Sponsor

banner image

recent posts

রাগী

লেখকঃআসাদ রহমান এভাবে রিতু আর ইমন কথা বলতে বলতে গাড়ি তার নিজস্ব জায়গায় এসে থেমে গেছে।তখন সবাই নেমে যার যার বাসায় সবাই চলে যায়। রিতু বাসায় যাওয়ার পরে ক্লান্ত থাকায় ফ্রেশ হয়ে শুয়ে পরে। রিতু শুয়ে শুয়ে ভাবে যেই ছেলেটা ৩-৪ দিন আগেও আমার চোখের কাটা ছিলো আজকে কতো ফ্রেন্ডলি কথা বলছি। #রিতু এসব ভেবে হাতে মোবাইল নিয়ে ফেসবুকিং করার সময় তার প্রোফাইলে ডুকে দেখে এমন পিক দিয়ে ক্যাপশন দেওয়া মাই লেডি। রিতু এটা দেখে তো অবাক হয়ে যায়।আর কিছুটা রেগে ও যায়।রিতু সাথে সাথে ইমনকে ফোন করে। -ঐ ফেসবুকে এসব কি আপলোড করছো?(রিতু) -কি আপলোড করছি? -২ঘন্টা আগে তোমার আর আমার পিক দিয়ে এসব কি লিখছো? -আরে আমি তো লাস্ট দুপুরে একটু ফেসবুকিং করছি -হয়ছে আর মিথ্যা বলতে হবে না -কে মিথ্যা বলছে? -সামনাসামনি বলে দিলে কি এমন হতো? -কি? -কালকে দেখা হউক তারপরে মজা দেখাবো বলে ফোন কেটে দেয়। ইমন তখন ফেসবুকে ডুকে দেখে সত্যি সত্যিই এসব আপলোড করে রাখছে। আর সবাই নানানরকম কমেন্ট করে রাখছে।নিচের দিকে চেয়ে দেখে তাদের স্যার ও কংরাটস লিখে কমেন্ট করছে। পরেরদিন ভার্সিটিতে যাওয়ার পর দেখে রিতু আগেই বসে আছে।ইমনকে দেখে রিতু ইমনের দিকে এগিয়ে যায়। -এই এসব কি?(রিতৃ) -কোন সব? -জানোনা? -আমি করি নাই তো এসব -তোমার মোবাইল দিয়ে কি আমি করছি -হতেও পারে কারন আমি দুপুরের দিকে মোবাইল টিপছিলাম এর পরে আর মোবাইল টিপি নাই -এখন কিন্তু ভালো হবে না -খারাপ কিছু করবা নাকি? রিতু তখন ইমনকে কয়েকটা কিল ঘুষি দেয় -আরে আরে এসব কি করছো?(ইমন হাসতে হাসতে) -আমি তোমার মোবাইল ধরছি তাই না? -আচ্ছা আমিই করছি এখন চলো ক্লাস মনে হয় শুরু হয়ে গেছে। ক্লাসের সামনে গিয়ে দুজন দাড়ানোর পরে -আসো(স্যার) রিতুর পিছন পিছন ইমন যাচ্ছে এমন সময় স্যার দুজনকে দাড়াতে বলে -রিতু প্রেম কেমন চলছে?(স্যার) -জি স্যার আলহামদুলিল্লাহ ভালো -ইমন তখন অবাক চোখে রিতু দিকে তাকায় রিতু তখন ইমনকে চোখ নাচিয়ে স্যারের দিকে তাকায়। -এখন পড়ালেখায় সময় দেও না হলে ফিউচারে অনেক প্রবলেম হবে -জি স্যার দোয়া করবেন -অবশ্যই, এখন টেবিলে গিয়ে বসো টেবিলে দুজন একসাথে বসার পরে... -স্যারের সাথে এসব কি বলছো?(ইমন) -যা সত্যি তা-ই বলছি? -মানে? -মানে কি জানোনা? -কি? -ফেসবুকের ক্যাপশন টা কি যেনো? -মাই লেডি -এটা যেনো মনে থাকে -কিহহ -এখন ক্লাসে মন দেও। ক্লাসের পরে কথা হবে। ক্লাস শেষ হওয়ার পরে ক্যাম্পাসের দিকে ইমন আস্তে আস্তে হেটে যাচ্ছে রিতু তখন হাটার মাঝে হালকা দৌড়ে ইমন এর হাত ধরে চোখে চোখ রেখে মুচকি হাসি হাসে। -যেভাবে হাত ধরছো তাতে মানুষ সন্দেহ করতে পারে(ইমন) -সন্দেহ করবে কেনো? সবাই তো জেনেই গেছে -কি জানছে? -তোমার আর আমার মধ্যে কোনো ধরনের সম্পর্ক আছে এটা সবাই জানে। -কিহহ -হ্যা -কিন্তু এটা তো মিথ্যা -মিথ্যা টা সত্যি হলে কি খুব বেশি প্রবলেম?(রিতু) -মানে? -মানে হলো আমিও তোমার লেডি হতে চাই,শুধুই তোমার(চোখ বুজে) -ইমন তখন রিতুর দিকে চেয়ে থাকে -রিতু চোখ খুলে, ঐ মফিজ্জা কি ভাবছিস? -কিহহহ -কি ভাবতাছো? -এর আগে কি বলছো? -বাসর ঘরে ও বলবো বলে তারাতারি হাটতে হাটতে চলে যায় -ইমন তখন নিজের অজান্তে হেসে দেয়। ইমন বাসায় যাওয়ার পরে খাবার খেয়ে রুমে শুয়ে শুয়ে রিতুর কথা ভাবছে। রিতুর গালের টোল টা অনেক সুন্দর আর ঠোটের কোনায় যে তিল টা আছে এটা যেনো কোনো অপ্সরীকেও হার মানাবে,এমন সময় ইমনের ভাবনার ছেদ ঘটিয়ে মোবাইলের রিঙ হচ্ছে। ইমন মোবাইল হাতে নিয়ে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে দেখে রিতুর মোবাইল থেকে ফোন আসছে। ফোন রিসিভ করার পরে -খায়ছো?(রিতু) -হুম, তুমি? -হুম, কি করো? -শুয়ে শুয়ে কারো কথা ভাবছি(ইমন) -কার? -বলা যাবে না -হয়ছে হয়ছে ঢং বাদ দাও -কি? -জানি কার কথা ভাবছো -কার কথা ভাবছি? -কার আবার? আমার কথা ই তো ভাবতাছো -তুমি জানছো কিভাবে? -জাদু আছে -ভালো তো -কি ভাবছো বলো না? -ভাবছি ডাইনিটা এতো সুন্দর কেনো? -ওমাহহহ -কিহহহ? -আমার সুন্দর কি এতদিনে তোমার চোখে ধরা পরছে? -আগে তো লেডি ভিলেন ছিলা -হি হি হি -হাসো কেনো? -তখন তো শুধু তোমার সাথেই এসব করতাম - পারলো এখন কইরো -এখন না বিয়ের পরে করবো -কার বিয়ে? -তোর আর আমার বিয়ে হবে,এবং।খুব তারাতারি -হিহিহি -আবার দাত কেলাইয়া হাসো কেন -কিছু না এখন ফোন রাখো,আমি ঘুমাবো -ওকে বায় ইমন তখন বায় বলে ফোন রেখে রিতুকে নিয়ে কল্পনায় ভেবে ভেবে ঘুমিয়ে যায়। পরেরদিন সকালে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে বেড় হয়। ভার্সিটিতে যাওয়ার পথে ইমন রাস্তার পাশ দিয়ে হাটছে এমন সময় একটা বাইক এসে ধাক্কা দেয়। ইমন তখন রাস্তার পাশে পরে যায়। তখন কিছু লোক তাকে ধরে নিয়ে স্থানীয় একটা ফার্মেসীতে নিয়ে যায়। হাতের কিছু অংশ কেটে যাওয়ায় ব্যান্ডেজ করে দেয়।। হাতে ব্যান্ডেজ নিয়েই ভার্সিটি যায়। ক্যাম্পাসের মধ্যে সানি আর ইমন গাছ তলায় বসে আছে... -সাবধানে চলতে পারিস না?(সানি) -আরে রাস্তার পাশ দিয়েই তো হাটছিলাম কিন্তু ঐ শালা কেনো যে আমায় ধরলো
রাগী রাগী Reviewed by MD ASAD RAHMAN on মার্চ ২২, ২০১৯ Rating: 5
Blogger দ্বারা পরিচালিত.