর একজন ৫০ বছর বয়স ছুঁইছুঁই মানুষ আমার পাশের ফাঁকা সীটে বসেন। আমি জানালা দিয়ে বাহিরে তাকিয়ে আছি। কিছুক্ষণ পর আমি অনুভব করলাম আমার ডান রানের উপর কারো হাতের স্পর্শ লেগেছে। আমি দ্রুত ডান দিকে তাকাকেই লোকটা হাত সরিয়ে নিলেন। আমি ভাবলাম মিস্টেক হয়তো। তাই লোকটাকে কিছুই বলিনি। আমি একটু নড়েচড়ে বসেছি, যাতে উনার শরীরের সাথে আমার শরীরের অনিচ্ছাকৃত ছোঁয়া না লাগে। আবারও জানালা দিয়ে বাহিরে তাকালাম। এবার আমার ভয় হলো সাথে রাগটাও বেড়ে গেলো। ঠাস করে ঐ লোকটার গালে থাপ্পড় বসিয়ে দিলাম। আর বলতে লাগলাম, 'বেয়াদব, অমানুষ, জানোয়ার আপনাকে একবার ভেবেছি ভুলক্রমে হাত লাগছে এবার কি করলেন। একটা পাবলিক বাসে এতগুলো মানুষের সামনে আমার বুকে হাত দিতে সাহস হয় কি করে? আমি কি আপনার বয়সের কেউ নাকি আপনি আমার বয়সের?' তারপর আর আমার কিছুই বলা বা করা লাগেনি। তিনজন কলেজ স্টুডেন্ট বাসের ভেতর ইচ্ছেমতো মারধর করে লোকটাকে সার্জেন্টের হাতে তুলে দেয়। আমি ভীষণ ভয় পাই এবং আপুর হাসবেন্ডের কথা ও টিভি নিউজের কথা ভাবতে ভাবতে সেন্স হারিয়ে ফেলি। যখন চেন্স ফিরে পাই তখন নিজেকে একটি হসপিটালের বেডে আবিষ্কার করি। আমার বেডের সাথে বসা ছিলেন আমার বাবা। বাবাকে ছাড়াও একজন ছেলে এবং একজন মেয়েকে দেখতে পাই। দু'জনেই কলেজ স্টুডেন্টস। তারা আমাকে হসপিটাল নিয়ে আসছেন৷ ছেলেটার নাম অভি আর মেয়েটার নাম নবনিতা। দু'জনেই মিরপুর বাংলা কলেজে অনার্সে পড়েন। ডাক্তারের পরামর্শ ছিল আমি নাকি খুব টেনশনে থাকি। আমার বিশ্রাম নেওয়া প্রয়োজন। যা ইচ্ছে তা যেন করতে দেওয়া হয়। ইচ্ছের বাহিরে জোরপূর্বক কোনোকিছু করতে বাধ্য করা যাবে না। অল্প কয়দিনে নাকি ঠিক হয়ে যাবে। অভি ভাইয়া ও নবনিতা আপুকে আমাদের বাসায় যেতে বাবা খুব রিকুয়েষ্ট করলেন। তারা একসময় আসবে বলে বাবার ফোন নম্বর ও বাসার ঠিকানা নিয়ে নিয়েছেন। বাবাও তাদের নম্বরগুলো আমাকে দিয়ে সেভ করে রাখলেন। বাসায় আসার পর আম্মু আমাকে জড়িয়ে ধরে অনেক কান্না করলেন। আম্মুর কান্না তখন আমার কাছে ভালোই লেগেছিল। কারণ আমাকে আর আপুর বাসায় যেতে হবে না। তিনদিন আমি শুয়ে-বসে আর টিভি দেখে কাটিয়েছি। আজ আপু আসছে আমাকে দেখতে। নিজে অসুস্থতা থেকে ভালো করে সেড়ে উঠতে না উঠতেই আমাকে দেখতে চলে আসছে। আমি তখন সম্পূর্ণ সুস্থ। তবুও সবাইকে বুঝাচ্ছি আমি সুস্থ হইনি। পরদিন আপুর হাসবেন্ড আসছে আপুকে নিতে। তিনি শুধু বারবার আপুকে বলছে আমাকে যেন তাদের সাথে নিয়ে যায়। আমি আপুকে বলছি আপুর বাসায় আর যাব না। আপু একটু কষ্ট পায় এবং রাগও করে। তাতে আমার কিছুই করার নেই। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আপুর বাসায় আর যাবই না। একদিন বাবার মোবাইল থেকে নবনিতা আপু ও অভি ভাইয়ার নম্বরটা নিয়ে কল দেই। প্রথমে অনেক কথা হয় অভি ভাইয়ার সাথে। তিনি আমার খুব প্রশংসা করলেন। আমাকে বললেন অন্যায়ের প্রতিবাদ করলে অন্যায়ের প্রবণতা কমে যায়। যারা অন্যায় করে তাদের সাহসও কমে যায়। আর যদি অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে সহ্য করি তাহলে নাকি অন্যায় বাড়তেই থাকে। তিনি আমাকে আরো বলেন যে আজকাল দেশে মেয়েদের সুযোগ সুবিধা অনেকটা উন্নত। মেয়েদের বিপদে সরকারি বেসরকারি এবং সাধারণ মানুষ সবাই এগিয়ে আসে। ঐদিন নবনিতা আপুর সাথেও কথা হয়। তিনিও খুব প্রশংসা করলেন। এবং তার সাথে ঘটে যাওয়া এাটা ঘটনা বললেন। একদিন নাকি নবনিতা আপু তাদের বাসায় একা ছিলেন। তার ছোট কাকু আগে থেকেই তার দিকে ভিন্ন নজরে চোখ রাখতেন। আর এটা তার চাচাতো ভাই দু'জনও জানত। তো তার বাবা-মা কেউ ঐদিন বাসায় ছিল না। আর এই সুযোগে ছোট কাকু তাদের বাসায় যায়। অনেকক্ষণ কথা বলে হঠাৎ করেই আপুর উপর ঝাপিয়ে পরে। আপু আগে থেকেই বুঝতে পারে কাকু কেন আসছে। তাই তার ছোট কাকু বাসায় আসার সাথে সাথে অন্য রুমে গিয়ে আপুর চাচাতো ভাইদের কল দিয়ে বলে পেছনের দরজাটা খুলে রাখছে। যখনি লম্পট কাকুটা আপুকে জড়িয়ে ধরে তখনি তার ঐ দু'জন চাচাতো ভাই আপুকে রক্ষা করে এবং লম্পট কাকুকে মারধর করে পরিবারের সবার মতামতে বাড়ি ছাড়া করেন। রাতভর চিন্তা করছি। আপুর হাসবেন্ড আমার সাথে যা করতে চাচ্ছে তা খুব অন্যায়। এটা থেকে চুড়ান্ত মুক্তি পাব কিভাবে? বারবার ভাবছি আপুর কাছে কি বলবো? আবার এটাও ভাবছি আপুর কাছে বললে আপু খুব কষ্ট পাবে। আপু তার বরকে খুব বিশ্বাস করে এবং জীবনের চেয়ে বেশি ভালোবেসে। আমি যদি আপুর কাছে এসব বলি আপুর সংসারটা ভেঙ্গে যাবে। কি করবো না করবো সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। আম্মুর কাছে বললে আম্মু আমাকে উল্টো বকা দিবে। বাবার কাছে এমন কথা কেমন করে প্রকাশ করি। মাথায় কাজ করতো না কি করবো না করবো কিছুই ভেবে পাইনি। আমার আপু অবশ্য জানতো তার হাসবেন্ড খুব বেশি বেশি আমার গাল ধরে চিমটি কাটে। আপুর কাছে এই জিনিসটা স্বাভাবিক ছিল না। আপুকে অবশ্য অনেকবার বলেছি তার বর এভাবে আমার গাল যেন না টানে। আমি তো আর ছোট নেই। আপু অবশ্য কিছুটা বুঝতে পারেন। কিন্তু তার বর ছিল খুবই চালাক মানুষ। আমার গাল টানাটানি করতে আসলে যখন আমি বকাঝকা করতাম, তখন তিনি আপুকে আপুর রুমে টেনে নিয়ে যেতেন এবং যতটুকু বুঝতাম আপুকে অনেক কিস করতেন আর আমাকে উদ্দেশ্য করে বলতেন, আমার গাল নাকি পঁচা কুমার মতো। আর আপুর গাল নাকি অনেক কিউট। তিনি নাকি অনেক লাকি আপুকে পেয়ে। আর আমাকে যে পাবে তার নাকি কপালপোড়া। আপু অবশ্য এসব কথা শুনতে বিরক্তি প্রকাশ করলেও নিজের স্বামীর আদর-সোহাগে পাত্তা দিতেন না। তবুও মাঝেমাঝে আপু বলতো, 'তিতলী এখন আর ছোট নেই ওর সামনে এমন কথা বলো না।' তখন আপুর বর বলতেন, 'আরে আমি তো মজাই করি। একটা মাত্র শালী আমার। আমি মজা না করলে কে করবে।' আপু অবশ্য তার বরের চালাকি ঠিক বুঝে উঠতে পারেনি। আমার মেঝো আপুটা জন্মের আড়াই মাস পরে মারা যায়। বাবা-মায়ের খুব আদরের আমরা দু'বোন। আম্মু অবশ্য আমাকে মাঝেমধ্যে বকাঝকা করেন এমনকি মারেনও কিন্তু বাবা কোনোদিন একটা থাপ্পড় দেয়নি। এসএসসি পাশ করে ইন্টারমিডিয়েটে ভর্তি হয়েছি আজ তিনমাস হয়েগেছে। মিরপুর বাংলা কলেজেই এডমিশন নিয়েছি। অভি ভাই ও নবনিতা আপু অনার্স থার্ড ইয়ারে। উনাদের সাথে এখন বেশ সখ্যতা। একদিন বিকালবেলা বারান্দায় দাড়িয়ে আমার এক বান্ধবীর সাথে কথা বলছি। হঠাৎ আম্মু খুব চিৎকার দিয়ে আমাকে ডাকলেন। আমি আম্মুর চিৎকার শুনে দৌড়ে আম্মুর দিকে অগ্রসর হলাম। আম্মু বললেন, 'তিতলীরে তোর আপু নাকি অজ্ঞান হয়েগেছে। তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে নে।' আম্মু আর আমি চলে গেলাম আপুর বাসায়। আমরা গিয়ে দেখি আপুর জ্ঞান ফিরেছে। ডাক্তার বলছেন শরীর দুর্বল। একটু রেস্ট নিলে ঠিক হয়ে যাবে। আপুর শাশুড়ী গত পরশুদিন আবারো তার ছোট মেয়ের কাছে বগুড়া গেছেন। এক সপ্তাহ না থেকে তিনি আসবেন না। বাবা বলছে আমি যেন কয়দিন থাকি। আপু সুস্থ হলে তারপর বাবা এসে আমাকে নিয়ে যাবে। আমি কিছুই বলিনি। সবাই চলে গেলেন। আমার ভেতর সেই ভয়টা আবার জেগে উঠে। আমি চিন্তা করি যতসব আজেবাজে চিন্তা। আপুকে যদি ঔষধের সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে দেয় আর আপু ঘুমের ঔষধ খেয়ে ঘুমিয়ে গেলে তার বর যদি আমার উপর ঝাপিয়ে পরে, তখন আমার কী হবে! . চলবে লেখকঃ আসাদ রহমান কোটচাঁদপু, ঝিনাইদহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ