Sponsor

banner image

recent posts

হরিনাকুন্ডু উপজেলা / Harinakunda Upazila

Harinakunda Upazila, Jhenidaha ভৌগোলিক অবস্থান : ২২৭.১৯ বর্গ কি: মি: আয়তন বিশিষ্ট হরিণাকুন্ডু উপজেলা উত্তরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা, দক্ষিণে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা, পূর্বে শৈলকুপা উপজেলা এবং পশ্চিমে আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা দ্বারা বেষ্টিত। উলেস্নখযোগ্য বাওড়ের মধ্যে রয়েছে নারায়ণকান্দি, কাপাসহাঠিয়া এবং চাঁদপুর। শহরের আয়তন ও জনসংখ্যা : ২টি মৌজা নিয়ে হরিনাকুন্ডু শহর গঠিত। শহরের আয়তন ১৯.৯৭ বর্গ কি: মি:। শহরের মোট জনসংখ্যা ১৭৫৩৩। এর মধ্যে পুরুষ ৫১.০৬ এবং মহিলা ৪৮.৯৪%। প্রতি বর্গ কি: মি: এ জনসংখ্যার ঘনত্ব ৮৭৭ জন। শহরের জনগণের মধ্যে সাক্ষরতা হার ২৩.৯%। শহরের ১টি ডাকবাংলো আছে। প্রশাসন : হরিনাকুন্ডু বর্তমানে একটি উপজেলা। ১৮৬৩ সালে এটা থানা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়। ৮টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৭৭ মৌজা এবং ১২৯টি গ্রাম নিয়ে উপজেলাটি গঠিত। স্থাপত্য ঐতিহ্য এবং পুরাকীর্তি নিদর্শন : জোড়াদহে নীল কুঠির ভগ্নাবশেষ, ধুলিয়া, ভাইনা, সনাতনপুর এবং হরিনাকুন্ডু। ঐতিহাসিক ঘটনা : বিল্পবী বাঘাযতীন এবং কেরান রায় এই উপজেলায় বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন পরিচালনা করেন এবং তাদের নেতৃত্বে এই উপজেলার জনগণ নীল চাষ প্রতিরোধ আন্দোলনে যোগদান করে। জনসংখ্যা : উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১৬২০৭৮। এর মধ্যে পুরুষ ৫১.২৯%, মহিলা ৪৮.৪৩%, মুসলিম ৯২.২৯%, হিন্দু ৬.৬৩% এবং অন্যান্য ১.০৮%। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান : মসজিদ ১২৫টি, মন্দির ১৬টি, গীর্জা ১টি, পবিত্রস্থান ১টি এবং সৌধ ৫টি। উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে জোড়াদহ গম্বুজ মসজিদ, শ্রীপুর মসজিদ, উপজেলা মসজিদ, পরবর্তীপুর মসজিদ, আন্দুলিয়া মসজিদ, কুলবাড়িয়ায় ফকির মাহমুদ বিশ্বাসের সৌধ এবং ভবানীপুরের কালি মন্দির। সাক্ষরতা : উপজেলায় গড় সাক্ষরতা ২০.০৮%। এর মধ্যে পুরুষ ২৬.১% এবং মহিলা ১৫.১%। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : সরকারী কলেজ ১টি, বেসরকারী কলেজ ৩টি, সরকারী বালিকা বিদ্যালয় ১টি, বেসরকারী হাইস্কুল ২৭টি, জুনিয়র হাইস্কুল ৫টি, মাদ্রাসা ৮টি, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫১টি, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ৭৭টি এবং সেবিকা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ১টি। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে লালনশাহ সরকারী কলেজ (১৯৭২), হরিণাকুন্ডু পাইলট হাইস্কুল (১৯৪৫), জোড়াদহ হাইস্কুল (১৮৭২) এবং হরিণাকুন্ডু প্রিয়নাথ হাইস্কুল (১৮৭২)। সাংস্কৃতিক সংগঠন : ক্লাব ২২টি, গণগ্রন্থাগার ১টি, সিনেমা হল ৫টি, থিয়েটার গ্রুপ ৪টি, অপেরা দল ১টি, সাহিত্য সমিতি ৩টি এবং ক্রীড়া ক্লাব ১২ টি। প্রধান পেশা : কৃষি ৫৪.৯৩%, কৃষি শ্রমিক ২৫.৭৪%, মজুর শ্রমিক ১.৭২%, ব্যবসা বাণিজ্য ৭.৫৪%, চাকুরী ২.৩১% এবং অন্যান্য ৭.৭৫%। ভূমির ব্যবহার : মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান ১৭৭৯১.৯৭ হেক্টর। এর মধ্যে পতিত জমির পরিমান ৪৯৭২.০৭ হেক্টর। এক ফসলী জমি ১৮.০৬%, দ্বিফসলী জমি ৬৫.২২% এবং ত্রিফসলী জমি ১৬.৭২%। সেচের আওতায় জমি ১৮.০৬%। এছাড়াও প্রায় ৮৫% জমি গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। ভূমির নিয়ন্ত্রণ : কৃষকদের মধ্যে ২৩% ভূমিহীন, ৩৬% ক্ষুদ্র, ২৭% মাঝারী এবং ১৪% ধনী। প্রধান ফসল : ধান, পাট, সরিষা বীজ, গম, পান, আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, রসুন, আখ, বিভিন্ন ধরনের ডাল এবং তরিতরকারি। বিলুপ্ত বা প্রায় বিলুপ্ত ফসল : তিসি, তিল, রাই সরিষা বীজ, কাউন, বার্লি ও তামাক। প্রধান ফসল : আম, কাঁঠাল, নারিকেল, কুল, কলা, পেয়ারা, লিচু, জামরম্নল, আতা, বেল এবং কালোজাম। যোগাযোগ সুবিধা : পাকা সড়ক ৫১ কি: মি:। আধা পাকা ৩৪ কি: মি: এবং কাঁচা রাস্তা ৪২৩ কি: মি:। ঐতিহ্যবাহী পরিবহন : পলকী, ঘোড়া ও গরুর গাড়ী। এ ধরনের পরিবহন হয় বিলুপ্ত অথবা প্রায় বিলুপ্ত। কলকারখানা : চাউলের কল ৫৭টি, বরফ কারখানা ২টি, বিস্কুট কারখানা ৩টি এবং ওয়েল্ডিং ১১টি। কুটির শিল্প : তাঁত ১১৫টি, দর্জি ২৮০টি এবং বিড়ি শিল্প ৩টি। হাট-বাজার ও মেলা : হাট-বাজারের মোট সংখ্যা ২৬টি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হরিণাকুন্ডু, পাবর্তীপুর, ভবানীপুর, জোড়াদাহ, পোড়াহাটী চারপাড়া, রিসখালী, দাখালপুর, কুলবাড়িয়া, নারায়ণকান্দি, সাতব্রীজ এবং মন্দিয়া বাজার। মেলা মোট ৩টি । প্রধান রপ্তানী : ধান, পাট, আখ, খেজুরের গুড়, পান এবং তরিতরকারী। এনজিও তৎপরতা : তৎপরতা চালাচ্ছে এমন গুরুত্বপূর্ণ এনজিওগুলো হচ্ছে ব্রাক, গ্রামীণ ব্যাংক এবং নিজেরা শিখি। স্বাস্থ্য কেন্দ্র : উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ১টি, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ৬টি, স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র ১১টি এবং কমিউনিটি ক্লিনিক ১০টি। তথ্য সূত্র : বাংলা পিডিয়া ওয়েবসাইট
হরিনাকুন্ডু উপজেলা / Harinakunda Upazila হরিনাকুন্ডু উপজেলা / Harinakunda Upazila Reviewed by MD ASAD RAHMAN on এপ্রিল ২৩, ২০১৯ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.