বদলে ফেলুন জীবনধারা

হার্টের আর্টারিতে কোলেস্টেরল জমে জমে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটানোই করোনারি হৃদরোগ। এতে হার্ট বঞ্চিত হয় তার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও পুষ্টি থেকে। তখন প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখা দেয় বুকে ব্যথা ও চাপ, শ্বাসকষ্টসহ নানা উপসর্গ। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে প্রতিবছর দেড় কোটির বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার বড় কারণ জীপনযাপনে শৃঙ্খলা না থাকা। তাই হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কিছু পরামর্শ মেনে চলা ভালো।
প্রতিদিন করণীয়
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। নিয়মিত শাকসবজি অর্ধসিদ্ধ করে খাওয়ার চেষ্টা করুন।
প্রতিদিন একই খাবার গ্রহণ করুন। খাবার ভালোভাবে চিবিয়ে খান। রাত ৮টার মধ্যে রাতের খাবার খেয়ে নিন।
সকালে বা বিকেলে কমপক্ষে ৩০ মিনিটের মতো রোদে কাটান।
দুই বেলা মেডিটেশন করুন, তিন দফা প্রাণায়াম করুন।
২০-৩০ মিনিট যোগব্যায়াম করুন (উজ্জীবন, ত্রিকোনাসন, অর্ধচন্দ্রাসন, পার্শ্ব-অর্ধচন্দ্রাসন, বৃক্ষাসন, উৎকটাসন, অর্ধ-শলভাসন, ভুজঙ্গাসন, পবনমুক্তাসন, গোমুখাসন, উষ্ট্রাসন, বজ্রাসন, শবাসন ইত্যাদি)।
বিকল্প আমিষ হিসেবে সয়াদুধ বা সয়া প্রোটিন ড্রিংকস, স্পিরুলিনা, মাশরুম, মটরশুঁটি, শিম বা বরবটি, বিভিন্ন রকম বীজ ও ডাল খান।
কায়িক পরিশ্রম করুন বা দিনে কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটুন (ঘণ্টায় ৪ মাইল বেগে)।
লাল চালের ভাত ও লাল আটার রুটি খাওয়ার চেষ্টা করুন। ভাত ও রুটির পরিমাণ সীমিত রাখুন।
চা চামচের ১ চামচ পরিমাণ মধু খান।
সাপ্লিমেন্ট হিসেবে একটি করে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স ট্যাবলেট ও চিকিৎসকের পরামর্শে প্রয়োজনে ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন।
পর্যাপ্ত ঘুমান, বিশ্রাম নিন।
বর্জন করুন
লাল মাংস, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত লবণ, তৈলাক্ত ও ভাজাপোড়া খাবার।
ধূমপান, নেশা বা মাদক।
মানসিক উত্তেজনা, টেনশন।
মেনে চলুন
বয়স ও উচ্চতা অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত ওজন বজায় রাখুন।
ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
লেখক : কো-অর্ডিনেটর, কোয়ান্টাম হার্ট ক্লাব

Berlangganan via Email