গল্পটা অবোহেলার-আসাদ

........১ ম পর্ব........... লেখকঃমোঃআসাদ রহমান (ঠাসসসস), (ঠাসসসসস), ..॥ ছোটো লোকের বাচ্চা তোর সাহস কি করে হয় আমার গায়ে টা্চ করার । ছোটো লোক ' ইতরের বাচ্চা কথাকার..॥ দুর হও আমার চক্ষের সামনে থেকে ফকিরের বাচ্চা ফকির কথা কার..॥ তোকে যেনো এখন আর আমার চক্ষের সামনে না দেখি..॥ এই বলে উপরের কথা গুলো বলে রাগে গজ গজ করতে করতে মিম মানে সাকিলের বউ সেখান থেকে নিজের রুমে চলে গেলো..। এদিকে সাকিলো ও নিজের চক্ষের কণে হালকা নোনা পানি নিয়ে নিজের রুমে চলে এলো..। রুমে এসে সে ভাবতে লাগলো মিমের বলা কথা গুলো ..। মিম কি ওকে একটুকুও ভালোবাসতে পারেনা..। ওকে কি একটুকুও বিশ্বাস করতে পারে না..॥ সে কি এতোটাই অবোহেলার পাত্র ..॥ ও আপনাদের তো তাদের পরিচয় টা তো দেওয়াই হলো না উপরে যাদের কথা শুনলেন তাদের নাম হলো সাকিল ও মিম..। মিম হলো সাকিলের বিয়ে করা বউ আর ওর অফিসের ম্যাডাম..॥ অার একটু আগে যে মিম সাকিল কে থাপ্পড় মারলো তার কারণ তেমন কিছুই না...। আসলে মিম সাকিল কে দুই চক্ষে দেখতেই পারে না ..।কেনোনা সাকিল একজন সাধারণ পরিবারের অনার্থ ছেলে..। আসলে সে অনার্থ ছিলো না ॥ ওরো মা-বাবা সবাই ছিলো ..। কিন্তুু একদিন ওর বাবা আর মা রিক্সা করে আসার সময় একটা গাড়ি এসে তাদের ধাক্কা মারে..॥ আর ওই গাড়িটা চালাচ্ছিলো মিম নিজেই..॥ গাড়ির সাথে ধাক্কা লেগে রিক্সাটা রাস্তায় উল্টে পরে যায় সাথে সাকিলের মা বাবাও..॥ আর তখনি একটা বাস এসে তাদের দুজনের উপর দিয়ে চলে যায় ..। তখন সাথে সাথে তারা ওখানেই মারা যান..। এদিকে মিম আর তাদের কিছু হয়েছে কি না হয়েছে তা না দেখে ওর গাড়ি নিয়ে সোজা বাসায় চলে যায়..। কেনোনা ওর এসবে কিছু যায় আসে না ..॥ পরে যখন মিমের বাবা তার মেয়ের করা এক্সিডিন্টের কথা জানতে পারেন তিনি তখন সাথে সাথে সেখানে চলে যান ...॥ তিনি সেখানে গিয়ে দেখেন যে তখন আর সাকিলের বাবা-মা কেউই আর দুনিয়ায় বেচে নেই ..॥ তিনি তখন সেখানে সাকিল কে একা একা পাগলের মতো কাদতে দেখে 'আর তার মেয়ে খাম-খেয়ালির কথা ভেবে নিজে অনেক অপরাধি মনে করেন..। কেনোনা তার মেয়ের একটু খাম খেয়ালির কারণেই আজকে দুটো মানুষকে অসোহায়ের মতো মরতে হলো'আর এক জন কে চিরো দিনের মতো অতিম 'অনার্থ হয়ে যেতে হলো...॥ তিনি পরে সাকিলের বাবা-মার জানাযা 'দাফন-কাফন সব কিছু শেষ করে তার সাথে করে সাকিল কেও নিজের সাথে করে নিয়ে আসেন ..॥কেনোনো সাকিলের আর তখন আপন বলতে কেউই নেই..॥ পরে তিনি সাকিল কে অনেক শান্তনা দিয়ে নিজের সাথে নিজের অফিসে একটা হিসাব ম্যানেজার পদে চাকরি দেন ..॥ কেনোনা সাকিল তখন ছিলো অনার্স শেষ করা বেকার ছাত্র ..। আর এদিকে সাকিলো আর কিছু না বলে মিমের বাবার কথায় তার অফিসেই জয়েন করে 'তা ছারা ওর কাছে যে আর করার মতো কিছুই ছিলো না সে সময়..॥ সব হারিয়ে যে সে অসোহায় হয়ে গেছিলো...॥ তবে সে মিমের বাবার অফিসে জয়েন করার কিছু দিনের মধ্যেই নিজের কাজের দক্ষতা দেখিয়ে দিয়ে অফিসের সব কলীগ দের মন জয় করে নিয়ে ছিলো 'বিশেষ করে মিমের বাবার ..॥ তাই তিনি অনেক চিন্তা-ভাবনা করে সাকিলের সব গুণা গুণ দেখে তার মেয়ে মিমের সাথে সাকিলের বিয়ে দেয়ার কথা মনে মনে ঠিক করেন ..। পরে তিনি সাকিল কে তার কক্ষে ডেকে তার মেয়ের সাথে ওর বিয়ে দেয়ার কথাটা সাকিলের হাত ধরে জানান ..॥ তাই সাকিলো আর তাকে না করতে পারেনি..॥এদিকে মিম আবার সাকিল কে একদমি সোয্য করতে পারেনা যখন থেকে সুনেছে যে ওর বাবা সাকিলকে ওদের অফিসে ম্যানেজারের জব দিয়েছে ..। তবে মিম আবার ওর বাবাকে অনেক ভালোবাসে তাই যখন ওর বাবা তখন ওকে সাকিলকে বিয়ে করার কথা বলে তখন কিছু আর না বলে সাথে সাথেই রাজি হয়ে যায়..॥ । । কিন্তুু সাকিলের কপালে যে আর সুখ নেই সেটা সে বিয়ের রাতেই বুঝেছিলো..। কেনোনা বাসর রাতে যখন সাকিল বাসর ঘরে ডুকে মিমের কাছে বসতে যাবে তখনি' মিম সাথে সাথে ওকে চিত্কার করে জানিয়ে দেয় যে সে এই বিয়ে মানেনা..॥ বিশেষ করে সাকিলের মতো ছোট লোক ,ফকিরের সাথে...॥ মিম সাকিল কে সেদিন ক্লিয়ার ভাবে বলে দেয় যে সাকিল যেনো ভুলেও ওর কাছে স্বামীর অধিকার নিয়ে না আসে..॥ সে ওকে কোনো দিন নিজের স্বামী হিসেবে মানতে পারবে না..॥ আর সাথে এটাও বলে যে মিম নিজেই তার বাবার অফিসে জ্য়েন করবে..॥ কেনোনা ওর নাকি সাকিলদের মতো ছোট লোকদের উপরে বিশ্বাস নেই..॥ এদিকে সাকিল তার সদ্য বিয়ে করা বঊ এর মুখে এমন কথা শুনে যেনো মুখে কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে..॥ সে আর মিম কে কিছু না বলে এসব কিছু নিজের কপার মনে করে চুপচাপ শুধু হ্যাঁ' ঠিক 'আছে বলে সেখান থেকে বাইরে চলে আসে..॥ বাইরে এসে শুধু নীরবে চিত্কার করে আল্লাহ 'র কাছে" বলে যে ওর সাথেই কেনো এমন হয়..॥কি দোশ ছিলো আমার ..॥ এভাবেই চলছিলো সাকিল এর জীবন ...। মিম তাদের অফিসে জোয়েন করার সাথে সাথেই না না বাহানায় শুধু সাকিল কে অপমান করতো..॥ ওকে অফিসে সারাক্ষণ শুধু ছোট লোক বলে নিচা দেখাতো..॥ আর আজকে সাকিল কে মিমের থাপ্পড় মারার কারণ টা হলো "মিম অফিস শেষ করে বাসায় এসে নিজের রুমে যাওয়ার সময় হঠাৎ করে কিসের সাথে জানি পা লেগে পরে যাচ্ছিল 'আর তখন সাকিল নিজেও নিজের রুম থেকে বাইরে আসছিলো ..॥ সে তখন মিম কে এভাবে পড়ে যেতে দেখে তখন কিছু না ভেবে তারা-তারি করে মিম পরে যাওয়ার আগেই ওর হাত ধরতে যেয়ে ওর কমরে হাত চলে যায়..॥ কিন্তুু তার পরেও মিম কে পরে যাওয়া থেকে সামলে নেয়..॥ আর এদিকে মিম নিজেকে সামলে নিয়ে যখন দেখে যে সাকিল ওর গায়ে হাত দিয়েছে তখনি রাগে ঘৃণায় সাথে সাথে সাকিলের গালে দুটো থাপ্পড় মেরে দেয় ...॥ আর পরে কি হলো তা তো আপনারা উপরে নিজের চক্ষেই দেখলেন..॥ যাক ওসব কথা এখন আবার বাস্তবে ফিরে আসি...॥ । । মিম নিজের রুমে গিয়ে ভাবতে থাকে কিভাবে সাকিলকে শায়েস্তা করা যায়..॥ কি ভাবে ওকে শায়েস্তা করা যায়..॥ এসব ভাবতে ভাবতেই হঠাৎ মিমের রুমের দরজার বাইরে থেকে সাকিল ওকে ডাকতে এসে রাতের ডিনার করার জন্য ..॥ সাকিল:- ম্যাডাম 'আমি কি আপনার রুমে আসতে পারি..॥ মিম:- হুম আসো..॥ ভিতরে আসো '"কেনোনা ভিতরে তো এসেই পরেছো..॥ আচ্ছা বলো কি জন্য আমার রুমের কাছে এখন এসেছো..!! আর আমি তা তোকে মানা করে দিয়েছি যে আমার রুমের ধারের কাছেও তোকে না আসতে..॥ তাহলে কেনো এলি..। নাকি আবার আমি ঘুমিয়েছি কি না বা আমি কাপড় চেন্জ করছি কি না তা দেখার জন্য এসেছিস তুই সত্যি করে বল..!!?? (মিমের বলা কথা গুলো শুনে সাকিল মনে মনে অনেক আঘাত পায়..॥ )তার পরের নিজেকে শান্ত রেখে বলে:- সাকিল:-জি না ম্যাডাম ..॥ আমি আপনার রুমে কোনো উকি ঝুকি করার জন্য আসিনি..॥ আমি এসেছি আপনি রাতে খাবেন কি না তা জানার জন্য ...॥ তাছাড়া আর কিছুই না..॥ আর আমি এতো নিচু মনের মানুষ না ম্যাডাম যে কোনো মেয়ে মানুষের রুমে রাতের অন্ধকারে উকি-ঝুকি করবো..॥ আমার পরিবার আমায় এটা শিক্ষা দেয় নি ম্যাডাম ..॥ কিন্তুু আপনার মনে যদি বা আপনার পরিবার যদি আপনা... (ঠাসসস )..॥ সাকিল ওর কথাটা শেষি করতে পারলো না তার আগেই মিম ওর বলা কথা গুলো শুনে রাগে মাথায় আবারো ঠাসসস্ করে সাকিলের গালে একটা থাপ্পড় মেরে বসে...॥ তারপর মিম:-তোর তো সাহস কম না ...॥ তুই আমার মুখে মুখে কথা বলিস ..॥ ছটোলোকের বাচ্চা কথাকার ..॥ যা বের হও আমার রুম থেকে 'আর কখনও রুমের ধারের কাছেও আসবি না বলে দিলাম তকে...॥ নইলে এর পরের বার তকে জুতা পিটা করবো বলে দিলাম ফকিরের বাচ্চা কথাকার..॥ বেটা বুড়া নিজে মোরলো তো মোরলো সাথে এই কুকুর টাকে যে কেনো নিয়ে মরলো না আল্লাহই জানে...॥ যতসব ছোটলোক কথা কার ...॥ এই বলেই মিম নিজের রুমের দরজা টা অনেক জোড়ে শব্দ করে লাগিয়ে দেয়...॥ # চলবে

কোন মন্তব্য নেই

diane555 থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.